সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে (IND vs ENG 4th Test) ভাঙা পায়ে ঋষভ পন্থের অদম্য লড়াই যেন স্রেফ জলে চলে গেল। তাঁর রোমহর্ষক বীরগাথার পরেও ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টে প্রবল চাপে ভারত। প্রথম ইনিংসে ৩৫৮-র বেশি তোলা যায়নি। জশপ্রীত বুমরার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় পেস বোলিংকেও বড় নির্বিষ লাগছে। আর তাতেই ক্ষুব্ধ প্রাক্তনীদের একাংশ। রিকি পন্টিং থেকে শুরু করে নাসের হুসেন, সকলেই তুলোধোনা করছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে।
ওভার পিছু প্রায় পাঁচ করে তুলে ইংল্যান্ড দ্বিতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে ২২৫-২। জ্যাক ক্রলি ৮৪। বেন ডাকেট ৯৪। জো রুট ব্যাটিং ১১। অলি পোপ, তিনিও ২০ রান করে ব্যাট করছেন। সিরিজে একাধিক বড় ইনিংস রয়েছে তাঁরও। রুট-পোপরা থেকে গেলে অধিকতর চোখ রাঙাবেন। মূল সমস্যা হল, ভারতীয় বোলাররা এতটাই সাধারণ মানের বোলিং করেছেন যে তৃতীয় দিন ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখাটাও দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর নেপথ্যে শুভমান গিল, জশপ্রীত বুমরাহদের।
প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসের হুসেন বলছেন, “হ্যাঁ হয়তো পরিস্থিতি খানিকটা বদলে গিয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যাওয়া মানেই এই নয় যে তুমি উইকেটের দুদিকেই বল করবে। এত বেশি বল পায়ের দিকে করবে।” নাসেরের বক্তব্য, ভারতের উচিত ছিল কম্বোজের জায়গায় সিরাজকে বল করানো। আর বুমরাহর এন্ড বদলানো।
প্রাক্তন অজি অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়েরও ক্ষোভের জায়গা সেটাই। পন্টিং সাফ বলছেন অধিনায়ক গিলের একাধিক সিদ্ধান্তও বুঝে উঠতে পারেননি তিনি। প্রাক্তন অজি অধিনায়কের বক্তব্য, “অংশুল কম্বোজ কেন নতুন বলে বল করল জানি না। আবার বুমরাহও ভুল এন্ড থেকে বল করল। চতুর্থ টেস্টে বেশিরভাগ উইকেট যে এন্ডে পড়েছে, বুমরা তার উলটো এন্ডে বল করে গেল।” রিকি পন্টিংয়ের বক্তব্য, “ডাকেটের প্রথম ছটা চারের পাঁচটাই উইকেটের পিছনের দিকে এসেছে!” বস্তুত পন্টিং-হুসেনদের মতো স্টুয়ার্ট ব্রডও ভারতীয় ম্যানেজমেন্টের সমালোচনা করেছেন।
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক