২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

পরিযায়ী শ্রমিকদের সাহায্যার্থে ফের ফ্রন্টফুটে শামি, খাবার বিলির শিবির গড়লেন ভারতীয় পেসার

Published by: Sulaya Singha |    Posted: June 2, 2020 12:42 pm|    Updated: June 2, 2020 1:30 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউন থেকে আনলক হচ্ছে ভারত। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টায় দেশবাসী। কিন্তু পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা এত সহজে মেটার নয়। তাই ফের তাঁদের সাহায্যার্থে এগিয়ে এলেন মহম্মদ শামি (Mohammed Shami)। নিজের জন্মস্থান উত্তরপ্রদেশে খাবার বিলি করার জন্য ছোট ছোট শিবির গড়েছেন ভারতীয় পেসার। সেখান থেকেই নিজহাতে শ্রমিকদের রোজ খাবার দিচ্ছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লকডাউন ঘোষণা করতেই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবন। কাজ খুইয়ে, অস্থায়ী বাসস্থান খুইয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তাঁরা। ওঁদের মাথা গোঁজার জন্য বাড়ি নেই, রোজগারের জন্য কাজ নেই, খাওয়ার অন্ন নেই। লকডাউনের পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের বাড়ি ফেরার জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হলেও এখনও অনেকেই পরিবারের কাছে পৌঁছতে পারেনি। ভিনরাজ্যে আটকে পড়ে খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছেন। এই পরিযায়ী শ্রমিকদের লড়াইয়ে ব্যথিত টিম ইন্ডিয়ার পেসার। সেই জন্যই ফের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। উত্তরপ্রদেশে ২৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে শিবির তৈরি করে শ্রমিকদের হাতে খাবারের প্যাকেট তুলে দিচ্ছেন শামি। সঙ্গে বিলি করছেন মাস্কও। একই সঙ্গে সাহসপুরে তাঁর বাড়ির কাছেও খাবার বিলির শিবির বানিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: উইকিপিডিয়ায় মোহনবাগানের লোগো বিকৃতির চেষ্টা, বিরক্ত হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ ক্লাব]

শামির এই মহৎ উদ্যোগের ছবি মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI)। একটি ভিডিও পোস্ট করে বিসিসিআই লেখে, “যে সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রাস্তায় বেরিয়েছেন, তাঁদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন ভারতীয় পেসার। তাঁদের মাস্ক আর খাবার দিচ্ছেন তিনি। এ কাজে আমরা সবাই ওর সঙ্গে আছি।”

তবে এই প্রথম নয়, এর আগে উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় স্থানীয় একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য খাবার ও আশ্রয়ের বন্দোবস্ত করছিলেন টিম ইন্ডিয়ার পেসার। তাঁদের জন্য কতখানি চিন্তিত শামি, তার প্রমাণ ফের মিলল।

[আরও পড়ুন: লকডাউনে আটকে আফ্রিকান ফুটবলাররা, নিউটাউনের ছোট্ট ঘরে আধপেটা খেয়েই কাটছে দিন]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement