Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

গড়াপেটায় যুক্ত শামি? তিন ঘণ্টা ধরে হাসিনকে জেরা দুর্নীতি দমন শাখার

ক্লিনচিট কি পাবেন ভারতীয় পেসার?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০১৯, ১৩:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০১৯, ১৩:৫২

options
link
গড়াপেটায় যুক্ত শামি? তিন ঘণ্টা ধরে হাসিনকে জেরা দুর্নীতি দমন শাখার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহম্মদ শামি কি ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে যুক্ত? এ নিয়ে তদন্তে নেমেছে বিসিসিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখা। সাতদিনের মধ্যে বোর্ডের কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা দুর্নীতি দমন শাখার প্রধান নীরাজ কুমারের। তদন্তের জন্য শনিবার কলকাতা এসে পৌঁছান ওই শাখার চার আধিকারিক। লালবাজারে শামির স্ত্রী হাসিন জাহানকে ডাকা হয়। সেখানেই বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় হাসিনকে।

[মাঠে অভব্য আচরণ, আইসিসি-র কড়া শাস্তির মুখে শাকিব ও নুরুল]

হাসিনের আইনজীবী জাকির হুসেন জানান, প্রায় তিন ঘ্ণ্টার বেশি সময় ধরে শামির স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা। এই তদন্তের রিপোর্টের উপরই শামির ক্রিকেট ভবিষ্যৎ নির্ভর করে রয়েছে। এর আগেই বিসিসিআইয়ের চুক্তি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ভারতীয় পেসারকে। পাশাপাশি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তাঁর আইপিএল-এ খেলাও। তবে বিশেষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, শামিকে হয়তো ক্লিনচিটই দিতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। কারণ দুর্নীতি দমন শাখার হাতে নাকি শামির বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার কোনও প্রমাণ আসেনি। আগামী মঙ্গলবার রিপোর্ট হাতে এলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

Advertisement

[সদ্যোজাতকে ধর্ম বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা উপহার দিলেন এই ফুটবলার]

শামি ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে পরকীয়া, শারীরিক অত্যাচার এমনকী ধর্ষণেরও অভিযোগ তুলেছেন হাসিন। যার জেরে ভারতীয় পেসারের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অভিযোগের পাশাপাশি হাসিন জানিয়েছিলেন, আলিশবা নামের এক পাক মহিলার কাছ থেকে টাকা নিতেন শামি। ইংল্যান্ডের ব্যবসায়ী মহম্মদ ভাইয়ের নির্দেশেই নাকি ওই টাকা নিয়েছিলেন তিনি। তারপরই শামি গড়াপেটার সঙ্গে যুক্ত কিনা তার তদন্ত শুরু হয়। গত ১৪ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের নিয়োগ করা বোর্ডের প্রশাসনিক কমিটিই (সিওএ) দুর্নীতি দমন শাখার প্রধান নীরজ কুমারকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছিল। মূলত তিনটি বিষয়ে তদন্তের দায়িত্ব পড়ে দুর্নীতি দমন শাখার উপর। ১. মহম্মদ ভাই ও আলিশবা আসলে কারা। তাঁদের পরিচয় কী। ২. মহম্মদ ভাইয়ের নির্দেশে শামি সত্যিই আলিশবার থেকে কোনও অর্থ নিয়েছিলেন কিনা। ৩. নিয়ে থাকলে তা কেন নিয়েছিলেন শামি। গত বৃহস্পতিবার দিল্লিতে শামিকে জেরা করেন দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা। এবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হল হাসিনকেও। তদন্তের গতি-প্রকৃতি প্রকাশ্যে না এলেও জানা যাচ্ছে, ক্লিনচিটই পেতে চলেছেন শামি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.