Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Harshit Rana

ট্রোলারদের থামিয়েও কাটছে না ‘দুশ্চিন্তা’, বাবার ভয়ে কেন কাঁপছেন হর্ষিত?

হর্ষিত রানা কিন্তু প্রতিনিয়ত প্রমাণ করছেন, কেন তিনি গম্ভীরের ‘প্রিয়পাত্র’? একটা বিষয় তো স্পষ্ট। সমালোচনাকে আদৌ পাত্তাই দেন না হর্ষিত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৬:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৬:৪১

options
link
ট্রোলারদের থামিয়েও কাটছে না ‘দুশ্চিন্তা’, বাবার ভয়ে কেন কাঁপছেন হর্ষিত? zoom
হর্ষিত রানা। ফাইল ছবি
Advertisement

তাঁকে নিয়ে সমালোচনা কম নয়। গম্ভীরের ‘পছন্দের’ বলে সুযোগ পান, এমন কথাও ওঠে। তবে হর্ষিত রানা কিন্তু প্রতিনিয়ত প্রমাণ করছেন, কেন তিনি গম্ভীরের ‘প্রিয়পাত্র’? একটা বিষয় তো স্পষ্ট। সমালোচনাকে আদৌ পাত্তাই দেন না হর্ষিত। কীভাবে? সেটাই ফাঁস করলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে তাঁর অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। তবে ম্যাচ জিতিয়েও হর্ষিতের মনের ভয় কাটছে না।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে দুই উইকেট তোলেন হর্ষিত। পরে ব্যাটিংয়ের সময় হর্ষিতকে নিয়ে একটা ‘ফাটকা’ খেটে গেল। ওয়াশিংটন সুন্দর আহত হওয়ায় হর্ষিত রানা ব্যাট করতে নামলেন সাতে। সেখানে ২৩ বলে ২৯ রানের মহামূল্যবান ইনিংস খেলে গেলেন হর্ষিত। বাস্তবটা হল, হর্ষিতকে নিয়ে সমালোচনা হলেও তিনি কিন্তু নিয়মিত পারফর্ম করে যাচ্ছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যা নিয়ে রাহানে বলেন, “আইপিএলের সময় একবার আমরা এই সোশাল মিডিয়ার প্রভাব নিয়ে কথা বলেছিলাম। আমি খেয়াল করি, দুয়েকটা ম্যাচে ও ভালো খেলতে পারছে না। খুবই চাপে পড়ে যাচ্ছিল। চারদিকে এত সমালোচনায় হর্ষিতের মনখারাপ হয়েছিল। আমাকে বলেছিল, লোকে আমার সম্বন্ধে অনেক খারাপ কথা বলে। কিন্তু সেগুলোকে আমি অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখতে চাই। যখন আমি লোকজনের মন্তব্য দেখি, তখন আমি ঠিক করি আমাকে বোলিং নিয়ে আরও পরিশ্রম করতে হবে।” রাহানে আরও দেখেন, একদিন হর্ষিত কানে এয়ারপড লাগিয়ে অনুশীলন করছেন। যা দেখে চমকেই যান নাইট অধিনায়ক। পরে জিজ্ঞেস করে জানতে পারেন, বাইরের শোরগোল থেকে বাঁচার জন্য এই পথ নেন।

তবে ম্যাচ জিতিয়েও ভয় কাটছে না হর্ষিতের। বাবাকে ফোন করতেও ভয় পাচ্ছেন তিনি। কারণ? ভারতীয় পেসার বলছেন, “বাবাই আমাকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নিয়ে আসেন। আমার এখন মনে হচ্ছে, ওঁকে ফোন করলে বকা খাব। কারণ জেতার ২০ রান আগে আমি আউট হয়ে যাই। এমনিতে প্রতি ম্যাচের পর বাবা আমাকে ফোন করেন। আজ আমিই ফোন করতে ভয় পাচ্ছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.