সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে সম্মানের যুদ্ধে হার। পরপর দুই ম্যাচ হেরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকেও বিদায়। পাকিস্তানের এমন জঘন্য পারফরম্যান্সে চূড়ান্ত হতাশ ইমরান খান। বিশ্বকাপজয়ী পাক অধিনায়কের কথায়, ক্রিকেটকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে মহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন পাক বোর্ড।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেছিল পাকিস্তান। ফলে ভারতের বিরুদ্ধে মহারণ শুধু সম্মানের লড়াই ছিল না, ছিল নিজেদের টিকিয়ে রাখারও। কিন্তু সেখানে ৬ উইকেটে ম্যাচ হারে রিজওয়ানরা। সেমিফাইনালে যাওয়ার যেটুকু আশাভরসা ছিল, তাও ভেসে যায় নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশকে হারিয়ে দেওয়ায়। ফলে ২৯ বছর পর আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে, মাত্র ২টো ম্যাচেই স্বপ্নভঙ্গ পাকিস্তানের।
ক্রিকেট টিমের এমন পারফরম্যান্সে পাক জনতার মতোই হতাশ প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানও। রাওয়ালপিণ্ডির জেলে বন্দি থাকলেও ভারত-পাক ম্যাচ দেখতে টিভির সামনে বসেছিলেন। কিন্তু দিনের শেষে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের প্রাপ্তি কেবল হতাশাই। মঙ্গলবার জেলে গিয়ে ইমরানের সঙ্গে দেখা করেন তাঁর বোন আলিমা খান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, “পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রতিষ্ঠাতা ভারতের কাছে হারের পর অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছেন।”
জেলে বন্দি থাকলেও পাক ক্রিকেট সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তিনি। তাই বোর্ড সচিব নকভিকে ‘কাপ্তানে’র তোপ, “স্বজনপোষণ করা লোকজনদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দিলে পাক ক্রিকেট ক্রমে ধ্বংস হয়ে যাবে।” উল্লেখ্য, বর্তমানে পাক বোর্ডের কর্তা নকভি আবার দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। তাঁর বিরুদ্ধেই নাম না করে তোপ দেগেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার। যদিও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে হতশ্রী হারের পর নড়েচড়ে বসেছে পিসিবি। শোনা যাচ্ছে, চাকরি যেতে পারে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ আকিব জাভেদের। কিন্তু পাকিস্তানের ক্রিকেট ভক্তদের প্রশ্ন, কর্মকর্তারা কি ব্যর্থতার দায় নেবেন না?
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যপালের দিকে পিছন ঘুরে দাঁড়ানোর ‘শাস্তি’! ৪ বছর ধরে কুচকাওয়াজে ব্রাত্য মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়া
-
সাহগেল হোসেনের ফ্ল্যাটে উদ্ধার সোনা, বিপুল সম্পত্তির নথি! আটক অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে নদিয়ায় জোড়া খুন! গুলিতে ঝাঁঝরা কংগ্রেস নেতা এবং তাঁর ছেলে
-
অন্ধপ্রদেশ থেকে ২০০ আইফোন চুরি! বাংলাদেশে পাচারের আগেই ফরাক্কায় ধৃত চার কীর্তিমান
-
‘ডিম থেরাপি’ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলল এবিভিপি, উপাসনার উপর হামলা নিয়ে কী বক্তব্য?