Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Virat Kohli

ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছাড়তে রাজি ছিলেন না কোহলি! জোর করেই নেতা বাছা হল রোহিতকে?

সূত্রের খবর, স্বেচ্ছায় অধিনায়কত্ব ছাড়তে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল বিরাটকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২১, ১১:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২১, ১১:৩৭

options
link
ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছাড়তে রাজি ছিলেন না কোহলি! জোর করেই নেতা বাছা হল রোহিতকে? zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব তিনি ছেড়েছিলেন স্বেচ্ছায়। কিন্তু ওয়ানডের ক্ষেত্রে ঠিক যেন উলটোটাই হল। ইচ্ছার বিরুদ্ধে একপ্রকার জোর করেই ওয়ানডে দলের অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল বিরাট কোহলিকে (Virat Kohli)। বদলে ‘প্রমাণিত’ নেতা রোহিতকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় বোর্ড (BCCI)। অন্তত, এমনটাই দাবি করা হয়েছে একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে।

BCCI sacked Virat Kohli after his reluctance to give up as the ODI Captain, Say Reports
ফাইল ছবি

বোর্ড সূত্রের খবর, ওয়ানডে ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব নিয়ে সিদ্ধান্তটা যে বেশ কঠিন হতে চলেছে, সেটা আগে থেকেই জানতেন নির্বাচকরা। তাই তাঁরা আগে থেকেই বিরাটের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন। সূত্রের দাবি, নির্বাচকরা নাকি চাইছিলেন কোহলি নিজেই পদত্যাগ করুন। যাতে সবার সম্মানের দিকটা বজায় রেখেই ব্যাপারটা মেটানো যায়। রোহিতের (Rohit Sharma) নাম ঘোষণার আগের ৪৮ ঘণ্টা নাকি বিরাটকে সময়ও দেওয়া হয়েছিল, যাতে তিনি স্বেচ্ছায় অধিনায়কত্ব ছাড়েন। কিন্তু, কোহলি তাতে রজি হননি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টির পর ওয়ানডেতেও অধিনায়ক রোহিত, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট দল ঘোষণা ভারতের]

আসলে, টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup) আগে থেকেই জল্পনা চলছিল, পারফরম্যান্স ভাল না হলে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের দুই ফরম্যাট থেকেই অধিনায়কত্ব যাবে বিরাটের। আসলে, বর্তমান বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে কোহলির সম্পর্ক যে তেমন ভাল নয়, সেটা অনেকদিন আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এভাবে যে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হবে, সেটা হয়তো ভাবতেই পারেননি টিম ইন্ডিয়ার (Team India) পোস্টার বয়। বোর্ড সূত্র বলছে, পদত্যাগ করতে রাজি না হওয়ায় একপ্রকার নির্মমভাবে বিরাটকে ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন বোর্ড কর্তারা। শুধু যে তাঁকে ছেঁটে ফেলা হল তাই নয়, ওয়ানডে ক্রিকেটে জয়ের শতকারে হারের নিরিখে দেশের সেরা অধিনায়ককে সামান্য ধন্যবাদজ্ঞাপন পর্যন্ত করল না ভারতীয় বোর্ড। স্রেফ ঘোষণা করে দেওয়া হল, আগামী দিনের কথা ভেবে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক বাছা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘ভারতের সর্বকালের সেরা টেস্ট অধিনায়ক’, কোহলির প্রশংসায় পঞ্চমুখ পাঠান]

পরিসংখ্যান বলছে, ৯৫টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৬৫টিতে জয়, ২৭টি হার। শতকরা ৭০ শতাংশেরও বেশি ম্যাচ জিতেছেন তিনি। যা কপিলদেব, ধোনিদের (MS Dhoni) মতো বিশ্বজয়ী অধিনায়কের থেকে বেশি। বিশ্বকাপে সফল না হলেও ১৯টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজের মধ্যে ১৫টি জিতেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, অধিনায়ক থাকাকালীন ২১টি সেঞ্চুরি করেছেন বিরাট। ব্যাটিং গড় ৭২.৬৫। এ হেন সাফল্যের পর কোহলির কি আরেকটু সম্মানজনক বিদায় প্রাপ্য ছিল না? প্রশ্ন তো উঠছেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.