Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Adil Rashid and Moeen Ali

সুযোগ পেলে বাবরদের সঙ্গে খেলবেন? কী উত্তর পাক বংশোদ্ভূত দুই ইংরেজ তারকার

আর্থিক দিকটাও ভাবছেন ইংরেজ ক্রিকেটাররা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৫, ১১:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৫, ১১:১২

options
link
সুযোগ পেলে বাবরদের সঙ্গে খেলবেন? কী উত্তর পাক বংশোদ্ভূত দুই ইংরেজ তারকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুজনেরই শিকড় পাকিস্তানে। কিন্তু জন্ম-কর্ম ইংল্যান্ডে। ক্রিকেটও খেলেছেন থ্রি লায়ন্সের হয়ে। কিন্তু যদি কখনও সুযোগ পান, তাহলে কি পাকিস্তানের হয়ে খেলবেন মইন আলি ও আদিল রাশিদ? নাকি ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেই তাঁরা খুশি? সেই নিয়ে মুখ খুললেন দুই ইংরেজ ক্রিকেটার।

সম্প্রতি একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে দুজনেই জানালেন, এই প্রশ্ন নতুন নয়। এর আগেও তাঁদের কাছে অনেকে জানতে চেয়েছেন পাকিস্তানের হয়ে ক্রিকেট খেলতে চান কি না? আর সেখানে যে উত্তর দিয়েছেন, এবারও সেই উত্তর দিচ্ছেন তাঁরা। না, পাকিস্তান নয়, যে দেশে বড় হয়েছেন, সেই ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিকেট খেলেই খুশি তাঁরা। রশিদের যেমন সাফ বক্তব্য, “আমার মাথাতে কোনও দিন আসেনি যে পাকিস্তানে গিয়ে খেলব। এসব কথা কেন ভাবতে যাব?”

Advertisement

কিন্তু যদি ইংল্যান্ড দলে কোনও দিন সুযোগই না পেতেন? তাহলে কি পাকিস্তানকে বেছে নিতেন? এবারও সপাটে ‘না’ রশিদের। তিনি বলেন, “আমি ইংল্যান্ডে জন্মেছি। ইংল্যান্ডের সিস্টেমের মধ্যে দিয়ে দেশের হয়ে খেলার জন্য চেষ্টা করতাম।” কিন্তু তাঁরা কি অন্য দেশের হয়ে খেলার অনুমতি পাবেন? মইন আলি জানান যে, ‘বিদেশি’ হিসেবে খেলতে পারবেন। অন্যদিকে রশিদের বক্তব্য, “আমি কখনও এই নিয়ে ভাবিনি। কিন্তু যদি কখনও ভাবতে হয়, তাহলে সবার আগে মাথায় আসবে সেটা আমি চাই কি না? ক্রিকেটকে আমি কতটা ভালোবাসি? আর্থিক দিকটাও আছে। তবে জীবনযাত্রার সঙ্গে অন্য অনেক কিছুও আমাকে ভাবতে হবে।”

৩৭ বছর বয়সি রশিদ এখনও ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেন। একই বয়সি মইন অবশ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএলে নামবেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.