সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইপিএলে (IPL) তিনি লখনউ সুপার জায়ান্টসের (LSG) অধিনায়ক। তাঁর নেতৃত্বে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে পঞ্চম স্থানে আছে লখনউ দল। যদিও মেগা টুর্নামেন্টে আরেকটি দলের হয়ে খেলার ইচ্ছে রয়েছে কেএল রাহুলের (KL Rahul)। নিজের জন্মদিনে সেই সুপ্ত ইচ্ছের কথাই জানালেন লখনউ অধিনায়ক।
ঘরোয়া ক্রিকেটে রাহুল খেলেন কর্ণাটকের (Karnataka) হয়ে। ভারতীয় ব্যাটার-উইকেট কিপার ২০১০ সাল থেকে খেলছেন কর্ণাটক রঞ্জি দলের হয়ে। আর সেই কারণেই তিনি আইপিএল খেলতে চান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে। কর্ণাটকের মানুষ বলে রাহুল চিন্নাস্বামীকেই ঘরের মাঠ হিসেবে দেখতে চান।
[আরও পড়ুন: ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়ম নাপসন্দ রোহিতের! শিবম, সুন্দরদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ভারত অধিনায়ক]
জাতীয় দলের সতীর্থ রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে একটা সাক্ষাৎকারে লখনউ অধিনায়ক বলেন, “এটা বদলানোর কোনও উপায় নেই যে, আমি কর্ণাটকের ক্রিকেটার। আইপিএলে খেলার আগে থেকেই চিন্নাস্বামী আমার ঘরের মাঠ। সবাই নিজের শহরের হয়ে খেলতে চায়। ফলে বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলতে পারলে সেটা সবচেয়ে ভালো হবে।”
কিন্তু আইপিএলে খেললে যে সব সময় নিজের শহরের হয়ে খেলা সম্ভব নয়, সেটা রাহুল ভালো ভাবেই জানেন। বিরাট ও ধোনির প্রসঙ্গও তুলে এনেছেন তিনি। সে বিষয়ে কিছুটা আক্ষেপও আছে তাঁর, “জানি সম্ভব নয়, তবু আমরা একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়েই খেলতে চাই। বার বার দল পরিবর্তন করা সহজ নয়। কিন্তু একটা সময়ের পর সেটা অভ্যাস হয়ে যায়।”
[আরও পড়ুন: ‘আইপিএল থেকে ওর কিছু শেখার নেই’, মুস্তাফিজুরকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেট কর্তার]
তাঁর আইপিএল কেরিয়ার শুরু হয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু দলেই। ২০১৩ সালে রাহুল খেলেছেন তাদের হয়ে। কিন্তু পরের বছর চলে আসেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদে। ২০১৬-তে এক বছরের জন্য আবার ফিরে আসেন বেঙ্গালুরুতে। তার পর পাঞ্জাব কিংসের হয়ে খেলার পর ২০২২ সালে রাহুল যুক্ত হন লখনউ দলে।
সর্বশেষ খবর
-
সম্পত্তি হাতাতেই ‘খুন’ দেবস্মিতা, বর্ধমানে গ্রেপ্তার ভাড়াটে দম্পতি! দিল্লিতে অধ্যাপিকা খুনের কিনারা
-
মেসি কাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে পুলিশ, আরও বিপাকে প্রাক্তন মন্ত্রী
-
আপত্তি সত্ত্বেও শরীর প্রদর্শন! ‘মা সেটে থাকলে অন্যায় হত না’, ‘পেড্ডি’ বিতর্কে বিস্ফোরক জাহ্নবী
-
মাঝরাস্তায় খিদের টান! ৫ টাকা দিয়ে ‘মা আহারে’ মধ্যাহ্নভোজ সারলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল
-
টুটু বোস স্মরণে রক্তদান শিবির, উত্তর কলকাতায় একমঞ্চে ভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষ