Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
বিসিসিআই

কোটি কোটি টাকার চুক্তি, চাইলেও সহজে চিনা সংস্থাগুলির সঙ্গ ছাড়তে পারবে না BCCI!

জানেন, শুধু ভিভোর সঙ্গে কত টাকার চুক্তি বিসিসিআইয়ের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২০, ১৩:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২০, ১৩:৫৩

options
link
কোটি কোটি টাকার চুক্তি, চাইলেও সহজে চিনা সংস্থাগুলির সঙ্গ ছাড়তে পারবে না BCCI! zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখ সীমান্তে ভারত-চিন উত্তেজনার মধ্যে দেশজুড়ে চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক উঠেছে। যার জেরে বেশ সমস্যায় পড়েছে বিসিসিআই (BCCI)। কারণ আইপিএলের (IPL) একাধিক স্পনসর হয় চিনা, নাহয় চিন এবং ভারতের যৌথ অংশীদারদের মালিকানাধীন। লাদাখে চিনা সেনার বর্বরতার পরই আইপিএলের যাবতীয় চিনা স্পনসর বাতিল করার দাবি উঠছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই দাবি জোরাল করেছে ‘চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ (Chamber of Tade and Industry ) নামের বণিকসভাও। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাইলেও সহজে চিনা সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তি ভাঙতে পারবে না বিসিসিআই। কারণ, করোনার জেরে এমনিতেই বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে বোর্ড। তার উপর এত বড় ধাক্কা সামলানো সত্যিই কঠিন হবে।

‘ভিভো’, ‘আলিবাবা’, ‘পেটিএম’-সহ সমস্ত চিনা সংস্থাই ভারতীয় ক্রিকেটে বড় অঙ্কের টাকা ঢালে। ভারতীয় বোর্ডের ‘সোনার হরিণ’ আইপিএলেরই টাইটেল স্পনসর ‘ভিভো’ (Vivo) । যা কিনা চিনা মোবাইল সংস্থা। শুধুমাত্র ভিভোই ফি বছর আইপিএল আয়োজনের জন্য বোর্ডকে দেয় ৪৪০ কোটি টাকা। পাঁচ বছরে মোট ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার চুক্তি আছে সংস্থাটির সঙ্গে। এ ছাড়াও খুচখাচ কিছু চিনা সংস্থা ভারতীয় ক্রিকেট টিমের সঙ্গে জড়িত। ভারতীয় দলের পূর্বতন স্পনসর ছিল ‘অপ্পো’। যা চিনে সংস্থা। বর্তমানে ‘বাইজু’ তাতেও শোনা যাচ্ছে চিনের অংশ আছে। এদের সবার মিলিত স্পনসরশিপের টাকা যদি ধরা যায়, তাহলে বোর্ডের সিংহভাগ রোজগারই আসে চিনা বা চিনা অংশীদারি সংস্থা থেকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ক্রীড়া সরঞ্জামের বাজারে একচ্ছত্র দখল চিনের! বয়কট করা সহজ নয়, মত ব্যবসায়ীদের]

করোনার জেরে বিশ্ব অর্থনীতি এমনিতেই দুর্দিনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। একই অবস্থা ক্রিকেট জগতেরও। এই অবস্থায় যদি চিনা স্পনসরদের বাতিল করতে হয়, তাহলে নতুন করে ওই বিপুল অঙ্কের স্পনসরশিপ জোগাড় করাটা বোর্ডের পক্ষে সহজ হবে না। সেজন্যই বোর্ডে সহজে চিনা স্পনসর বাতিল করতে পারবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শোনা যাচ্ছে, বিসিসিআইও এ নিয়ে চূড়ান্ত দোলাচলে। একে তো এবছর আইপিএল হওয়া নিয়ে এখনও কোনও নিশ্চয়তা নেই। তার উপর যদি স্পনসর বাতিল করতে হয়, তাহলে সেই ধাক্কা বোর্ডের পক্ষে সামলানো সম্ভব হবে না। তাই যতদিন না সরকার পুরোপুরি চিনা পণ্য এবং স্পনসর বাতিল ঘোষণা করছে, ততদিন বোর্ডও স্পনসর বাতিল করার কথা ভাববে না। বিসিসিআই সূত্রের খবর, আগামী শুক্রবার যে বৈঠক হওয়ার কথা, সেখানেই এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। আইপিএল শুরুর তারিখ নিয়েও সেদিন হতে পারে সিদ্ধান্ত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.