Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Mahmudullah

ভারতের এক চালে ভাঙে মন! হাউহাউ করে কেঁদেছিলেন, স্বীকারোক্তি বাংলাদেশি ক্রিকেটারের

'খুব শিক্ষা পেয়েছি', মেনে নিলেন বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১৮:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১৮:৩৬

options
link
ভারতের এক চালে ভাঙে মন! হাউহাউ করে কেঁদেছিলেন, স্বীকারোক্তি বাংলাদেশি ক্রিকেটারের zoom
বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ফাইল ছবি
Advertisement

স্মৃতি বড় বেদনার! অন্তত বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা কিছু ক্ষেত্রে অবশ্যই সেটা মনে করেন। যেরকম একটি ঘটনার কথা উঠলে আজও টাইগার-ভক্তদের মনখারাপ হয়ে যায়। এমনকী বাংলাদেশের ক্রিকেটারও জানালেন, একটা ঘটনার পর দলের সকলে হাউ হাউ করে কেঁদেছিলেন। কোন ম্যাচ? ২০১৬ সালের সুপার টেনের সেই মহানাটকীয় ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ। আর ১ রানে ভারতের জয়ের সেই ম্যাচ নিয়ে মুখ খুললেন মাহমুদুল্লা রিয়াদ।

আগে সেই ম্যাচের স্মৃতি একবার ঝালিয়ে নেওয়া যাক। দশ বছর আগে বেঙ্গালুরুতে সুপার টেনের ম্যাচে মুখোমুখি হয় ভারত-বাংলাদেশ। প্রথম ব্যাট করে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন দল করেছিল ১৪৬ রান। শেষ ওভারে বাংলাদেশের জিততে ১১ রান দরকার ছিল। হাতে ৪ উইকেট। হার্দিক পাণ্ডিয়ার বলে একটি শট রানের পর দু’টি চার মারেন মুশকিফুর রহিম। জয় নিশ্চিত ভেবে সেলিব্রেট করাও শুরু করেন তিনি। কিন্তু পরপর দুই উইকেট তুলে নেন হার্দিক। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। কিন্তু উইকেটের পিছনে তৈরি ছিলেন ধোনি। বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা রান নেওয়ার চেষ্টা করতেই চিতার মতো গতিতে ছুটে এসে উইকেট ভেঙে দেন তিনি। ভারত জেতে এক রানে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তারপর? বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে শ্মশানের নীরবতা! সেদিনের হৃদয়বিদারক স্মৃতি নিয়ে মুখ খুললেন মাহমুদুল্লা। ওই ম্যাচে শেষ ওভারে যে তিনজন আউট হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন মাহমুদুল্লা। ১০ বছর পরে এসে বাংলাদেশি অলরাউন্ডার বলছেন, “সেই ম্যাচ হারার পর আমরা মাঠেই কেঁদেছি, হোটেলে ফিরেও আমি আর মুশফিক দীর্ঘক্ষণ কেঁদেছি।”

একটি পডকাস্টে এসে মাহমদুল্লা স্বীকার করেন, ওই ম্যাচটা তাঁকে বদলে দিয়েছে। ৪০ বছর বয়সি ক্রিকেটার বলেন, “আমি জানি না সেদিন ঠিক কী হয়েছিল। আমাদের হৃদয় ভেঙে গিয়েছিল। আমরা ভারতকে হারানোর খুব কাছে চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেই ম্যাচ আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে শেষ বল পর্যন্ত লড়াই টেনে নিতে হয়। শেষ মুহূর্তে বাউন্ডারি মারার চিন্তা করাটা ছিল চরম বোকামি।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.