Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Hardik Pandya

রান তাড়ার সময় আচমকাই তুলে নেওয়া হল তিলককে, ‘ভুল সিদ্ধান্তের’ জন্য দায়ী হার্দিকই?

ফের মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবিরে বিতর্কের আবহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২৫, ০৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২৫, ০৯:৪০

options
link
রান তাড়ার সময় আচমকাই তুলে নেওয়া হল তিলককে, ‘ভুল সিদ্ধান্তের’ জন্য দায়ী হার্দিকই? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইপিএলে আরও একটি হার। ব্যাটে-বলে ঝড় তুলেও লখনউয়ের বিরুদ্ধে মুম্বইকে জেতাতে পারলেন না অধিনায়ক হার্দিক। তার সঙ্গে ধেয়ে আসছে আরেকটি বিতর্ক। রান তাড়া করার সময় আচমকাই অবসর নেন তিলক বর্মা। কেন এরকম অদ্ভুত সিদ্ধান্ত? প্রশ্ন উঠছে হার্দিকের নেতৃত্বের দিকেও।

প্রথমে ব্যাট করে লখনউ ২০৩ রান করে। জবাবে মুম্বইকে ভালো জায়গায় পৌঁছে দিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব ও নমন ধীর। কিন্তু ফিনিশারের দায়িত্ব পালন করতে পারলেন না হার্দিক। এর মধ্যে ২৩ বলে ২৫ রান করে আচমকাই অবসর নেন তিলক বর্মা। হার্দিকও তখন ব্যাট করছিলেন। সেই জায়গায় নামেন মিচেল স্যান্টনার। স্বাভাবিকভাবেই তিলকের ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে অধিনায়ক হার্দিক ও মুম্বই ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে।

Advertisement

তিলককে কেন তুলে নেওয়া হল? ম্যাচের পর হার্দিক ব্যাখ্যা দেন, “জিততে হলে আমাদের চার-ছয়ের দরকার ছিল। কিন্তু তিলকের ব্যাট থেকে সেটা আসছিল না। ক্রিকেটে এরকম দিন আসে, যখন কোনও কিছুই ঠিকমতো হয় না। সেই কারণেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিলাম।” অর্থাৎ যদি তিলক নিজেও অবসরের সিদ্ধান্ত নেন, তাতে পূর্ণ সমর্থন ছিল অধিনায়কের।

আর সেখানে কি না নামলেন স্যান্টনার। যিনি সে অর্থে ব্যাটার নন। ফলে মুম্বই ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। যেমন ইরফান পাঠান লিখেছেন, ‘এই সিদ্ধান্তের পিছনে কী যুক্তি রয়েছে মাথায় ঢুকছে না’। হরভজন সিংয়ের বক্তব্য, ‘ভুল সিদ্ধান্ত। স্যান্টনার কি তিলকের থেকে ভালো চার-ছক্কা মারতে পারে? পোলার্ডের মতো কেউ হলে তাও মানতাম।’ গতবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে একরাশ বিতর্ক সঙ্গী ছিল। এবারও কি সেই দিকে এগোচ্ছেন হার্দিকরা?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.