২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

ওপেনার থেকে স্পিনার, সবাইকেই কটাক্ষ! টানা দু’ম্যাচ হেরে ‘অজুহাত’ খুঁজছেন ধোনি

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: September 26, 2020 11:09 am|    Updated: September 26, 2020 11:09 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ এ কোন ধোনি? এ কোন চেন্নাই সুপার কিংস? আইপিএল ১৩’র (IPL 13) শুরুটা গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বইকে হারিয়ে করলেও শেষ দু’ম্যাচে যেন একেবারে অন্য সিএসকেকে (CSK) দেখা গিয়েছে। খেলার মধ্যে কোনও ছন্দ নেই, সেই আগ্রাসী মানসিকতা নেই, ম্যাচ জেতার ইচ্ছেটাই যেন হারিয়ে গিয়েছে। মাত্র দুটি ম্যাচে দলের এই খারাপ পারফরম্যান্স যেন ধোনিকেও বদলে দিয়েছে। দেড় দশকেরও বেশি সময়ের ক্রিকেট কেরিয়ারে যেটা তাঁকে করতে দেখা যায়নি, শেষবেলায় এসে সেগুলোই যেন বেশি বেশি করে করছেন মাহি। টানা দু’ম্যাচ হেরে ধোনিকেই যেন দেখা যাচ্ছে ‘অজুহাত’ খুঁজতে।

গতকাল দিল্লির বিরুদ্ধে ম্যাচ হারের পর ধোনিকে (MS Dhoni) দেখা গেল দলের ওপেনার এবং স্পিনারদের সরাসরি কাঠগড়ায় তুলতে। বাদ গেলেন না পেসাররাও। প্রায় সব ক্রিকেটারকেই কমবেশি কটাক্ষ করলেন। মাহি বললেন,”ব্যাটিংয়ে শুরু থেকেই ছন্দের প্রয়োজন হয়, সেটা আমরা পাচ্ছি না। যেটা পরে সমস্যার সৃষ্টি করছে। ১৬০ রানের বেশি চেজ করতে গেলে শুরুটা ভাল না হলে হয় না। রান রেট বাড়তে থাকে, চাপ বাড়তে থাকে।” বোলিং নিয়েও একই বিশ্লেষণ মাহির। বলছেন,”স্পিনাররা এখনও সেভাবে কোনও প্রভাবই দেখাতে পারেননি। পেস বিভাগেও আমরা ভাল বল করছি না। সহজে বাউন্ডারি দিয়ে দিচ্ছি। ফলে প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করা যাচ্ছে না।”

[আরও পড়ুন: বিরুষ্কাকে নিয়ে ‘অশালীন’ মন্তব্য, বিতর্ক থামাতে অবশেষে মুখ খুললেন গাভাসকর]

একেবারে বেনজিরভাবে এই আইপিএলে ধোনির অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে তাঁর নিজের দায়িত্বজ্ঞান নিয়েও। কারণ, পরে ব্যাট করে লম্বা ইনিংস তাড়া করার সময়ও তিনি নিজে ব্যাটিং করতে আসছেন ৬-৭ নম্বরে। যার কারণ অনেকেরই বোধগম্য হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধোনি উপরে ব্যাট করলে হয়তো এই দুই ম্যাচেই অন্যরকম ফলাফল হতে পারত। শুধু তাই নয়, লাগাতার মাত্র ৫ জন বোলার নিয়ে খেলছে চেন্নাই (Chennai Super Kings)। সেটা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। যে প্রশ্নের উত্তরেও সেই অজুহাতই শোনা গেল ধোনির মুখ থেকে। তিনি বলছেন,”আমরা যদি আরেকজন পেসার বা স্পিনার আনতে চাই, তাহলে একজন ব্যাটসম্যান কমাতে হবে। তাতে ব্যাটসম্যানদের উপর চাপ বাড়বে। আরও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে। আশা করি, পরের ম্যাচে রায়ডু চলে এলে এই সমস্যাটা অনেকটা কাটবে। আমরা আরও সাবলীলভাবে খেলতে পারব।”

ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধোনির এই অবতারের সঙ্গে একেবারেই পরিচিত নন তাঁরা। হারের দায় কখনও নির্দিষ্ট কোনও ক্রিকেটার বা বিভাগের দিকে এভাবে ঠেলে দেন না তিনি। তাঁর সব কথাই যেন কেমন অজুহাতের মতো শোনাচ্ছে। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারেও কখনও এভাবে ‘অজুহাত’ দিতে শোনা যায়নি তাঁকে। সমর্থকরা অবশ্য আশা ছাড়ছেন না। তাঁদের এখনও বিশ্বাস, ধোনি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়। পরের ম্যাচগুলিতে হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement