Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Makhaya Ntini

‘ব্রেকফাস্ট টেবিলে কেউ পাশে বসত না’, সতীর্থদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ এনতিনির

কৃষ্ণাঙ্গ হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা দলে যন্ত্রণায় দিন কাটত প্রাক্তন ক্রিকেটারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২০, ১৫:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২০, ১৫:৫২

options
link
‘ব্রেকফাস্ট টেবিলে কেউ পাশে বসত না’, সতীর্থদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ এনতিনির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জিম্বাবোয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে বর্ণবৈষম্যের উপস্থিতি বহুদিন থেকেই রয়েছে। শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গ বিবাদ অনেকদিন ধরেই চলে আসছে। কিছুদিন আগেই দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) উদীয়মান পেসার লুঙ্গি এনগিডি বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ এনেছিলেন ক্রিকেট কর্তাদের বিরুদ্ধে। এবার দলের মধ্যে সাদা-কালোর বিভেদ নিয়ে সরব হলেন প্রাক্তন প্রোটিয়া ফাস্ট বোলার মাখায়া এনতিনি (Makhaya Ntini)। দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বকালের অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলারদের মধ্যে তাঁর নাম উচ্চারিত হয়। আর তিনিই কি না সতীর্থদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ আনলেন।

আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার্স’ (Black Lives Matters) আন্দোলন শুরু হয়েছে। তারপর বিশ্বের একের পর কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। কিছুদিন আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলরাউন্ডার ড্যারেন স্যামি (Darren Sammy) আইপিএলে হায়দদরাবাদ সানরাইজার্সের সতীর্থদের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ আনেন। এবার এনতিনি জাতীয় দলে তাঁর যন্ত্রণাময় অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। জানিয়েছেন, ‘জাতীয় দলে দীর্ঘসময় কাটালেও কার্যত সারাটা সময় আমাকে একাকীত্বে ভুগতে হয়েছে। কেউ কখনও ডিনারে যাওয়ার জন্য আমার ঘরে টোকা দেয়নি। সতীর্থরা আমার সামনেই প্ল্যান করত, অথচ আমাকে বাদ দিয়ে। যখন ব্রেকফাস্ট টেবিলের দিকে এগিয়ে যেতাম, কেউই আমার পাশে এসে বসত না।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অপেক্ষার অবসান, করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে আগামী সপ্তাহেই খেলার মাঠে ফিরছেন দর্শকরা]

এনতিনি আরও বলেছেন, ‘আমি একাকীত্ব লুকোতেই টিম বাস এড়িয়ে চলতাম। স্টেডিয়ামে যেতাম একা। কারণ, কখনও আমি টিম বাসের পিছনে গিয়ে বসলে, বাকিরা সামনের সিটে এগিয়ে যেত। আমরা একই জার্সি পরে মাঠে নামতাম। একসঙ্গেই জাতীয় সংগীত গাইতাম। তা সত্ত্বেও দলের মধ্যে আমি ছিলাম একা। দল জিতলে তা সবসময় আনন্দের। তবে হারলে সবার আগে দোষ পড়ত আমার ঘাড়ে। আমি কেন টিম বাস এড়িয়ে চলতাম, কেউ কখনও জানতে চায়নি। আসলে আমি একাকীত্ব থেকে পালিয়ে বাঁচতে চাইতাম। একাকীত্বের সঙ্গে আপস করে নিয়েছিলাম।’

[আরও পড়ুন: ভারতে নয়, এবছর বিদেশেই হতে চলেছে আইপিএল! সংকুচিত হচ্ছে সূচিও]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.