লখনউ সুপার জায়ান্টস: ২০৯-৩ (মার্শ ১১১, পুরান ৩৮)
আরসিবি: ২০৩-৬ (পাটিদার ৬১, টিম ডেভিড ৪০)
লখনউ ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে ৯ রানে জয়ী।
টানটান ম্যাচ। অনবদ্য সেঞ্চুরি। পালটা দুর্দান্ত দু’টি মারকুটে ইনিংস। এসবের মাঝে মেঘ-বৃষ্টির লুকোচুরি। সব মিলিয়ে ব্যাট-বলের দড়ি টানাটানি খেলায় বৃহস্পতিবার শেষ হাসি হাসলেন ‘লাস্ট বয়’ ঋষভ পন্থরা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে ৯ রানে হেরে প্লে-অফের অঙ্ক কিঞ্চিৎ কঠিন করে নিল বিরাট কোহলি আরসিবি। পাঁচ ম্যাচ পরপর হারার পর আরসিবিকে হারিয়ে জয়ের সরণিতে এলএসজি।
আরও পড়ুন:
বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন আরসিবি অধিনায়ক রজত পাটিদার। আকাশে মেঘের দিকে তাকিয়েই বোধ হয় ওই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কিন্তু পাটিদারের সেই সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত করে শুরু থেকেই আরসিবি বোলারদের ‘উত্তমমধ্যম’ দেওয়া শুরু করেন মার্শ। উলটোদিকে অর্শ্বিন কুলকর্নী একের পর এক বল নষ্ট করে ২৪ বলে যেখানে মাত্র ১৭ রান করলেন, সেখানে মার্শ মাত্র ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করে ফেললেন। লখনউ জার্সিতে এটা তাঁর দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। আইপিএলে এ পর্যন্ত এটাই এলএসজির কোনও ব্যাটারের দ্রুততম সেঞ্চুরি। ৫৬ বলের ১১১ রানের ইনিংসের মধ্যে বার দুই বৃষ্টিও এসেছিল। কিন্তু তাতেও মার্শকে থামানো যায়নি। মার্শ ছাড়াও নিকোলাস পুরাণ ২৩ বলে ৩৮ রান করেন। শেষদিকে অধিনায়ক পন্থ মাত্র ১০ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। যার ফলে নির্ধারিত ১৯ ওভারে ২০৯ রান তুলে দেয় লখনউ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বিশ্রী করে আরসিবি। প্রথম দুই ওভারেই গতবারের চ্যাম্পিয়নদের জোড়া ধাক্কা দেন শামি এবং প্রিন্স যাদব। বিরাট কোহলি এদিন খাতা খুলতে পারেননি। জেকব বেথেল মাত্র ৫ রান করেন। ৯ রানে দুই উইকেট হারিয়ে আরসিবি যখন পাহাড়প্রমাণ চাপে তখন হাল ধরেন অধিনায়ক রজত পাটিদার এবং দেবদত্ত পাড়িক্কল। জুটি বেঁধে ১০ ওভারে দলের রান ১০০ পার করে দেন তাঁরা। কিন্তু সেই জুটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মাত্র দু’ওভারের মধ্যে পাড়িক্কল, পাটিদার, জিতেশের উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে পড়ে যায় আরসিবি। পাটিদার ৩১ বলে ৬১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। পাড়িক্কল করেন ৩৪ রান। পাঁচ উইকেট খুইয়ে আরসিবি প্রবল চাপে পড়লেও হাল ছাড়েননি টিম ডেভিড-ক্রুণাল পাণ্ডিয়ারা। একটা সময় মনে হচ্ছিল টিম ডেভিড একার হাতেই ম্যাচ লখনউয়ের হাত থেকে বের করে নিয়ে যাবেন। কিন্তু তেমনটা হল না। ১৭ বলে ৪০ রান করে টিম ডেভিড আউট হলেও লড়াই চালিয়ে না ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। যদিও শেষমেশ আরসিবির ইনিংস শেষ হয় ২০৩ রানে। ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে ৯ রানে হার মানতে হয় গতবারের চ্যাম্পিয়নদের।
এদিনের জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের খরা কাটল ঋষভ পন্থদের। আপাতত ১০ ম্যাচে ৬ পয়েন্টে রয়েছে তারা। তবে এ মরশুমে প্লেঅফের সম্ভাবনা প্রায় শেষ পন্থদের। অন্যদিকে এই হার আরসিবির জন্য ধাক্কা। পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ হাতছাড়া করলেন বিরাট কোহলিরা। ১০ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে আরসিবি এখনও তৃতীয় স্থানে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ঘূর্ণাবর্তের জেরে দুর্যোগ, মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ, কেমন থাকবে সপ্তাহান্তে বঙ্গের আবহাওয়া?
-
মমতা নাকি ঋতব্রত, কোন তৃণমূলে? জবাবে ধন্দ বাড়ালেন অনুব্রত
-
ভারতীয়দের যুদ্ধে পাঠানোর ভয়ংকর ষড়যন্ত্র ভ্যান্সের! ‘মোদি রাজি হবেন না…’, খারিজ করেন ট্রাম্প
-
বিধানসভায় বিএ কমিটিতেও ঠাঁই নেই কালীঘাট তৃণমূলের, নাম ঋতব্রতপন্থীদের, আরও কোণঠাসা মমতাপন্থীরা
-
২৭ বছর ধরে জমি দখল মমতার ভাইয়ের, প্রতিবাদ করায় অত্যাচার! মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে ক্যানসার আক্রান্ত বৃদ্ধা