৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একটা উড়ো ই-মেল। আর তাতে বিদেশের মাটিতে আঁটসাঁট করা হয়েছিল ভারতীয় দলের নিরাপত্তা। ক্যারিবিয়ান সফরে গিয়ে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার ক্রিকেটাররা। কে এই কাণ্ড ঘটাল? অবশেষে খোঁজ মিলেছে তার। মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসদমন শাখা (এটিএস) গত মঙ্গলবার উড়ো ই-মেল করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে ১৯ বছরের এক তরুণকে।

[আরও পড়ুন: জন্টি রোডসকে ফিল্ডিং কোচ না করার ‘অদ্ভুত’ ব্যাখ্যা নির্বাচক প্রধানের]

জানা গিয়েছে অভিযুক্ত অসমের বাসিন্দা। নাম ব্রিজমোহন দাস। গত ১৬ আগস্ট, অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবসের ঠিক পরের দিন ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে (বিসিসিআই) একটি ই-মেল করে সে। ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় সেই ই-মেলে। তারপরই অ্যান্টিগায় থাকা বিরাট কোহলিদের নিরাপত্তা হঠাৎ করেই জোরদার করা হয়। নড়েচড়ে বসেন সিকিউরিটি ম্যানেজার আনন্দ সুব্রহ্মণ্যম। তিনি জানান, টিমের প্রতিটা গতিবিধিতেই নিরাপত্তারক্ষীরা নজর রাখছে। যাতে ভারতীয় দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সমস্যা না হয়, তার কড়া ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। এমনকী জঙ্গি হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছিল না। তবে মহারাষ্ট্রের এটিএস তদন্তে নেমে জানতে পারে, এক তরুণেরই কাজ এটি। শুধু ভারতীয় দলকেই নয়, অন্যান্য দেশের ক্রিকেট বোর্ডকেও একই পন্থায় হুমকি দিয়েছিল সে। সাইবার বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়েই তদন্তকারীরা জানতে পারেন, ই-মেলটি করেছিল ব্রিজমোহন। যার বাড়ি অসমের মরিগাঁও জেলায়। অভিযুক্তের খোঁজে অসমে পৌঁছায় এটিএসের একটি দল। সেখান থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। যে ডিভাইসটি থেকে ই-মেল করা হয়েছিল, সেটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: প্রথম টেস্টে ব্যাটিং ভরাডুবি, ইনিংস বাঁচাল রাহানের হাফ সেঞ্চুরি]

অভিযুক্তর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬ (II) এবং ৫০৯ ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। মরিগাঁওয়ের আলাদাতে তাকে পেশ করা হয়। যেখানে তার ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর হয়। পরে ব্রিজমোহনকে মুম্বই নিয়ে আসা হয়। তাকে মাজগাঁও আদালতে তোলা হলে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং