Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
IPL 2024

সূর্যকুমারের তাণ্ডবে ধরাশায়ী পাঞ্জাব, বুমরাহ-কোয়েৎজি জুটিতে জয়ের সরণিতে মুম্বই

৯ রানে জয়ী মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৪, ০৮:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৪, ০৮:৫০

options
link
সূর্যকুমারের তাণ্ডবে ধরাশায়ী পাঞ্জাব, বুমরাহ-কোয়েৎজি জুটিতে জয়ের সরণিতে মুম্বই zoom
ফাইল চিত্র

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ১৯২/৭ (সূর্যকুমার ৭৮, রোহিত ৩৬, হর্ষল প্যাটেল ৩১/৩)
পাঞ্জাব কিংস: ১৮৩/১০  (শশাঙ্ক ৪১, আশুতোষ ৬১, বুমরাহ ২১/৩)
৯ রানে জয়ী মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লড়াইটা ছিল আইপিএলের (IPL) লিগ টেবিলে আট আর নয় নম্বরের। দুটো দলই তাদের আগের ম্যাচ হেরেছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (Mumbai Indians) আর পাঞ্জাব কিংসের (Punjab Kings) কাছে ম্যাচটা ছিল জয়ের সরণিতে ফেরার। ফলে ম্যাচের শেষ পর্যন্ত টানটান লড়াই চলল। কিন্তু ঘরের মাঠে পরাজিত হল প্রীতি জিন্টার দল। রীতিমতো কষ্ট করে ৯ রানে জয় পেল মুম্বই। লিগ তালিকায় বড়সড় বদল না এলেও প্লে অফের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন পেলেন হার্দিক পাণ্ডিয়ারা।

Advertisement

এদিন পাঞ্জাবের মুল্লানপুরে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাঞ্জাব অধিনায়ক স্যাম কুরান। ম্যাচের প্রথম থেকেই পাঞ্জাব বোলারদের শাসন করা শুরু করেন রোহিত শর্মা (৩৬)। ঈশান কিষাণ (৮) দ্রুত ফিরে গেলেও ভারত অধিনায়কের ব্যাট থামেনি। প্রিয় পুল শট মারতেও দেখা গেল তাঁকে। সূর্যকুমার যাদব (৭৮) এদিন নামলেন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে। আর সূর্যের কিরণে জ্বলে গেল পাঞ্জাবের বোলিং আক্রমণ। চেনা ছন্দেই মাঠের সব দিকে বল মারলেন টি-টোয়েন্টির এক নম্বর তারকা। তাঁরা দুজন ফিরে গেলেও রানের গতি থামেনি। বাকি কাজটা এগিয়ে নিয়ে যান তিলক বর্মা (৩৪) আর টিম ডেভিড (১৪)। দুজনের স্ট্রাইক রেটই প্রায় ২০০-র কাছাকাছি। অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া (১০) এদিনও ব্যর্থ হলেন। কিন্তু তাতেও স্কোরবোর্ডে ১৯২ রান উঠল।

[আরও পড়ুন: আর লখনউ নয়, আইপিএলে খেলতে চান এই দলের হয়ে, জন্মদিনে মনের কথা বললেন রাহুল]

মুল্লারপুরের স্টেডিয়ামে গড় রান ওঠে ১৮০-র আশেপাশে। ফলে বড় লক্ষ্য থাকলেও একেবারেই অসম্ভব ছিল না। কিন্তু প্রীতি জিন্টার দল প্রথম থেকেই আত্মসমর্পণ করে বসল। চোটের জন্য শিখর ধাওয়ান নেই। অফ ফর্মের জনি বেয়ারস্টোকে এদিন খেলায়নি পাঞ্জাব। ওপেন করতে এলেন স্যাম কুরান (৬) আর প্রভসিমরন সিং (০)। কিন্তু বুমরাহ (২১/৩) আর কোয়েৎজির (৩২/৩) বোলিং জুটির সামনে সবাই একের পর এক ফিরে গেলেন। গতির হেরফর আর সুইংয়ের মিশ্রণে পাঞ্জাবের ১৪ রানে ৪ উইকেট ফেলে দিলেন তাঁরা। সেখান থেকে ফিরে আসাটা মুশকিল ছিল। কিন্তু লড়াই চালিয়ে গেলেন শশাঙ্ক সিং (৪১)। যিনি এবার প্রতি ম্যাচেই পাঞ্জাবকে ভরসা জোগাচ্ছেন। শেষ দিকে একা তাণ্ডব দেখালেন আশুতোষ শর্মা। চলতি আইপিএলের অন্যতম আবিষ্কার বলা যেতে পারে তাঁকে। ২৮ বলে ৬১ রানের ইনিংসে মুম্বইয়ের হাত থেকে জয় প্রায় ছিনিয়ে এনেছিলেন পাঞ্জাব ব্যাটার। কিন্তু কোয়েৎজের বলে তিনি ফিরে যেতেই হাসি ফুটল হার্দিক পাণ্ডিয়ার মুখে। শেষ পর্যন্ত পাঞ্জাবের ইনিংস থামল ১৮৩ রানে। ৯ রানে জিতল মুম্বই। 

[আরও পড়ুন: ‘আইপিএল থেকে ওর কিছু শেখার নেই’, মুস্তাফিজুরকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেট কর্তার]

যদিও প্রশ্ন উঠবে হার্দিকের অধিনায়কত্ব নিয়ে। দলে মহম্মদ নবি, টিম ডেভিডের মতো অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার আছেন। অথচ তিনি ধারাবাহিক ভাবে বল করিয়ে গেলেন রোমারিও শেফার্ড আর মাধওয়ালকে। দুজনেই অকাতরে রান দিলেন। মার খাচ্ছেন জেনেও ভুল লাইন-লেংথে টানা ৪ ওভার বল করে গেলেন হার্দিক। দিলেন ৩৩। আশুতোষ-শশাঙ্কের দাপটে অসহায় অধিনায়ক শেষ পর্যন্ত  ১৩ তম ওভারে বুমরাহকে ফেরাতে বাধ্য হলেন। আঠারো ওভারে আনতে হল কোয়েৎজিকে। দুজন সঠিক সময়ে দুই পাঞ্জাব ব্যাটারকে না ফেরালে এদিনও খালি হাতেই ফিরতে হত মুম্বই ব্রিগেডকে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.