৪ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৪ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের এক তারকাই নিউজিল্যান্ডের বিশ্বজয়ের স্বপ্নভঙ্গ করলেন। ‘ব্যাড বয়’ থেকে রাতারাতি হয়ে উঠলেন দেশের নায়ক। তিনি বেন স্টোকস। শুধুই ভাগ্যদেবীর আশীর্বাদে নয়, দুর্দান্ত পারফর্ম করে যোগ্য তারকা হিসেবেই পেলেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। তবে প্রথমবার বিশ্বজয়ের স্বাদ পেয়েই কিউয়ি অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের কাছে ক্ষমা চাইলেন স্টোকস।

১৯৯১ সালের ৪ জুন নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে জন্মেছিলেন স্টোকস। তবে বড় হয়ে ওঠা থেকে ক্রিকেট কেরিয়ার, পুরোটাই ইংল্যান্ডে। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে খারাপ বল করে খলনায়ক হয়ে গিয়েছিলেন। বছর দেড়েক আগে আবার মাঠের বাইরে অখেলোয়াড়োচিত কাজকর্মের জন্য তাঁকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল দেশের ক্রিকেট বোর্ড। সেই দেশেরই প্রথমবার বিশ্বজয়ের অন্যতম কান্ডারি হয়ে গেলেন ২৮ বছরের ক্রিকেটার। ব্যক্তিগত অপরাজিত ৮৪ রান, বাটলারের সঙ্গে দারুণ একটা পার্টনারশিপ। তারপর সুপার ওভারে দলকে লড়াইয়ের জায়গায় পৌঁছে দেওয়া। গোটা দিনটা যেন তাঁর জন্যই সাজানো ছিল। কিন্তু এসবের মধ্যেও উইলিয়ামসনের কাছে ক্ষমা চাইলেন তিনি। কেন? ম্যাচের শেষ ওভারে যা ঘটল, তার জন্য। শেষ ওভারে সিঙ্গল নেওয়ার পর গাপ্তিলের থ্রো স্টোকসের ব্যাটে লেগে বাউন্ডারি হয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ ওই সময়ে ৩ বলে ৯ রান থেকে ইংল্যান্ডের টার্গেট হয়ে দাঁড়ায় ২ বলে ৩ রান। সেখান থেকে খেলা টাই হয়। কিন্তু সেই থ্রো ব্যাটে না লাগলে হয়তো বিশ্বজয়ীদের পাশে অন্য দলের নাম লেখা থাকত। আর এই কারণেই উইলিয়ামসনের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী স্টোকস। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, “কেনকে বলেছি, সারাজীবন এর জন্য আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাইব। অনিচ্ছাকৃতই বিষয়টা ঘটেছে। বলটা হঠাৎই আমার ব্যাটে গেলে গড়িয়ে যায়। আমি ক্ষমা চাইছি।”

[আরও পড়ুন: খারাপ ফলাফলের জের! কেকেআর কোচের পদ থেকে সরলেন ক্যালিস]

রবিবাসরীয় লর্ডসে নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভারে টাইয়ের পর সুপার ওভারও টাই। ইংল্যান্ড অধিনায়ক বলছিলেন, “দুর্দান্ত একটা ম্যাচ হল। দুটো টিমই তীব্র লড়াই করেছে। এই উইকেটে সবার রান করতে সমস্যা হচ্ছিল। চার বছরের জার্নি ছিল এটা। টিম হিসেবে শেষ কয়েকবছর আমরা প্রচুর উন্নতি করেছি।” একইসঙ্গে মর্গ্যান প্রশংসা করেছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনেরও। বলছিলেন, “ও যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছে, সেটা সত্যিই প্রশংসনীয়। উইলিয়ামসন আর ওর টিমকে অভিনন্দন।”

তবে এত কিছু সম্ভবই হত না, যদি না বেন স্টোকস আর জস বাটলার মিলে অমন দুর্দান্ত একটা পার্টনারশিপ করতেন। একশো রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে রীতিমতো চাপে পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে বের করে আনেন স্টোকস আর বাটলারই। ইংল্যান্ড অধিনায়কও দু’জনের কথা বারবার বলছিলেন। বললেন, “আমরা উইকেট হারিয়ে ফেলেছিলাম। তারপর বাটলার আর স্টোকস দারুণ একটা পার্টনারশিপ করল। সুপার ওভারেও যেভাবে ব্যাট করল, পুরো কৃতিত্ব দিতে হবে। আর আর্চার সবসময়ই উন্নতি করছে।”

[আরও পড়ুন: মায়ের ইচ্ছায় মামাতো বোনকে বিয়ে, দেশে ফিরেই রিসেপশন সারলেন মুস্তাফিজুর]

স্টোকস বলছিলেন, “আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। গত চারবছর ধরে আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। খাটনির দাম পেলাম। আর এই ধরনের ম্যাচে সে’সব এক্সিকিউট করা, সত্যিই দুর্দান্ত ব্যাপার। আমাদের সাপোর্ট করার জন্য প্রত্যেককে ধন্যবাদ।” জেসন রয় আবার মনে করেন, অস্ট্রেলিয়ার কাছে গ্রুপে হারাটাই টার্নিং পয়েন্ট। বললেন, “আমরা অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে হতাশ হইনি, ভেঙেও পড়িনি, তবে এটা আমাদের একটা বড়় ধাক্কা দিয়ে গিয়েছিল। আর এই ধাক্কাটাই আমাদের সেরা খেলাটা বের করে এনেছিল। আর আমরা যে দারুণ ফর্মে ছিলাম, সেটা শেষ কয়েকটা ম্যাচেই বোঝা গিয়েছিল।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং