Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Pakistan Cricket

‘এক বছরে পাক ক্রিকেটের হাল বদলে দেব’, আক্রমদের ‘চুপ’ করতে বলে চ্যালেঞ্জ যুবরাজের বাবার

'কথা কম বলে মাঠে নেমে কাজ করুন', আক্রম-আখতারদের তোপ যোগরাজ সিংয়ের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫, ১৪:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫, ১৪:৫৮

options
link
‘এক বছরে পাক ক্রিকেটের হাল বদলে দেব’, আক্রমদের ‘চুপ’ করতে বলে চ্যালেঞ্জ যুবরাজের বাবার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২৯ বছর পর আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে পাঁচদিনেই বাইরে। টানা দুই ম্যাচ হেরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে ছিটকে গিয়েছে পাকিস্তান। বাবর-রিজওয়ানদের সমালোচনায় মুখর প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। কিন্তু যুবরাজ সিংয়ের বাবা যোগরাজ বলছেন, এক বছরে পাক ক্রিকেটের খোলনলচে বদলে দেবেন।

নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর ভারতের কাছে পরাজয়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাবরদের পারফরম্যান্স দেখে হতাশ পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। প্রায় রোজই কিছু না কিছু তোপ দাগছেন তাঁরা। কিন্তু যোগরাজের মতে আক্রম-আখতারের মতো প্রাক্তনদের উচিত, কথা কম বলে কাজ বেশি করা উচিত। যুবরাজ সিংয়ের বাবা বলেন, “ওয়াসিম আক্রমের মতো বড় ক্রিকেটাররা খালি কথা বলে যাচ্ছে। আর আশেপাশের লোকজন হাসছে। ওদের লজ্জা লাগা দরকার। শোয়েব আখতারের মতো প্লেয়ার কেন পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে রোহিত-কোহলিদের তুলনা করবে? ওয়াসিম জি, আপনি ওখানে বসে শুধু টাকা কামাচ্ছেন? যান, নিজেদের দেশে ফিরে গিয়ে ক্যাম্প আয়োজন করুন। আমি দেখতে চাই, পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ জিততে আপনারা সাহায্য করছেন।”

Advertisement

আর সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, পাক ক্রিকেটের অবস্থা বদলাতে তাঁর ঠিক এক বছর সময় লাগবে। যোগরাজ বলেন, “আমি যদি পাকিস্তানে যাই, তাহলে এক বছরের মধ্যে সব বদলে দেব। তখন সবাই আমাকেই মনে রাখবে। ক্রিকেট আবেগের খেলা। আমি দিনে ১২ ঘণ্টা অনুশীলন করাই। আপনাদের উচিত দেশের জন্য, দেশের প্লেয়ারদের জন্য ঘাম-রক্ত ঝরানো। কমেন্ট্রি বক্সে বসে বড় বড় কথা বলে লাভ নেই।”

যোগরাজের মতে প্রাক্তন পাক তারকাদের উচিত, ভারতীয়দের থেকে শেখা। কোনও প্রাক্তন ক্রিকেটার সর্বসমক্ষে সমালোচনা করে না। তাতে দলের উপর বিরাট প্রভাব পড়ে। বরং কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো উচিত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.