Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
নীতীন মেনন

ঘুচল দেশি আম্পায়ারের আকাল! আইসিসির এলিট প্যানেলে ঠাঁই পেলেন ভারতের নীতীন মেনন

তৃতীয় ভারতীয় আম্পায়ার হিসেবে বিরল সম্মান পেলেন নীতীন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২০, ১৭:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২০, ১৭:২০

options
link
ঘুচল দেশি আম্পায়ারের আকাল! আইসিসির এলিট প্যানেলে ঠাঁই পেলেন ভারতের নীতীন মেনন zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রিকেট বিশ্বকে এই মুহূর্তে শাসন করছে ভারত। টেস্ট হোক, টি-২০ হোক বা ওয়ানডে। সব ফরম্যাটেই পারফরম্যান্সের নিরিখে একেবারে উপরের সারিতে টিম ইন্ডিয়া। মাঠের বাইরে ধারাভাষ্যকরের ক্ষেত্রেও যদি দেখা যায়, বহু প্রাক্তন ক্রিকেটার ধারাভাষ্যকর হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। দীর্ঘদিন ম্যাচ রেফারি হিসেবে কাজ করছেন শ্রীনাথ। অভাব ছিল শুধু একটা জায়গায়। সেটা হল আম্পায়ার। কোনওকালেই ভারতে সেভাবে বিশ্বমানের আম্পায়ার তৈরি হয়নি। তবে এবার এক প্রতিভাবান তরুণ আম্পয়ার সেই অভাব পূরণের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন।

Nitin-Menan

Advertisement

ইনি নীতীন মেনন (Nitin Menon)। বয়স মাত্র ৩৬। এই বয়সেই আইসিসির (ICC) এলিট প্যানেলে ঠাঁই পেয়ে গেলেন মধ্যপ্রদেশের এই আম্পায়ার। ৩৬ বছর বয়স হলেও নীতীন বেশ অভিজ্ঞ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইতিমধ্যেই ৩টি টেস্ট, ২৪টা ওয়ানডে এবং ১৬টা ট-২০ ম্যাচ খেলিয়েছেন নীতীন। আইসিসির টুর্নামেন্টে আম্পায়ারিং করারও অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। সোমবারই আইসিসির তরফে নীতীনকে এলিট প্যানেলে জায়গা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বাদ পড়েছেন নিউজিল্যান্ডের নাইজেল লং। সম্প্রতি তাঁর পারফরম্যান্স গ্রাফ ছিল নিম্নমুখী।  আইসিসি জানিয়েছে, বিগত ম্যাচগুলিতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবেই এলিট প্যানেলে সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এর আগে মাত্র দু’জন ভারতীয় এই বিরল সম্মান পেয়েছেন। একজন এস ভেঙ্কটরাঘবন, অপরজন এস রবি। তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে আইসিসির এলিট প্যানেলে নাম লেখালেন নীতীন।

[আরও পড়ুন: দেশজুড়ে আর্থিক সংকট, পাশে থাকার বার্তা দিতে সমস্ত বিজ্ঞাপন বন্ধ করলেন ধোনি]

এই বিরল সম্মান পেয়ে স্বভাবতই অভিভূত তিনি। তরুণ আম্পায়ার বলছেন, “এটা আমার জন্য বিরাট সম্মানের এবং গর্বের বিষয়। বিশ্বের সেরা আম্পয়ারদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাব। আমি মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন, বিসিসিআই (BCCI) এবং আইসিসিকে ধন্যবাদ দিতে চাই, আমাকে এই সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য। আমার মনে হয়, বড় সুযোগের সঙ্গে সঙ্গে আসে বড় দায়িত্ব। আমি চেষ্টা করব, আমার অভিজ্ঞতা আগামী দিনে ভারতীয় আম্পায়ারদের সঙ্গে শেয়ার করতে এবং তাঁদের সমৃদ্ধ করতে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.