BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ, কাঠগড়ায় ধোনি

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: December 4, 2019 4:39 pm|    Updated: December 4, 2019 4:39 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: বেশ কিছুদিন তিনি ক্রিকেটের বাইরে। তবু তাঁকে নিয়ে যখন অভিযোগের পাহাড় জমে তখন অবাক লাগে বইকি।

তিনি বলতে মহেন্দ্র সিং ধোনি। বিশ্বকাপে শেষ খেলার পর কবে তিনি ফের খেলতে নামবেন তা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। সেই ধোনির বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধোনিও প্রকারন্তরে আর্থিক নয়ছয়ের সঙ্গে জড়িত। ব্যাপারটি কি? আম্রপালি গ্রুপের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। এই সংস্থা গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু দিনের পর দিন গ্রাহকরা সংস্থার দোরে দোরে ঘুরলেও কাজের কিছু হয়নি। স্রেফ হয়রান হয়েছে সাধারণ মানুষ।

তাই বাধ্য হয়ে তদন্তে নামে ইকোনমিক অফেন্সেস উইং। তারা তদন্তে নেমে জানতে পারে আম্রপালির আর কিছু সংস্থা রয়েছে। যার মধ্যে একটি হল আম্রপালি মাহি ডেভলপার্স। এই কোম্পানিতে শেয়ার রয়েছে ধোনির স্ত্রী সাক্ষীর। শুধু এই কোম্পানির শেয়ার সাক্ষীর ছিল তাই নয়, আম্রপালি মাহি ডেভলপার্স প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টরও ছিলেন ধোনি পত্নী। ক্রেতাদের কাছ থেকে প্রায় ৪৭টি সংস্থা ঘুরপথে অর্থ সংগ্রহ করত। তার মধ্যে অন্যতম হল আম্রপালি মাহি ডেভলপার্স প্রাইভেট লিমিটেড। ২০১১ সালে এই কোম্পানি গঠন করা হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: আইসিসি টেস্ট ব়্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে বিরাট, বোলারদের তালিকায় প্রথম দশে ঢুকলেন শামি]

মজার ঘটনা হল, কোম্পানি হওয়ার পরবর্তী তিন বছর কোনও অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। কেন করা হয়নি তার সদুত্তর দিতে পারেননি কেউই। পরবর্তীকালে যখন দেখা যায়, এই কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত স্বয়ং ধোনির স্ত্রী মাহি তখন সকলেই নড়েচড়ে বসে। অনেকে অবাক হয়ে যায়, কীভাবে একজন কিংবদন্তী ক্রিকেটারের স্ত্রী এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এবার আর্থিক দুর্নীতির কারণে ধোনিকে কাঠগড়ায় তুলতে চেয়েছে ইকোনমিক অফেন্সেস উইং। তারা ২৭ নভেম্বর আর্থিক দুর্নীতির জন্য ধোনিকে দোষী সাজিয়ে এফআইআর করেছে। যদিও মূলত অভিযোগ জমা পড়েছে আম্রপালি গ্রুপের চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর অনিল কুমার শর্মা, গ্রুপ অফিসিয়াল শিব প্রিয়া, মোহিত গুপ্তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগকারী তথা ইকোনমিক অফেন্সেস উইংয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধোনির মুখকে ব্যবহার করে তারা বাজার থেকে টাকা তুলেছিল। মূলত ধোনির মুখ ছিল সকলের সামনে। তাই ক্রেতারা ধোনির মতো ব্যক্তিত্বের ছবি দেখে ফ্ল্যাট বুক করে। শুধু তাই নয়, আর্থিক অনিয়ম করার উদ্দেশে ধোনিকে ব্র‌্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করা হয়েছিল। তাই ধোনিকে কেন দোষী করা হবে না? এই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে ইকোনমিক অফেন্সেস উইং। তারা বলেছে, ধোনি এই বিষয়ে দায় এড়িয়ে যেতে পারেন না।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement