সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হার্দিক পাণ্ডিয়ার (Hardik Pandya) ক্যাপ্টেন্সির মাথামুণ্ডু বুঝে উঠতে পারছেন না বিশেষজ্ঞ-প্রাক্তনরা। সবাই প্রশ্ন করছেন, দলের সেরা বোলারকেই তো বল করালেন না পাণ্ডিয়া। একই রকম ভাবে বিস্মিত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের তারকা হেনরিক ক্লাসেন। যাঁর ৩৪ বলে অপরাজিত ৮০ রান মুম্বইয়ের সাজঘর থেকে ম্যাচ নিয়ে চলে যায় সানরাইজার্সের সাজঘরে।
প্রথমে ব্যাট করে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে রানের শৃঙ্গে চড়ল সানরাইজার্স। অনেকেই বলছেন, গোড়ার দিকে জশপ্রীত বুমরাহকে (Jasprit Bumrah) দিয়ে বল করালে সানরাইজার্সকে আটকে রাখা যেত। চতুর্থ ওভার বল করেন বুমরাহ। ১৩-তম ওভারে আবার তাঁকে বল করতে ডাকা হয়। ততক্ষণে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ১৭৭ রানে পৌঁছে যায়।
[আরও পড়ুন: হার্দিকের স্ট্র্যাটেজিতেই ভুল, লোকসভার প্রচারের মাঝেও মুম্বই অধিনায়ককে তোপ ইউসুফের]
হার্দিক ও মুম্বইয়ের নীতি পরিষ্কার ছিল। ক্লাসেনের জন্য বুমরাহকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিল। ম্যাচের শেষে হার্দিক পাণ্ডিয়ার ভুল ধরিয়ে দিয়ে ক্লাসেনকে বলতে শোনা যায়, ”মুম্বই তো ওদের সেরা বোলারকে পাওয়ারপ্লেতে ব্যবহারই করল না। আমাদের ব্যাটিং লাইন আপের শুরুর দিকে অবিশ্বাস্য সব স্ট্রাইকার রয়েছে। ওরা তো শুরুতেই ভুল করে বসে। আমাদের গোড়ার দিকের ব্যাটাররা শুরু থেকেই মারমুখী ব্যাটিং করতে থাকে। তাতেই আমাদের কাজ হয়ে যায়।”
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কোচ টম মুডিও প্রায় একই সুরে বলেন, ”বিশ্বের সেরা বোলার যখন দলে তখন প্রথম দশ ওভারে মাত্র একবার তাঁকে বল দেওয়া এবং ১৩-তম ওভারে দ্বিতীয় ওভার করানোর জন্য ডাকা মোটেও স্বাভাবিক ব্যাপার নয়।”
আইপিএল শুরু হতেই হার্দিক পাণ্ডিয়া কিন্তু বিতর্ক তৈরি করে দিয়েছেন। রোহিতের প্রতি সৌজন্য না দেখিয়ে মারাত্মক সমালোচিত হয়েছেন। তার উপরে প্রথম দুটো ম্যাচ হেরে চাপে পড়ে গেলেন পণ্ডিয়া।
[আরও পড়ুন: ক্লাসেনদের দাপটে দিশেহারা অধিনায়ক হার্দিক, মুম্বইয়ের ‘নেতৃত্বে’ ফিরলেন রোহিত!]
সর্বশেষ খবর
-
রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে পুড়ে গেল কিয়েভের একাদশ শতকের ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রাল! হামলায় মৃত ১১
-
বিশ্বকাপের প্রথম ডোপপাপী ও এক স্বৈরশাসকের ভয়ংকর গল্প
-
আয়ুষ্মান ভবঃ, ঘুম থেকে উঠে এই ৫ অভ্যাস বদলে দেবে জীবনের মান! বলছেন চিকিৎসকরা
-
বারাকপুরে জোড়া ধাক্কা তৃণমূলে, ভাঙল গ্রাম পঞ্চায়েত, ইস্তফা পুরসভার চেয়ারম্যানেরও
-
বাংলাদেশে ঢুকলেই ‘খুন’ করা হবে! ‘জিরো পয়েন্টে’ থাকা ১২ বাংলাদেশিকে ফেরাল ‘মানবিক’ বিএসএফ