Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Shreyas Iyer

অধিনায়কের মন্ত্রেই নাইট-বধে একজোট পাঞ্জাব, সাফল্যের জন্য শ্রেয়সকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন তরুণ পেসার

পাঞ্জাব গতবার ফাইনাল খেলেছে। এবারও শুরুটা দুর্ধর্ষ করে তারা। শ্রেয়স আইয়ার অধিনায়ক হয়ে আসার পর টিমটাই পুরো বদলে গিয়েছে। অধিনায়ক শ্রেয়স আর কোচ রিকি পন্টিং জুটিতে দিল্লি ক্যাপিটালস সাফল্য পেয়েছিল। পাঞ্জাবও সাফল্য পাচ্ছে।

Advertisement
আলাপন সাহা
আলাপন সাহা

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১৭:১৬

link
আলাপন সাহা
আলাপন সাহা

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১৭:১৬

options
link
অধিনায়কের মন্ত্রেই নাইট-বধে একজোট পাঞ্জাব, সাফল্যের জন্য শ্রেয়সকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন তরুণ পেসার zoom
বৈশকের পেস এখন পাঞ্জাব অধিনায়ক শ্রেয়সের বড় ভরসা।

সোমবার পাঞ্জাব কিংস ম্যাচটা কেকেআরের কাছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দু’টো ম্যাচে হারের পর পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে এদিক থেকে ওদিক হওয়ার অর্থ চাপ আরও বেড়ে যাবে টিমের উপর। অজিঙ্ক রাহানেরা ভালো করেই জানেন, ম্যাচটা তাঁদের কাছে কী পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। আসলে এই পাঞ্জাব আর আগের মতো নয়। টিমটা গতবার ফাইনাল খেলেছে। এবারও শুরুটা দুর্ধর্ষ করে তারা। শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer) অধিনায়ক হয়ে আসার পর টিমটাই পুরো বদলে গিয়েছে। অধিনায়ক শ্রেয়স আর কোচ রিকি পন্টিং জুটিতে দিল্লি ক্যাপিটালস সাফল্য পেয়েছিল। পাঞ্জাবও সাফল্য পাচ্ছে।

অধিনায়ক শ্রেয়সের প্রশংসা করে গেলেন টিমের পেসার বিজয়কুমার বৈশকও। প্রথম দু’টো ম্যাচে নজর কেড়েছেন এই পেসার। তিনি বলছিলেন, “অধিনায়ক হিসাবে শ্রেয়স দুর্দান্ত। প্রত্যেক ক্রিকেটারকে প্রচণ্ড সাপোর্ট করে। দেখুন, ক্রিকেটে খারাপ সময় আসতেই পারে। কোনও দিন ভালো যাবে। কোনও দিন আবার খারাপ। শ্রেয়স খারাপ দিনেও সবার পাশে থাকে। ও একটাই কথা বলে, এসব নিয়ে ভাবার দরকার নেই। ক্রিকেটে এক-আধ দিন খারাপ যেতেই পারে। ওসব নিয়ে ভাবলে চাপ আরও বাড়বে। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ একেবারে হালকা রাখে শ্রেয়স। সবাই যাতে কমফোর্ট জোনে থাকে, সেটা দেখে। যে কোনও সময় যে কোনও সমস্যা নিয়ে শ্রেয়সের ঘরে যাওয়া যায়। সবার জন্য সবসময় ওর দরজা খোলা থাকে।”

Advertisement

কেকেআর পরপর দু’টো ম্যাচে হারলেও রাহানেদের টিমকে একেবারেই হালকাভাবে নিচ্ছে না পাঞ্জাব। বৈশক বলছিলেন, “এখানে কাউকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। কেকেআর বেশ ভালো টিম। ওরা কী করতে পারে, সেটা আমরা জানি। ওরা এখনও পর্যন্ত জিততে পারেনি ঠিকই, কিন্তু বেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে। ওদের ব্যাটিং মারাত্মক। বেশ কয়েকজন ব্যাটার রয়েছে, যারা যে কোনও সময় ম্যাচের রেজাল্ট বদলে দিতে পারে। তবে আমরাও ওদের শক্তি-দুর্বলতা নিয়ে হোমওয়ার্ক করেছি। ভিডিও দেখেছি। তবে মাঠে নেমে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার আসল।”

পাঞ্জাবের পেস অ্যাটাক বেশ শক্তিশালী। অশদীপ সিং, মার্কো জানসেনদের থেকে অনেক কিছু শিখছেন বৈশক। নিজের বোলিংয়ে আরও বেশি বৈচিত্র্য নিয়ে এসেছেন। স্লোয়ার-ইয়র্কার নিয়ে অনেক বেশি খাটাখাটনি করেছেন। তিনি ভালো করেই জানেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সফল হতে গেলে স্লোয়ার-ইয়র্কারে অনেক বেশি নিখুঁত হতে হবে। জানসেন-অর্শদীপদের সঙ্গে সে’সব নিয়ে কথাবার্তাও বলেন। বৈশক শোনালেন, “আমাদের টিমে এমন সব ক্রিকেটার রয়েছে, যারা প্রেরণা হতে পারে। জানসেন, অর্শদীপদের থেকে অনেক শিখেছি। কোন পরিস্থিতিতে কী করা উচিত, সে’সব নিয়ে কথা হয়েছে। বোলিংয়ে কীভাবে আরও বৈচিত্র্য নিয়ে আসা যায়, সেটা নিয়ে কাজ করেছি। ইয়র্কার-স্লোয়ার নিয়ে খাটাখাটনি করেছি। আর বেশি কিছু আমি ভাবি না। যতটা সম্ভব সবকিছু সহজ রাখার চেষ্টা করি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.