Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Mukul Choudhary

মুকুলে ঘায়েল কেকেআর, নাইটদের বাড়া ভাতে ছাই ঢেলে তরুণ তুর্কি বলছেন, ‘ঈশ্বর সুযোগ দেন’

নাইটদের বাড়া ভাতে ছাই ঢেলে দিয়ে যাওয়া মুকুল বলছেন, 'ম্যাচে চাপের পরিস্থিতি তো থাকবেই। কিন্তু আমি সেটাকে ঈশ্বরের দেওয়া সুযোগ বলে মনে করি।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৪:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৪:১৬

options
link
মুকুলে ঘায়েল কেকেআর, নাইটদের বাড়া ভাতে ছাই ঢেলে তরুণ তুর্কি বলছেন, ‘ঈশ্বর সুযোগ দেন’ zoom
ইডেনে বিধ্বংসী ইনিংস মুকুল চৌধুরীর। ছবি: সংগৃহীত।

পয়লা বৈশাখের আগে আমগাছে মুকুল (Mukul Choudhary) দেখলে বঙ্গবাসীর মনে পুলক জাগে। কিন্তু বর্ষবরণের সপ্তাহখানেক আগে বাঙালি জনতার মুকুল সংক্রান্ত সুখস্মৃতি একেবারে তছনছ হয়ে গেল। নেপথ্যে মুকুল চৌধুরী নামের এক ঝড়, যা আছড়ে পড়ল বৃহস্পতিবারের ইডেনে। লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে গেল কেকেআরের স্বপ্ন। নাইটদের বাড়া ভাতে ছাই ঢেলে দিয়ে যাওয়া সেই মুকুল বলছেন, ‘চাপ এলে সেটাকে সুযোগ হিসাবে দেখি।’ নিজের উপর আস্থা রেখেই বাজিমাত করলেন আইপিএলের নতুন তারা।

বৃহস্পতিবারের ইডেনে ১৮১ রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ টক্কর দিচ্ছিল কেকেআর। একটা সময়ে মনে হচ্ছিল নাইটদের জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। বিপক্ষের সাত উইকেট ফেলে দিয়ে কেকেআর শিবিরে তখন খুশির হাওয়া। কিন্তু একরাশ চাপ নিয়ে মাঠে নামতে নামতে মুকুল চৌধুরী অন্যরকম ভেবেছিলেন। ছোটবেলায় আর্থিক সংকটের সঙ্গে যুঝতে যুঝতে আইপিএলের মঞ্চ পর্যন্ত এসেছেন। সেখানে জ্বলে ওঠার সুযোগ কিছুতেই হাতছাড়া করবেন না। বাবার স্বপ্ন, নিজের সংগ্রাম- সবকিছুকে সঙ্গী করে মাঠে নামলেন। ২৭ বলে ৫৪ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস খেললেন। কথায় বলে, ভাগ্য় সাহসীদেরই সহায়। তাই হয়তো এদিন লোপ্পা শটেও তালুবন্দি হল না মুকুলের ক্যাচ।

Advertisement

ম্যাচের সেরা হিসাবে অন্য কাউকে বেছে নেওয়ার উপায়ই ছিল না। ইডেনে দাঁড়িয়ে মুকুল বলে গেলেন, “বিয়ে হওয়ারও আগে থেকে বাবা চাইত, ছেলে আমার ক্রিকেট খেলবে। ছোটবেলায় আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। ১২-১৩ বছর বয়সে এসে ক্রিকেট খেলা শুরু করি। তবে বাবা আস্থা রেখেছিল আমার উপর।” লখনউয়ের নতুন তারকার কথায়, “ম্যাচে চাপের পরিস্থিতি তো থাকবেই। কিন্তু আমি সেটাকে ঈশ্বরের দেওয়া সুযোগ বলে মনে করি। সেই সুযোগটা যতটা সম্ভব কাজে লাগানোর চেষ্টা করি।”

শেষ পর্যন্ত ক্রিজে টিকে থেকে ম্যাচ বের করতে হবে, ব্যাট করতে নামার আগে নিজেকে এটাই বুঝিয়েছিলেন মুকুল। শেষ দুই বলে ৭ রান দরকার ছিল। তখনও হিমের মতো ঠান্ডা মাথায় অপেক্ষা করেছিলেন, একটা বল তো পাবেনই ছক্কা মারার জন্য। নিজের পাওয়ার হিটিংয়ে ভরসা রেখেছিলেন। সেই ভরসাতেই জিতে নিলেন ম্যাচ। আর কেকেআর শিবিরে দিয়ে গেলেন একরাশ অন্ধকার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.