Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Manoj Tiwary

কার নির্দেশে, কোন স্বপ্নের তাগিদে অবসর ভাঙলেন মনোজ তিওয়ারি? জানতে পড়ুন

১৯ বছরের কেরিয়ারে চারবার রঞ্জি ফাইনাল খেলেছিলেন মনোজ তিওয়ারি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৩, ২০:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৩, ২০:৪৬

options
link
কার নির্দেশে, কোন স্বপ্নের তাগিদে অবসর ভাঙলেন মনোজ তিওয়ারি? জানতে পড়ুন zoom
সাংবাদিক বৈঠকে সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে মনোজ তিওয়ারি। ছবি: সিএবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় আছে ‘মর্নিং শোজ দ্য ডে’। মঙ্গলবার অর্থাৎ ৮ আগস্ট সকালের দিকেই খবরটা দাবানলের মতো বঙ্গ ক্রিকেট মহলে ছড়িয়ে পড়েছিল। আচমকা নেওয়া অবসর ভেঙে ফের বাইশ গজের যুদ্ধে ফিরতে চলেছেন মনোজ তিওয়ারি (Manoj Tiwary)। আর ঠিক তাই হল। সন্ধের দিকে ইডেন গার্ডেন্সে (Eden Gardens) এসে সিএবি (CAB) সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের (Snehasish Ganguly) পাশে বসে মনোজ জানিয়ে দিলেন যে, আবেগের বশে নেওয়া সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে ফের একবার বাংলার (Bengal) জার্সি গায়ে চাপিয়ে নামবেন তিনি। তবে আসন্ন ঘরোয়া ক্রিকেট মরশুমেই যে তাঁকে শেষবার দেখা যাবে, সেটাও স্পস্ট করে দিলেন মনোজ। শুধু তাই নয়, তাঁকে রঞ্জি ট্রফিতেই (Ranji Trophy) দেখা যাবে। বিজয় হাজারে ট্রফি (Vijay Hazare Trophy) কিংবা সৈয়দ মুস্তাক আলি প্রতিযোগিতায় (Syed Mustaq Ali Tournament) তাঁকে দেখতে পাওয়া যাবে না। সেটাই এদিন জানাতে ভুলে যাননি তিনি।

মনোজ সাংবাদিক বৈঠকে বলেছেন, “আসলে আবেগের বশে সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেছিলাম। কারও প্রতি রাগ নেই। একেবারে আবেগের বশে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম। তবে স্ত্রী সুস্মিতার কথায় আবার ব্যাট হাতে তুলে নেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছি। আর তাই এদিন সবার সামনে ফিরে আসার বার্তা দিলাম। কারণ অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্তের জন্য আমার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, ফ্যানরা অনেক কষ্ট পেয়েছে। তাদের কথাও ভাবতে হয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: EXCLUSIVE: আচমকাই সিদ্ধান্ত বদল? অবসর ভেঙে ফিরতে চলেছেন মনোজ তিওয়ারি!]

কিন্তু মনোজকে কীভাবে উদ্ভুদ্ধ করেছিলেন সুস্মিতা? বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক যোগ করলেন, “আসলে আমি না ভেবেই অবসর নিয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু আমার স্ত্রী সুস্মিতা আমাকে অনুরোধ করল যে তুমি এভাবে বিদায় নিতে পারো না। কারণ তুমি সবাইকে বলেছিলে যে বাংলাকে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন করেই অবসর নেবে। তাই আমি ঠিক করেছি আবারও বাংলার জার্সিতে মাঠে নামব।”

মাত্র পাঁচদিন আগেই ফেসবুকে পোস্ট করে অবসরের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন বাংলার ক্রীড়ামন্ত্রী। গত মরশুমেও তাঁর নেতৃত্বেই রনজি ট্রফির ফাইনালে উঠেছিল বাংলা। একপ্রকার অপ্রত্যাশিতভাবেই অবসর ঘোষণা করেছিলেন বঙ্গ ক্রিকেটের অন্যতম সফল তারকা। পরিবার ও কোচকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্ট করেন মনোজ। তারপর থেকে মনোজের অবসর নিয়ে সেভাবে কোনও খবর মেলেনি। তবে এদিন তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত বদলের কথা জানিয়ে দিলেন।

১৯ বছরের কেরিয়ারে চারবার রঞ্জি ফাইনাল খেলেছিলেন। তবে প্রতিবারই মনোজ ও বাংলা দলকে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। সেই স্বপ্ন পূরণ করাই এখন মনোজের একমাত্র লক্ষ্য। সেটাও ফের একবার জানালেন তিনি। মনোজের আরও প্রতিক্রিয়া, “হ্যাঁ রঞ্জি ট্রফি জয় আমার জীবনের অন্যতম স্বপ্ন। সেই তাগিদ এখনও বজায় রয়েছে। আর তাই ফের মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিলাম। একবার শেষ চেষ্টা করে দেখব।”

[আরও পড়ুন: ‘টি-টোয়েন্টির কোচ হিসেবে সক্রিয় নন দ্রাবিড়! হার্দিক সাহায্য পাচ্ছেন না’, বিস্ফোরক মন্তব্য তারকা প্রাক্তনের]

মনোজের এই সিদ্ধান্ত বদলের ক্ষেত্রে শুধু তাঁর স্ত্রী সুস্মিতা নন, বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “মনোজের সেই সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারার পর থেকেই ওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। কারণ আমি ওর সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছিলাম। সেইজন্য ওকে ফেরানোর কাজে নেমে যাই। অবশেষে আমরা সফল হয়েছি। এবার মনোজের মাঠে নামার পালা।”

মনোজ ক্রিকেটে আবার ফিরলেও তিনিই কি রঞ্জি ট্রফিতে বাংলাকে নেতৃত্ব দেবেন? শোনা যাচ্ছে এই মুহূর্তে সাদা বলের ফরম্যাট নিয়ে চিন্তাভাবনা করলেও, বঙ্গ ক্রিকেটে অবদানের কথা মাথায় রেখে মনোজের হাতেই রঞ্জি ট্রফির ব্যাটন তুলে দেওয়া হতে পারে।

শুধু বাংলা নয়, দেশের জার্সিতেও খেলেছেন মনোজ। ভারতের হয়ে ১২টি এক দিনের ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ২৮৭ রান করেছেন। একটি শতরান এবং একটি অর্ধশতরান রয়েছে তাঁর। টি-টোয়েন্টিতে তিনটি ম্যাচ খেলে ১৫ রান করেছেন। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স-সহ একাধিক দলে খেলেছেন তিনি। ২০১২ সালে কলকাতা প্রথম আইপিএল জয়ের সময় শেষ ওভারে দু’টি বাউন্ডারি মেরে দলকে জিতিয়েছিলেন মনোজই। সেই দৃশ্য এখনও বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখে ভাসে।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.