BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

ক্রিকেটারদের বুঝতে টিম ইন্ডিয়ায় রাখা হোক মনোবিদ, মন্তব্য ধোনির

Published by: Sulaya Singha |    Posted: May 8, 2020 1:58 pm|    Updated: May 8, 2020 1:58 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটে তিনি মিস্টার কুল। মাঠে কখনও তিনি মেজাজ হারান না। চাপের মধ্যেও নিজেকে ঠান্ডা রাখতে পারেন। মাঠে তাঁকে খুব একটা চিৎকার-চেঁচামেচি করতে দেখেছেন বলেও কেউ বিশেষ দাবিও করতে পারবেন না। তিনি মহেন্দ্র সিং ধোনি। কিন্তু এটা জানলে অনেকেই অবাক হবেন যে, ধোনিও নিজে চাপে পড়েন। ব্যাট করতে নামার পর প্রথম দিকে নিজেও বেশ ভয় পান। অন্যদের মতো ওই সময় তাঁর হৃদস্পন্দনও অনেকটাই বেড়ে যায়। কথাগুলো জানিয়েছেন স্বয়ং মাহি।

ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, ব্যাট করতে নামলে তিনি চাপ অনুভব করেন। স্বাস্থ্য বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে ধোনি বলেন “কেউ হয়তো এই কথা বলে না। কিন্তু আমি যখন ব্যাট করতে যাই, প্রথম পাঁচ-দশটা বল খেলার সময় আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। আমিও চাপ অনুভব করি। ভয়ও লাগে। সবারই এটা হয়। সবাই ভাবে কীভাবে ওই সময় তা সামলানো যাবে।”

[আরও পড়ুন:  ‘এ দৃশ্য সহ্য করা যায় না’, ভাইজ্যাগ গ্যাস দুর্ঘটনায় মর্মাহত বিরাট-সানিয়ারা]

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ধোনির বক্তব্য পাঠানো হয়েছে। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক বলেছেন, “এটা ছোটখাটো সমস্যা। কিন্তু অনেক সময় কোচকে গিয়ে বলতে লজ্জা করে। একজন প্লেয়ারের সঙ্গে কোচের ভাল সম্পর্ক থাকা জরুরি। শুধু ক্রিকেট নয়, সমস্ত স্পোর্টসেই এটাই হওয়া উচিত।” ভারতে মানসিক দুর্বলতার ব্যাপারটা মেনে নিতে অনেকেরই সমস্যা হয়। এটাকে মানসিক রোগের আখ্যা দেওয়া হয়। ধোনি মনে করেন এখানে এটা বড় সমস্যা। তাঁর কথায়, “ভারতে এটা খুব বড় একটা সমস্যার বিষয়। মানসিকভাবে কেউ দুর্বল হয়ে পড়লে তাঁকে আমরা মানসিকভাবে অসুস্থ আখ্যা দিই।”

ধোনি এটাও পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন, মেন্টাল কন্ডিশনিং কোচকে শুধুমাত্র ১৫ দিনের জন্য আনলে চলবে না। ধোনির মন্তব্য, “দেখুন, একটা কথা বলে রাখি, মেন্টাল কন্ডিশনিং কোচকে ১৫ দিনের জন্য আনলে হবে না। কারণ ১৫ দিন পরস্পরকে চিনতেই চলে যায়। একে অপরের সঙ্গে অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে সময় লাগে। মেন্টাল কন্ডিশনিং কোচ যদি একজন প্লেয়ারের সঙ্গে নিয়মিত থাকেন, তাহলে ওই প্লেয়ারের কোথায় সমস্যা, সেটা খুব ভালভাবে বোঝা সম্ভব হবে। মানসিকভাবে কোন জায়গাটা ওই প্লেয়ারের খেলায় প্রভাবে ফেলছে, সেটা বুঝতে সুবিধা হবে।”

আর শুধু ক্রিকেট কিংবা স্পোর্টস নয়, মানসিক স্বচ্ছ্বতা, জীবনেরও একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন ধোনি। বলছেন, “মানসিক স্বাস্থ্য আর মানসিক স্বচ্ছ্বতা, শুধুমাত্র খেলা নয়, জীবনের ক্ষেত্রেও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।”

[আরও পড়ুন: লকডাউনে নস্ট্যালজিক সৌরভ, উসকে দিলেন লর্ডসে মহারাজকীয় অভিষেকের স্মৃতি]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement