Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২১ জুন ২০২৬
CAB

মেদিনীপুরের পর এবার নদিয়া, সিএবি নির্বাচনে ‘রাজনৈতিক বল’ প্রয়োগের অভিযোগ

মেদিনীপুরের পর এবার নদিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা। গত বছরের সিএবি নির্বাচনের পাশে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন বসিয়ে দিল তারাও!

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৬, ২১:৩৬

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৬, ২১:৩৬

options
link
মেদিনীপুরের পর এবার নদিয়া, সিএবি নির্বাচনে ‘রাজনৈতিক বল’ প্রয়োগের অভিযোগ zoom
ফাইল ছবি।

মেদিনীপুরের পর এবার নদিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা। গত বছরের সিএবি নির্বাচনের পাশে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন বসিয়ে দিল তারাও! মেদিনীপুরের মতো নদিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকেও কড়া অভিযোগ তুলে বলে দেওয়া হল যে, গত সিএবি নির্বাচনকে ‘প্রভাবিত’ করা হয়েছে!

ঠিক কী হয়েছে? দিন কয়েক আগে জমি সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সুজয় হাজরার ‘যোগসূত্র’ ধরে অস্বস্তিতে জড়িয়ে যায় সিএবি। যাঁর বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক প্রভাব’ খাটিয়ে গত সিএবি নির্বাচনে মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করার অভিযোগ উঠে পড়ে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব সঞ্জিৎ তরাই অভিযোগ করেন, প্রাথমিকভাবে সিএবিতে প্রতিনিধিত্ব করার জন‌্য তাঁর নাম চূড়ান্ত হয়েছিল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভায়। কিন্তু বিধায়কের ‘প্রভাব’ খাটিয়ে তাঁকে প্রতিনিধিত্ব করতে দেননি সুজয়। সিএবি আধিকারিক বিশ্বপতি সেনের নাম করে ফর্ম জমা না নেওয়ার অভিযোগ তোলেন সঞ্জিৎ। সঙ্গে দাবি করেন, সুজয় যাতে সিএবি সভায় প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন, সে কারণে বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থা থেকে নাকি একই নম্বরের দু’টো ফর্ম বরাদ্দ করা হয়েছিল! সে রাতেই সিএবি থেকে পাল্টা বিবৃতি আসে। বলা হয়, সঞ্জিতের বক্তব‌্য বিভ্রান্তিকর। সর্বৈব মিথ‌্যে। এবং প্রতারণাধর্মী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মুশকিল হল, সে অভিযোগের পর কয়েক দিন যেতে না যেতেই নতুন অভিযোগ এসে উপস্থিত হল। আর সেটা এল নদিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে! নদিয়া ডিএসএ-র ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারি আলাপন চট্টোপাধ‌্যায় সরাসরি দাবি করলেন যে, জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে অর্ধেন্দু ঘোষকে গত বছরের সিএবি নির্বাচনে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যা নাকি তৎকালীন ডিএম না মেনে ‘বলপূর্বক’ এডিএমকে সিএবি নির্বাচনে নদিয়া জেলার প্রতিনিধিত্ব করতে পাঠিয়ে দেন! অভিযোগ, এমন নাকি এক ‘আতঙ্কের’ পরিবেশ তৈরি করা হয়, যাতে অর্ধেন্দুর নাম বাদ দিতে বাধ‌্য হয় নদিয়া! এবং পরবর্তী ক্ষেত্রে প্রতিনিধি হিসেবে যখন জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে পুনরায় অর্ধেন্দুর নাম পাঠানো হয় সিএবি-র কাছে, বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থা তাঁর নাম গ্রহণ করতে চায়নি।

‘‘গত বছর সিএবি বার্ষিক সভার সময় আমরা অর্ধেন্দু ঘোষকে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠাতে চেয়েছিলাম। সিএবি প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, সেটা ঠিক করেন আমাদের জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস‌্যরা। সেই অনুযায়ী অর্ধেন্দু ঘোষের যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তৎকালীন ডিএম আমাদের রেজোলিউশনকে মান‌্যতা না দিয়ে বলপূর্বক এডিএমকে পাঠিয়েছিলেন,’’ বলে দিয়েছেন আলাপন। সঙ্গে নদিয়া ডিএসএ-র ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারির সংযোজন, ‘‘আবার আমরা যখন পরবর্তী ক্ষেত্রে রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে অর্ধেন্দুর নাম পাঠাই, সিএবি সেটা অ‌্যাকসেপ্ট করেনি। বরং এডিএমকে অ‌্যাকসেপ্ট করা হয়। আমার বক্তব‌্য খুব সহজ। হয় সেক্ষেত্রে সিএবি রেজোলিউশন চায়নি। নইলে অনৈতিক কাজকে মান‌্যতা দিয়েছিল।’’ ময়দানের কারও কারও বক্তব‌্য, এডিএম একজন সরকারি কর্মচারী। লোধা আইনে একজন সরকারি কর্মচারীর নাম কখনওই ক্রিকেট সংস্থার নির্বাচনে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠানো যায় না। যা সম্পূর্ণ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা-বিরুদ্ধ। বলা হচ্ছে, লোধা আইনকে অস্বীকার করা হলে সিএবি নির্বাচনের বৈধতা থাকে কী ভাবে?

সিএবি যা নিয়ে পাল্টা দিচ্ছে। বলা হচ্ছে, যে কোনও জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রধান হন ডিএম। এবার তিনি যদি কাউকে মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে বার্ষিক সভায় পাঠান, সিএবি-র কী করার থাকতে পারে? সিএবি কোষাধ‌্যক্ষ সঞ্জয় দাস বলছিলেন, ‘‘আমি প্রসেসের মধ‌্যে ছিলাম না। কিন্তু ডিএম যদি কাউকে পাঠিয়ে থাকেন, তা হলে সেটাকে তো মান‌্যতা দিতে হবে। ডিএম যদি বলেন, আমি অমুক জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে তমুককে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠালাম, সিএবির কী করার আছে? ডিএমই তো এক্ষেত্রে ফাইনাল অথরিটি।’’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.