Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
ICC T-20 World Cup 2026

পাকিস্তান ছাড়া সব দেশের ভোটই বিপক্ষে, শেষ মুহূর্তের ডিগবাজিতে ভারতে খেলবে বাংলাদেশ?

ক্রিকেটারদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ডিগবাজি খেতে পারে বাংলাদেশ বোর্ড? শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলে ভারতেই খেলবে টাইগাররা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৬:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৬:০০

options
link
পাকিস্তান ছাড়া সব দেশের ভোটই বিপক্ষে, শেষ মুহূর্তের ডিগবাজিতে ভারতে খেলবে বাংলাদেশ? zoom

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (ICC T-20 World Cup 2026) খেলার আশার মোটামুটি সলিলসমাধি। পরিস্থিতি যা, তাতে বাংলাদেশ বোর্ড যদি না নতজানু হয়, যদি না ইউনুস প্রশাসন ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসায় সম্মতি প্রদান করে, তা হলে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা তাদের হবে না। বুধবার আইসিসি বোর্ড বৈঠকে ভোটাভুটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে যে, বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপ খেলতে চায়, তা হলে তাদের ভারতে এসে খেলতে হবে। নইলে তাদের বদলে অন্য টিম নিয়ে নেওয়া হবে।

মুস্তফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে বাংলাদেশ বোর্ড পাল্টা জানিয়ে দিয়েছিল, তারাও ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসবে না। ইউনুস সরকারের চাপে পড়ে বাংলাদেশ বোর্ড জানায়, তাদের কেন্দ্র বদল করতে হবে। মুস্তাফিজুরকে যখন ভারত নিরাপত্তা দিতে পারছে না, তখন সমগ্র বাংলাদেশ দলকে কী দেবে? বাংলাদেশ সমর্থক, মিডিয়া-তাঁদের নিরাপত্তারও বা কী হবে? বাংলাদেশ বোর্ডের দাবি ছিল, শ্রীলঙ্কায় তাদের বিশ্বকাপের ম্যাচ দেওয়া হোক। কোনও অবস্থাতেই তারা ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না। পরবর্তী সময়ে দফায়-দফায় বৈঠক হয় আইসিসি এবং বাংলাদেশ বোর্ডের। কিন্তু কোনও রফাসূত্র বেরোয়নি। যার পর বুধবার জরুরিভিত্তিক বোর্ড বৈঠক ডাকে আইসিসি। ষোলো পূর্ণ সদস্যের মধ্যে ভোটাভুটি হয়। এবং বাংলাদেশের দাবি খারিজ হয়ে যায় ১৪-২ ভোটে।

Advertisement

বাংলাদেশের দাবির পক্ষে কারা ভোট দিয়েছিল, সহজেই অনুমেয়। বাংলাদেশ বোর্ড স্বয়ং এবং পাকিস্তান। পাকিস্তান বোর্ড এদিন আইসিসি বৈঠকের আগে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে চিঠি পাঠিয়ে বাংলাদেশের দাবিতে সমর্থন পেশ করেছিল। কিন্তু সভায় তারা দুই বিন্দুমাত্র প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। উলটে অধিকাংশ সদস্যবৃন্দ বলতে থাকেন, কারও চাপে নতজানু হওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশ খেললে খেলবে। না খেললে, স্কটল্যান্ডকে নিয়ে নেওয়া হবে। বোর্ড মিটিংয়ে সেভাবে কোনও প্রভাব দেখাতে না পারায় বাংলাদেশ বোর্ডের কর্তারা এখন চাপে। বোর্ডের অন্দরেই প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তান ছাড়া আর কোনও দেশকে কেন পাশে পাওয়া গেল না। যে জিম্বাবোয়ের সঙ্গে তাঁরা নিত্যদিন সিরিজ খেলে তারা কেন পাশে নেই? যে শ্রীলঙ্কায় খেলতে গেলে দর্শক সংখ্যা বাড়াতে পারত তাঁরা। সেই শ্রীলঙ্কাও কেন বিপক্ষে ভোট দিল? চাপে পড়েও বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, “আমাদের অবস্থান বদলায়নি। ভারত বাংলাদেশের জন্য সেফ নয়। আমরা শেষ মুহূর্তে আইসিসির তরফে কোনও মির‍্যাকেলের অপেক্ষায় আছি।”

বৈঠক শেষে বাংলাদেশকে নতুন করে চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তাদের হাতে সময় আর চব্বিশ ঘণ্টা। অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার। সেই সময়-বৃত্তের মধ্যে বিশ্বকাপ নিয়ে যা জানানোর, জানাতে হবে। সরকারের সঙ্গে যদি কথা বলতে হয়, তার মধ্যেই বলে নিতে হবে। জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশ বোর্ড সেই সময়সীমা মেনে নিয়েছে। বলাবলি চলছে, যদি নরম হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই না থাকত, তা হলে বুধবারই আইসিসিকে ‘ভারতে খেলব না’ জানিয়ে দিতে পারত বাংলাদেশ বোর্ড। সেটা না করে, একদিনের সময়সীমা মেনে নিয়েছে বিসিবি। মজার কথা হল, আজ দুপুরে বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দলের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। সেখানে সরকারের অবস্থান বোঝানো হবে। বলা হবে, কেন ভারতকে সেফ মনে করা হচ্ছে না। প্লেয়ারদের পরবর্তী কী করণীয়, সেটাও বলা হবে। এমনিতে এখনও পর্যন্ত জনপ্রিয় সিদ্ধান্তের দিকেই ঝুঁকে বাংলাদেশ সরকার। অর্থাৎ, ভারত বয়কট। কিন্তু ক্রিকেটাররা যদি বিদ্রোহ করে, তা হলে পুরোটা তাঁদের দিকেও ঘুরিয়ে দেওয়া হতে পারে। মানে, ক্রিকেটারদের মুখের দিকে তাকিয়ে রাজি হলাম আমরা এই ধরনের কিছু।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.