১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ১৮ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আশঙ্কাই সত্যি হল। আগামী দু’বছরের জন্য (এক বছরের জন্য বলবৎ) সবরকম ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত করা হল বাংলাদেশি অলরাউন্ডার শাকিব আল হাসানকে। অর্থাৎ ভারতে হতে চলা আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে পারবেন না তিনি। সেই সঙ্গে ইডেনে হতে চলা প্রথমবার দিন-রাতের টেস্টেও বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেখা যাবে না শাকিবকে। গড়াপেটার প্রস্তাব পেয়েও তা গোপন করার জন্য শাস্তি পেতে হল তাঁকে।

মূল ঘটনা বছর দুই আগের। এক জুয়াড়ির কাছ থেকে ম্যাচ গড়াপেটার প্রস্তাব পেয়েছিলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের বর্তমান অধিনায়ক শাকিব। কিন্তু সেই প্রস্তাবের কথা তিনি আইসিসিকে জানাননি। জুয়াড়িদের কল রেকর্ড ট্র্যাকিং করে বিষয়টি পরে জানতে পারে আইসিসি। আর সেই কারণেই শাস্তির মুখে পড়লেন তিনি। দু’বছরের মধ্যে এক বছর বহাল থাকবে শাস্তি। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে যে তিনটি অভিযোগ উঠে এসেছে, তা স্বীকার করে নিয়েছেন শাকিব।

[আরও পড়ুন: ইডেনেই হচ্ছে ভারতের প্রথম দিন-রাতের টেস্ট, বিসিসিআইয়ের প্রস্তাবে রাজি বাংলাদেশ]

আইসিসির দুর্নীতি দমন শাখার ২.৪.৪ নম্বর কোড অফ কনডাক্ট অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি কোনও ধরনের অপরাধমূলক প্রস্তাব ক্রিকেটারকে দেয়, তবে তা অবিলম্বে আইসিসিকে বিস্তারিত জানাতে হবে। জানাতে দেরি করলে তদন্ত ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। বিশেষ পরিস্থিতিতে তা জানাতে দেরি হলে তা বিবেচনা সাপেক্ষ। কিন্তু অকারণ বিলম্ব হলে কড়া পদক্ষেপই করে আইসিসি। এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬ মাস থেকে পাঁচ বছরের নির্বাসনের শাস্তি হতে পারে। জানা গিয়েছে, গত বছর জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং জিম্বাবোয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ (দু’বার) এবং ২০১৮ আইপিএল (হায়দরাবাদ বনাম পাঞ্জাব) মিলিয়ে মোট তিনবার গড়াপেটার প্রস্তাব পেয়েছিলেন শাকিব। কিন্তু কোনওবারই মুখ খোলেননি তিনি। আর সেই কারণেই আপাতত বাইশ গজের বাইরে চলে গেলেন তারকা। ভারত সফরের আগে যা বড় ধাক্কা। আবার ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন শাকিব। অর্থাৎ আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও খেলতে পারবেন না তিনি।

আইসিসির দেওয়া শাস্তি মাথা পেতে নিয়ে অলরাউন্ডার বলেন, “নির্বাসিত হয়ে অত্যন্ত খারাপ লাগছে। কিন্তু আমি প্রস্তাব পেয়েও যে তা গোপন করেছি, সেটা স্বীকার করছি। আইসিসির দুর্নীতি দমন শাখা শক্ত হাতে দুর্নীতি রোধে ভূমিকা পালন করে। কিন্তু আমি আমার দায়িত্ব পালন করিনি। গোটা বিশ্বের ক্রিকেটার এবং ক্রিকেটপ্রেমীদের মতো আমিও চাই, ক্রিকেট যেন দুর্নীতি মুক্ত থাকে। খেয়াল রাখব, পরবর্তীকালে আমার মতো ভুল যেন আর কেউ না করে।”

[আরও পড়ুন: নেটদুনিয়ায় ট্রেন্ডিং #DhoniRetires, ধোনির অবসর নিয়ে ফের জল্পনা তুঙ্গে]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং