Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬
Babar Azam

পাকিস্তানের টেস্ট দলে ফের নেতৃত্বে বাবর আজম, সরানো হল শান মাসুদকে

বাদ পড়েছেন তিন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার শাহিন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলি, নোমান আলি। রাখা হয়নি সাইদ শাকিলকেও। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১৫:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১৫:০৫

options
link
পাকিস্তানের টেস্ট দলে ফের নেতৃত্বে বাবর আজম, সরানো হল শান মাসুদকে zoom
বাবর আজম ও শান মাসুদ। ফাইল ছবি।

পাকিস্তান ক্রিকেটে ফের বড় রদবদল। টেস্ট অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শান মাসুদকে। আবারও নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন বাবর আজম। আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেবেন বাবর। ২৫ জুলাই থেকে ক্যারিবিয়ান দলের বিরুদ্ধে দু’ম্যাচের টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হবে পাক দল। ১৯ আগস্ট থেকে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবেন বাবররা।

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার টেস্ট অধিনায়কত্ব পেলেন বাবর। ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত পাকিস্তান টেস্ট দলের অধিনায়ক ছিলেন। টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণার আগেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। প্রত্যাশামতো ফল না পাওয়ায় শান মাসুদের নেতৃত্বে আস্থা হারিয়েছে পিসিবি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
বাবর আজম। ফাইল ছবি।

তাছাড়াও নির্বাচকরা দলে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন। এর মধ্যে চারজন নতুন। তাঁরা হলেন বাঁহাতি স্পিনার আলি উসমান, ব্যাটার মহম্মদ আওয়াইস জাফর, ফাস্ট বোলার উবাইদ শাহ এবং উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মহম্মদ গাজি ঘোরি। অন্যদিকে, শর্তসাপেক্ষে ইংল্যান্ড সিরিজের দলে জায়গা পেয়েছেন সৌদ শাকিল। এই সিরিজের আগে তাঁকে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে তাঁকে। বাদ পড়েছেন তিন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার শাহিন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলি, নোমান আলি। রাখা হয়নি সাইদ শাকিলকেও। 

মাসুদের নেতৃত্বে পাকিস্তান ১৬টি টেস্ট খেলেছে, যার মধ্যে ১২টিতেই হার। তাঁর অধীনে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারও রয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ১৬টি ম্যাচে ১২টি হারার নজির আর কোনও অধিনায়কের নেই। এছাড়া পাকিস্তানের হয়ে অন্তত ১৬টি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়া অধিনায়কদের মধ্যে এত কম সময়ে এত বেশি পরাজয়ের রেকর্ডও আর কারও নেই। শুধু মিসবা-উল-হক অধিনায়ক হিসাবে ১৯টি টেস্ট হেরেছিলেন। তবে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৫৬টি ম্যাচে। মাসুদের নেতৃত্বে পাকিস্তান শেষ সাতটি টেস্টে টানা হেরেছে। যা পাকিস্তানের টেস্ট ইতিহাসে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ।

তবে অধিনায়ক হিসেবে ব্যর্থ হলেও ব্যাটার হিসাবে মাসুদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট পিসিবি। অধিনায়ক হওয়ার পর তাঁর ব্যাটিং গড় বেড়ে হয়েছে ৩৪.০৬। অধিনায়ক হওয়ার আগে তাঁর গড় ছিল ২৮.৫১। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের দলে তিনি রয়েছেন। উল্লেখ্য, বাবর আজমকে সরিয়েই শান মাসুদকে টেস্ট দলের অধিনায়ক করা হয়েছিল। এবার আবার সেই বাবরের হাতেই ফিরিয়ে দেওয়া হল নেতৃত্ব।

বাবরের প্রথম দফার অধিনায়কত্বে পাকিস্তান ২০টি টেস্টের মধ্যে ১০টিতে জয় পেয়েছিল। তাঁর নেতৃত্বে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর পাশাপাশি বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েও সিরিজ জিতেছিল পাকিস্তান। তবে নেতৃত্ব হারানোর পর তিন ফরম্যাটেই বাবরের ব্যাটিংয়ে প্রভাব পড়ে। অধিনায়কত্ব হারানোর পর তাঁর টেস্ট ব্যাটিং গড় নেমে আসে প্রায় ২৭-এ। অথচ অধিনায়ক থাকাকালীন তাঁর গড় ছিল ৫০-এরও বেশি। উল্লেখ্য, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় পাকিস্তান নবম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পাকিস্তান দল:
বাবর আজম (অধিনায়ক), আমির জামাল, আবদুল্লা ফজল, আলি উসমান, আজান আওয়াইস, ইমাম-উল-হক, খুররম শাহজাদ, মহম্মদ আব্বাস, মহম্মদ আলি, মহম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মহম্মদ আওয়াইস জাফর, মহম্মদ গাজি ঘোরি (উইকেটরক্ষক), সাজিদ খান, সলমন আলি আঘা, শান মাসুদ এবং উবেইদ শাহ।

ইংল্যান্ড সফরের পাকিস্তান দল:
বাবর আজম (অধিনায়ক), আমির জামাল, আবদুল্লা ফজল, আলি উসমান, আজান আওয়াইস, ইমাম-উল-হক, খুররম শাহজাদ, মহম্মদ আব্বাস, মহম্মদ আলি, মহম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মহম্মদ আওয়াইস জাফর, মহম্মদ গাজি ঘোরি (উইকেটরক্ষক), সাজিদ খান, সলমন আলি আগা, সৌদ শাকিল (ফিটনেস সাপেক্ষে), শান মাসুদ এবং উবেইদ শাহ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.