Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Duleep Trophy

১৪ বছর পর দলীপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দোরগোড়ায় শামিরা, শেষ দিনে কার্যত নিয়মরক্ষার লড়াই

বড় লিড হাতে থাকায় বোলারদের ফের মাঠে নামিয়ে ফলো-অন করানোর পথে হাঁটেনি পূর্বাঞ্চল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ২১:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ২১:১১

options
link
১৪ বছর পর দলীপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দোরগোড়ায় শামিরা, শেষ দিনে কার্যত নিয়মরক্ষার লড়াই zoom
দুরন্ত পারফরম্যান্স শামি-ঈশানের। ছবি সংগৃহীত।
Advertisement

প্রথম ইনিংসে ৩৭২ রানের লিড। চতুর্থ দিনের শেষে সেই ব্যবধান বেড়ে দাঁড়াল ৫৮৪। দলীপ ট্রফির (Duleep Trophy) ফাইনালে দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দোরগোড়ায় পূর্বাঞ্চল। দ্বিতীয় ইনিংসে ২১২/৫ তুলে দিন শেষ করেছে তারা। হাতে আর এক দিনের খেলা। ফলে বিরাট কোনও অঘটন না ঘটলে ১৪ বছর পর দলীপ ট্রফি ফিরতে চলেছে পূর্বাঞ্চলের ঘরে।

শেষ বার ২০১২-১৩ মরশুমে দলীপ জিতেছিল পূর্বাঞ্চল। তার আগের মরশুমেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারাই। মাঝে অবশ্য পাঁচ বছর আঞ্চলিক ফরম্যাটে এই প্রতিযোগিতা হয়নি। এর মধ্যে কোভিডের কারণে দু’বছর। ঈশান কিশনের দুরন্ত ডবল সেঞ্চুরির সৌজন্যে প্রথম ইনিংসে ৭০৮ রান তুলেছিল পূর্বাঞ্চল। জবাবে দক্ষিণাঞ্চলের ইনিংস শেষ হয় ৩৩৬ রানে। অর্থাৎ প্রথম ইনিংসেই ৩৭২ রানের ‘ম্যামথ’ লিড পায় বৈভব সূর্যবংশীরা। ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল না হলে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকা দলই জয়ী হয়। সেই হিসাবেও ট্রফি পূর্বাঞ্চলের হাতেই যাবে। এই পরিস্থিতিতে পূর্বাঞ্চলকে হারাতে হলে দক্ষিণাঞ্চলকে অলৌকিক কিছু ঘটাতে হবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তৃতীয় দিনের শেষে ২৪২/৬ ছিল দক্ষিণাঞ্চলের স্কোর। সেখান থেকে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করেন অধিনায়ক তিলক বর্মা এবং চামা মিলিন্দ। দু’জনে বেশ কিছুটা সময় উইকেটে টিকে থাকেন। শেষ পর্যন্ত জুটি ভাঙেন শিখর মোহন। ৪৩ রানে মিলিন্দকে ফেরানোর পরই ভেঙে পড়ে দক্ষিণাঞ্চলের লোয়ার অর্ডার। ত্রিপুরাণা বিজয় এবং মহম্মদ সিরাজ সামান্য প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অন্যদিকে, শতরানের দিকে এগোচ্ছিলেন তিলক। কিন্তু চালিয়ে খেলতে গিয়ে ৯৯ রানে কৌনাইন কুরেশির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৩৬ রানে। আগুনে বোলিংয়ে মহম্মদ শামি নেন ৪২ রানে ২ উইকেট। মুকেশ কুমারের শিকার ৬২ রানে ৩ উইকেট। দু’টি করে উইকেট নেন কৌনাইন কুরেশি এবং শিখর মোহন।

বড় লিড হাতে থাকায় বোলারদের ফের মাঠে নামিয়ে ফলো-অন করানোর পথে হাঁটেনি পূর্বাঞ্চল। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য শুরুটা ভালো হয়নি তাদের। ৮ রানের মাথায় স্টাম্পড হয় বৈভব সূর্যবংশী। প্রথম ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করা অভিমন্যু ঈশ্বরণ এবার মাত্র ৩ রানেই ফিরে যান। রনজি শুরুর আগে বাংলার ব্যাটারের এই ফর্ম নিশ্চয়ই চিন্তায় রাখবে দলকে। সুদীপ ঘরামিও ব্যর্থ হন। প্রথম ইনিংসে রান না পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন মাত্র ২। মাত্র ১৩ রানে ২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর হাল ধরেন ঈশান কিষান এবং শিখর মোহন। তৃতীয় উইকেটে দু’জনে ২৮.২ ওভারে যোগ করেন ১২৬ রান। প্রথম ইনিংসে ২৭০ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন ঈশান। ৮০ রানে আগ্রাসী শট খেলতে গিয়ে উইকেট হারান। মোহন করেন ৫২। মিডল অর্ডারে ফের চাপ তৈরি হলেও কুমার কুশাগ্র এবং কৌনাইন কুরেশি সেই চাপ সামলে নেন। চতুর্থ দিনের শেষে কুশাগ্র ৩৪ এবং কুরেশি ২৬ রানে অপরাজিত। শেষ দিনে আরও কিছু রান তুলে ইনিংস ডিক্লেয়ার করতে পারে পূর্বাঞ্চল। কিন্তু সেই রান টপকে জেতা দক্ষিণাঞ্চলের পক্ষে কার্যত অসম্ভব।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.