Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
AB de Villiers

বাভুমার দক্ষিণ আফ্রিকার সাফল্যের নেপথ্যে ফ্যাক্টর ধোনি! গম্ভীরের ‘সমস্যা’ও ধরে ফেলেছেন এবি!

ভারতের স্পিন সমস্যা নিয়েও মুখ খুললেন প্রাক্তন প্রোটিয়া তারকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৫:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৫, ১৫:৪০

options
link
বাভুমার দক্ষিণ আফ্রিকার সাফল্যের নেপথ্যে ফ্যাক্টর ধোনি! গম্ভীরের ‘সমস্যা’ও ধরে ফেলেছেন এবি! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টেস্ট সিরিজে চুনকাম হয়েছে ভারত। টানা দু’বছর দেশের মাটিতে চুনকাম হল গম্ভীর ব্রিগেড। স্পিনের বিরুদ্ধে সমস্যা অত্যন্ত প্রকট। প্রবল সমালোচনা হচ্ছে কোচ গৌতম গম্ভীরের পরিকল্পনা নিয়ে। এর পাশাপাশি প্রশংসা হচ্ছে প্রোটিয়া অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার। সেই সব নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন প্রোটিয়া তারকা এবি ডি’ভিলিয়ার্স (AB de Villiers)। আর সেই প্রসঙ্গে উঠল মহেন্দ্র সিং ধোনির নামও।

গম্ভীরকে নিয়ে এবি’র ব্যাখ্যা, “নেতা হিসেবে গৌতম গম্ভীর কেমন আমি জানি না। আমি ওঁকে আবেগপ্রবণ খেলোয়াড় হিসেবে জানি। যদি ড্রেসিংরুমের ক্ষেত্রেও তা হয়, তাহলে বলব সাধারণত একজন আবেগপ্রবণ কোচ থাকা ভালো নয়।” অর্থাৎ, যদি সাজঘরে গম্ভীর আবেগের অতিরিক্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটান, তবে তা দলের জন্য সমস্যার হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তার ঠিক যেন উলটো দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। যিনি ধোনির মতো মাথা ঠান্ডা রাখতে পারেন। এবি বলছেন, “এমএস ধোনিও একই রকম ছিল। আমি খুব কমই তার গলা শুনতে পেতাম। ধোনি খুব বেশি কথা বলত না। কিন্তু যখন কথা বলত, তখন লোকেরা শুনত। আমার মনে হয় টেম্বাও একই রকম। মাথা ঠান্ডা রেখে সম্মান অর্জন করেছে। যেটা একেবারেই অবিশ্বাস্য।”

সাম্প্রতিক সময়ে টিম ইন্ডিয়া পেস আর বাউন্সকে সেভাবে ভয় পায় না। বরং ভারতীয় দলের নয়া ত্রাস হয়ে দাঁড়াচ্ছে স্পিন। যে ভারত স্পিনের বিরুদ্ধে শক্তিশালী ছিল, তারা কি এখন স্পিন খেলতেই পারছে না। সেটা মনে করেন না তাহলে সমস্যা কোথায়?

যা নিয়ে এবি বলছেন, “আমি মনে করি না সমস্যাটা টেকনিক্যাল। ভারতীয় খেলোয়াড়রা সবসময়ই স্পিনের বিরুদ্ধে সেরা। আমি মনে করি না যে হঠাৎ করেই তাঁদের রিভার্স সুইপ বা সুইপ করতে হবে। যাতে তাঁরা এখনও সেরা তা প্রমাণ করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে খুব বেশি পরিবর্তনের দরকার নেই। আত্মবিশ্বাস বজায় রাখা ও মাথা ঠান্ডা রাখার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। আমার মনে হয় সমস্যাটা মানসিক দৃষ্টিভঙ্গির।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.