BREAKING NEWS

১১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  রবিবার ২৯ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ক্রিকেট ফিরতেই জোড়া বড় সিদ্ধান্ত ভারতীয় বোর্ডের, খুশি ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার

Published by: Sulaya Singha |    Posted: November 20, 2020 2:18 pm|    Updated: November 20, 2020 2:18 pm

An Images

ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা কালে দরাজ হস্ত ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে নতুন করে গুরুত্ব দিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল তারা। ক্রিকেটারদের সঙ্গে সেন্ট্রাল চুক্তিতে ঘটল পরিবর্তন। যা নিঃসন্দেহে স্বস্তি দেবে বহু ক্রিকেটারকে।

কী সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই (BCCI)? বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, এবার থেকে ১০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেললেই সেই ক্রিকেটার বোর্ডের বার্ষিক চুক্তির জন্য যোগ্যতা অর্জন করবেন। এর আগে, মরশুমে যে কোনও একটি ফরম্যাটে দেশের জার্সি গায়ে নামলেই সেই ক্রিকেটার বোর্ডের বার্ষিক চুক্তির আওতায় পড়তেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নিযুক্ত প্রশাসনিক কমিটি (COA) সেই নিয়মে বদল আনে। বলা হয়, অন্তত তিনটি টেস্ট এবং সাতটি ওয়ানডে খেললে তবেই বার্ষিক চুক্তির যোগ্যতা অর্জন করবেন কোনও ক্রিকেটার। যদিও নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে ব্যতিক্রমী হয়ে উঠেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। টি-টোয়েন্টিতে তাঁর ভাল ফর্ম দেখে বার্ষিক চুক্তি করেছিল বোর্ড। এবার COA-র নিয়মে বদল এনেই বোর্ড জানাল, দশটি টি-টোয়েন্টি খেললেই বোর্ডের বার্ষিক চুক্তির আওতায় আসবেন সেই ক্রিকেটার। আসলে টি-টোয়েন্টি স্পেশ্যালিস্ট ক্রিকেটারদেরও সমান গুরুত্ব দিতে চায় বোর্ড। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক।

[আরও পড়ুন: আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গলের মূল শক্তি বিদেশিরাই! সংশয় ভারতীয় ব্রিগেডকে নিয়ে]

এদিকে, ভাগ্যদেবী থুড়ি বিসিসিআই সহায় সঞ্জয় মঞ্জরেকরের (Sanjay Manjrekar) উপরও। তাই তো দীর্ঘদিন পর ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ধারাভাষ্যকারের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। বৃহস্পতিবারই সিরিজের সম্প্রচারকারী চ্যানেলের তরফে ২২ জন ধারাভাষ্যকারের নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে রয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার মঞ্জরেকরও।

২০১৯-২০ মরশুমের শেষে প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটারকে ধারাভাষ্যকারের পদ থেকে বরখাস্ত করেছিল বিসিসিআই। জটিলতা তৈরি হয়েছিল গতবছর বিশ্বকাপ থেকেই। রবীন্দ্র জাদেজাকে ‘নিম্নমানে’র বলে মন্তব্য করেই ক্রিকেটপ্রেমীদের রোষানলে পড়েছিলেন মঞ্জরেকর। যদিও তিনি দাবি করেন, ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় এমন কোনও কথা বলেননি। একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন। তবে সেই বিতর্কে ঘি ঢালে পিঙ্ক বল টেস্টে মঞ্জরেকরের মন্তব্য। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইডেনে ঐতিহাসিক টেস্টে হর্ষ ভোগলেকে কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর ক্রিকেটীয় শিক্ষা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দেন। একাধিক সমালোচনায় বিদ্ধ হওয়ার পরই তাঁকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। আইপিএলের ধারাভাষ্যকারের তালিকায় রাখা হয়নি তাঁকে। বিসিসিআইয়ের কাছে দু’বার আরজি জানিয়েও লাভ হয়নি। অবশেষে ভাগ্যের শিকে ছিঁড়ল।

[আরও পড়ুন: নিয়ম বদল ICC’র, সর্বোচ্চ পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দু’নম্বরে নামল ভারত]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement