দলীপ ফাইনালে (Duleep Trophy Final) চর্চায় বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। ব্যাটে তো বটেই। তার সঙ্গে একাধিক কাণ্ডকারখানা করে মাতিয়ে রেখেছে ১৫ বছর বয়সি ব্যাটার। কখনও তিলককে স্লেজিং করে বদলা নিচ্ছে, তো মায়ের নামে শপথ করে আম্পায়ারকে রাজি করাচ্ছে। ১৪ বছর পর দলীপ জয়ের মুখে দাঁড়িয়ে আছে পূর্বাঞ্চল। সেখানে মহম্মদ শামি, মুকেশ কুমার ছাড়াও মাতিয়ে রেখেছে বৈভব।
প্রথম ঘটনা তৃতীয় দিনে। প্রথম ইনিংসে পূর্বাঞ্চল ৭০৮ রান তোলে। জবাবে মাত্র ৩৩৬ রানে অলআউট হয়ে যায় দক্ষিণাঞ্চল। তৃতীয় দিনে লড়াই করছিলেন তিলক বর্মা। পাটা পিচে তাঁকে আউট করতে সমস্যায় পড়েছিলেন শামি-মুকেশরা। তাঁরা বল পরিবর্তন করতে বলেছিলেন। কিন্তু আম্পায়ার সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। তাঁদের পালটা যুক্তি ছিল, বোলাররা বলে অতিরিক্ত ঘাম ব্যবহার করছেন। সেই সময় সহ-অধিনায়ক বৈভব প্রতিবাদ করে। কীভাবে?
আরও পড়ুন:
গলায় হাত দিয়ে বৈভব শপথ নেয়। সে বোঝানোর চেষ্টা করে ঘাম দিয়ে নয়। প্যান্টে বল ঘষছিলেন বোলার। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বৈভব মায়ের নামে শপথ করে বলে যে সত্যি কথা বলছে।
দ্বিতীয় ঘটনা চতুর্থ দিনে। ৯৯ রান করে আউট হন তিলক। ম্যাচের মাঝে তিলককে স্লেজিং করে বৈভব। কাছে গিয়ে খোঁচা দিয়ে কথা বলে। কী কথা বলেছে, জানা যায়নি। তবে অনেকে মনে করছে, এটা আসলে বৈভবের ‘জবাব’। কারণ প্রথম দিন দক্ষিণাঞ্চলের অধিনায়ক তিলক বর্মার সঙ্গে তার কথোপকথন ধরা পড়ে ভিডিওতে। তিলকের গলায় শোনা যায়, “ক্যায়া ইয়ার, ইয়ে ভাইস ক্যাপ্টেন?” অর্থাৎ, “ও কীসের ভাইস ক্যাপ্টেন?” তিলকের এ হেন মন্তব্যকে অনেকেই স্লেজিং হিসাবেই দেখছেন।
পুরো ব্যাপারটাই হালকাছলে ঘটেছে। তিলক আউট হওয়ার পর বৈভব-সহ পূর্বাঞ্চলের সব ক্রিকেটারই সাবাশি জানিয়ে যান। কারণ একা লড়াই করেন তিলক। দক্ষিণাঞ্চল অলআউট হয় ৩৩৬ রানে। অর্থাৎ ৩৭২ রানের লিড। পূর্বাঞ্চলের দলীপজয় সময়ের অপেক্ষা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৮ রানে আউট হয়েছে বৈভব।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিজেপি নেতার নির্দেশে সরকারি জমিতে দোকান! দুর্গাপুরে গ্রেপ্তার ‘দালাল’
-
ফরাক্কায় নাবালিকার বিয়ের আয়োজন, বরযাত্রীর সামনেই ঢুকল পুলিশের গাড়ি! তারপর…
-
বারবার সতর্ক করেছিল সিআইএ, কান দেয়নি ওয়াশিংটন! রোখা যেত ৯/১১
-
অন্তর্বাস খুলিয়ে গোপনাঙ্গে হাত! তল্লাশির নামে হাওড়ায় শিক্ষিকাদের ‘হেনস্তা’
-
তারাতলাকাণ্ডে ধৃত কলকাতা পুরসভার সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ