Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬

কোটলায় দূষণ কাণ্ডের জের, বিসিসিআই-কে চিঠি আইএমএ-র

চিঠিতে কী বললেন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল ইনস্টিটিউটের সভাপতি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১৭:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১৭:৩২

options
link
কোটলায় দূষণ কাণ্ডের জের, বিসিসিআই-কে চিঠি আইএমএ-র zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলায় অনুষ্ঠিত ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচের ফলাফল এখন সবাই জানে। অল্পের জন্য জয় হাতছাড়া হয়েছে ভারতের। কিন্তু টেস্ট ম্যাচের ফলাফলের থেকেও সবার নজর যেদিকে, সেটা হল দিল্লির দূষণ। আর তার জেরে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের মাঠের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়াটাই এ ক’দিন ছিল খবরের শিরোনামে। আর সেই বিতর্কও কম হয়নি। এর মধ্যে তাতে আরও ইন্ধন জুগিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে লেখা ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট-এর একটি চিঠি। যেখানে লেখা, এই দূষণের মধ্যে টেস্ট ম্যাচ খেলা খুবই ক্ষতিকারক ব্যাপার।

[মিলানেই বসছে বিরুষ্কার বিয়ের আসর! দুই পরিবারের ইটালি যাত্রায় নয়া জল্পনা]

বিসিসিআইয়ের কার্যনির্বাহি সভাপতি সি কে খান্না এবং সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত প্রশাসনিক কমিটির প্রধান বিনোদ রাইকে লেখা চিঠিতে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল ইনস্টিটিউটের সভাপতি ডঃ কে কে আগরওয়াল জানান, দিল্লির ওই দূষণে কখনওই ক্রিকেট খেলা সম্ভব নয়। বিসিসিআই যেন আগামিদিনে এই ব্যাপারটির দিকে লক্ষ্য রাখে, সেই আরজি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কেবলমাত্র খারাপ আলো কিংবা বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ নয়, এবার থেকে পরিবেশে দূষিত বায়ুর মাত্রা বেশি থাকলেও খেলা হবে কিনা সেটাও যেন খতিয়ে দেখে বিসিসিআই।’ তাঁর মতে, যেকোনও খেলাধূলার ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষিত হলে সেটাতে আখেরে ক্ষতি হয় খেলোয়াড়দের। এমনকী প্রভাব পড়তে পারে তাঁদের পারফরম্যান্সেও। খেলোয়াড়দের শারীরিক ক্ষতিও হতে পারে। এখানেই শেষ নয়, বিভিন্ন গবেষণা এবং জার্নালের কথা উল্লেখ করে কোন পরিস্থিতিতে ম্যাচ করা উচিত সেকথাও জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement

[আসন্ন অলিম্পিক থেকে নির্বাসিত রাশিয়া]

এর আগে দিল্লির দূষণে ফিরোজ শাহ কোটলায় ম্যাচ চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন একাধিক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার। প্রথম ইনিংসেই ঘটনার সূত্রপাত। ভারতীয় ব্যাটসমানরা তখন রানের ফুলঝুরি ছোটাচ্ছেন। টানা দুটি টেস্টে দ্বিশতরান করে, ছটি দ্বিশতরানের মালিক হয়ে লারাকে টপকে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন ক্যাপ্টেন কোহলি। এমন সময় সমস্যা শুরু হয়। দূষণের জেরে কোনও শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারই ঠিকঠাক খেলতে পারছিলেন না। মাস্ক ব্যবহার করেও স্বস্তি মেলেনি। ফলে একে একে মাঠ ছাড়ছিলেন। একটা সময় দলের ফিল্ডিং করারই খেলোয়াড়ের অভাব পড়ে। শেষমেশ দলের ফিজিওকে জার্সি পরতে দেখা যায়। তারপরই ক্রুদ্ধ কোহলি ইনিংস ডিক্লেয়ার করে নিজেরা ফিল্ডিং করতে নামেন। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় অনেকেই শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংস চলাকালীন দেখা যায়, সত্যিই সমস্যায় পড়েছেন ক্রিকেটাররা। সেদিন রীতিমতো অসুস্থ হয়ে পড়েন লাকমল। খেলা সাময়িক বন্ধ থাকে। থার্ড ম্যানে ফিল্ডিং করতে করতে মাঠের মধ্যেই শুয়ে পড়েন তিনি। দলের ফিজিও এসে তাঁর শ্রূশুষা করেন। সে সময়ই বমি করতে দেখা যায় তাঁকে। অর্থাৎ স্রেফ মনোভাব নয়, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটাররা যে সত্যিই সমস্যায় পড়েছেন তা স্পষ্ট। আর এরপরই তৈরি হয় নয়া এই বিতর্ক।

[জাতীয় স্তরের হকি খেলোয়াড়ের রহস্যমৃত্যু, ঘটনায় চাঞ্চল্য রাজধানীতে]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.