স্টাফ রিপোর্টার: দিনভর অনন্ত অপেক্ষা। এই বোধহয় চলে এল জনি অ্যাকোস্টার আইআরটিসি। কিন্তু বিধি বাম। যদি শেষ পর্যন্ত ছাড়পত্র চলে আসে সেই আশায় মাঝরাতে খুলে রাখা হল আইএফএ অফিস। এমনকী, রাত বারোটা পর্যন্ত লাল-হলুদ তাঁবুতে ঠায় বসে বিশ্বকাপারও। যদি সই করানো সম্ভব হয়, তাহলে বুধবার জর্জ টেলিগ্রাফ ম্যাচে খেলতে পারবেন। কিন্তু আইআরটিসি আর এল না। আইএফএ কর্তাদের মতো হতাশ হয়ে মধ্যরাতে বাড়ি ফিরলেন জনি অ্যাকোস্টা।
[ডার্বির আগে সতর্ক মোহনবাগান, এরিয়ান ম্যাচে জয়ই লক্ষ্য শংকরলালের]
স্প্যানিশ ডিফেন্ডার বোরহার সঙ্গে চুক্তি হয়ে গেলেও, ডার্বির আগে তাঁকে কলকাতা লিগে রেজিষ্ট্রেশন করা নিয়ে অবশ্য খুব একটা আগ্রহ নেই ইস্টবেঙ্গলের। লাল-হলুদ কর্তারা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, ডার্বির আগেই একজন ভাল মানের স্ট্রাইকার নিয়ে আসতে। যাতে কলকাতা লিগের জন্য চারজন বিদেশি রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে নেওয়া যায়। কাশেম, আমনা, জনি অ্যাকোস্টা এবং নতুন বিদেশি স্ট্রাইকার। ডার্বির দিন এই হবে চারজন বিদেশির তালিকা। কিন্তু মঙ্গলবারও জনি অ্যাকোস্টার আইআরটিসি না আসায়, সমর্থকরা ডার্বিতেও কোনও ভাল বিদেশি স্ট্রাইকার দেখার আশা প্রায় ছাড়তে চলেছেন।
এদিন সকাল থেকে সমর্থকদের মধ্যে রটনা চলে, এই বোধহয় চলে এল জনির আইআরটিসি। সকালে যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে যে উৎসাহ নিয়ে জনিকে প্র্যাকটিস করতে দেখা যায়, তাতে বোঝাই যাচ্ছিল, বুধবার জর্জ টেলিগ্রাফের বিরুদ্ধে মাঠে নামার জন্য তৈরি হয়ে আছেন তিনি। শুধু আইআরটিসিটা চলে এলেই হল। প্র্যাকটিস শেষে ইস্টবেঙ্গল টিডি সুভাষ ভৌমিকও বললেন, “আইআরটিসি চলে এলেই খেলাব। ওকে খেলাব না, ঘাড়ে কটা মাথা আমার? বরং ও খেললে তো আমার অর্ধেক সমস্যাই মিটে গেল।”
[ফাইনালে ফের ব্যর্থ সিন্ধু, এশিয়াডে রুপোতেই সন্তুষ্ট হায়দরাবাদি শাটলার]
ক্লাব চাইছে, কোচ চাইছেন। তাহলে জনি অ্যাকোস্টার আইআরটিসি আসছে না কেন? সারাটা দিন ধরে ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে তো এটাই আলোচনা। খোঁজ খবর নিয়ে যা জানা গেল, তাতে জনি অ্যাকোস্টা যে ক্লাবে শেষ খেলেছেন, সেখান থেকেই এখনও আইআরটিসি সম্পর্কিত পূর্ণাঙ্গ তথ্য আসেনি। যাতে বিশ্বকাপারের আইআরটিসি সমস্যা মিটতে পারে। ক্লাব থেকে দ্রুত চেষ্টা চলছে সমস্যা মেটানোর। তবে এরই সঙ্গে বিদেশি স্ট্রাইকার আনাও। কিন্তু বিদেশি স্ট্রাইকার প্রসঙ্গ উঠলেই একেবারে মুখ বন্ধ করে ফেলছেন টিডি সুভাষ। “আমার মুখ দিয়ে আর বেফাঁস কিছু বলানো যাবে না। বিদেশি স্ট্রাইকার নিয়ে কোনও কিছুই আর উচ্চারণ করব না। হাতে যা আছে, তা নিয়েই ভাবব। বাড়িতে আছে ৪ টাকা। তাহলে ৮ টাকার স্বপ্ন দেখব কেন?”
[বন্যাদুর্গত কেরলের পাশে মোহনবাগান ফুটবলাররা, তৈরি হচ্ছে নতুন ফান্ড]
মুখে বলছেন, ডার্বি নয়। শুধুই বুধবারের জর্জ টেলিগ্রাফ ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন। কিন্তু কার্ড সমস্যায় থাকা সামাদের সঙ্গে কমলজিৎ আর চুলোভাকেও খেলাতে চাইছেন না শুধু ডার্বির কথা চিন্তা করেই। কেন না, জর্জ ম্যাচে চুলোভা কিংবা কমলজিৎ যদি ফের কার্ড দেখেন, তাহলে ডার্বিতে খেলতে পারবেন না। যদিও সুভাষ বললেন, “আমি বর্তমান নিয়ে চিন্তিত। ২ মিনিট পরে কী হবে, কেউ বলতে পারবে না। তাই ডার্বি নয়। জর্জ নিয়েই ভাবছি। আর আমার হাতে প্রচুর ফুটবলারও নেই। দেখতেই ৩০-৩৫ জন। যার মধ্যে অ্যাকাডেমির ৫ জন। এমন এমন ফুটবলার রয়েছে, যাদের খেলালে আবার হইহই শুরু হয়ে যাবে। হাতে সাইডব্যাক কোথায়?”
সর্বশেষ খবর
-
ছাব্বিশে ফিরল ʼ১৪-র স্মৃতি, ৭ গোল দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু জার্মানির
-
সই জাল কাণ্ডে কুণাল-অভিষেককে মুখোমুখি জেরা, বয়ানে অসংগতি সাংসদের! ফের তলবের ভাবনা সিআইডির
-
লেবানন নিয়ে ইজরায়েল-ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা, ‘আমরা শান্তির দোরগোড়ায়’, বার্তা ট্রাম্পের
-
ক্রিকেট মাঠে ফের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ ভারতের, পাকিস্তানকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু স্মৃতি-দীপ্তিদের
-
হাতের সঙ্গে জুড়ছে মমতার তৃণমূল? জল্পনার মাঝেই ২১ জুলাই ‘শহিদ তর্পণে’ রাহুলকে আনার প্রস্তুতি প্রদেশ কংগ্রেসের