Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
যুবরাজ সিং

‘ক্ষমা চাও যুবরাজ সিং’, প্রাক্তন অলরাউন্ডারের মন্তব্যে ক্ষোভের আগুন নেটদুনিয়ায়

কী এমন করলেন যুবি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২০, ১৭:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২০, ১৭:১১

options
link
‘ক্ষমা চাও যুবরাজ সিং’, প্রাক্তন অলরাউন্ডারের মন্তব্যে ক্ষোভের আগুন নেটদুনিয়ায় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘যুবরাজ সিং মাফি মাঙ্গো’ (যুবরাজ সিং ক্ষমা চাও)। মঙ্গলবার দুপুরে টুইটারে চোখ রেখে থাকলে ট্রেন্ডিংয়ের তালিকায় এই হ্যাশট্যাগটি নিশ্চয়ই নজরে পড়েছে। হ্যাঁ, প্রাক্তন ভারতীয় অলরাউন্ডারের ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে সুর চড়ান নেটদুনিয়ার বাসিন্দারা। সেই কারণেই মাইক্রোব্লগিং সাইটে রীতিমতো ট্রেন্ডিং হয়ে ওঠে এই বিষয়টি। কিন্তু প্রশ্ন হল, কী এমন করলেন যুবি, যার জন্য তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলা হচ্ছে?

আসলে পুরো ঘটনাটা মজার ছলেই শুরু হয়েছিল। কিন্তু একটা শব্দই বিষয়টাকে বিতর্কিত করে তোলে। গত এপ্রিলে সোশ্যাল মিডিয়ায় রোহিত শর্মার সঙ্গে ভিডিও কলে আড্ডা দিচ্ছিলেন যুবরাজ সিং। লকডাউনের সঙ্গে পরস্পরের সঙ্গে এভাবেই যোগাযোগ রাখতে দেখা গিয়েছে তারকাদের। সেই দৌলতে প্রিয় ক্রিকেটার বা ফুটবলের নানা হাঁড়ির খবর জানার সুযোগ পেয়েছেন সমর্থকরাও। তেমনই জমে উঠেছিল এককালের দুই সতীর্থ রোহিত-যুবরাজের গল্পও। যেখানে হঠাৎই উঠে আসে ভারতীয় স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালের প্রসঙ্গ। গৃহবন্দি অবস্থায় রীতিমতো নেটদুনিয়া কাঁপাচ্ছেন তিনি। নানা মজার মজার ভিডিও পোস্ট করে আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন। কিছু ভিডিও প্রশংসা কুড়োয় ঠিকই, তবে ট্রোলও কম হন না। শুধু নেটিজেনরা নন, টিম ইন্ডিয়ার সদস্যরাও তাঁর টিকটক ভিডিওগুলি দেখে মশকরা করেন। চাহালকে ট্রোল করতে ছাড়েননি অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। একইভাবে চাহালকে নিয়ে ঠাট্টা করছিলেন যুবি। কিন্তু একটা শব্দের প্রয়োগ শুনেই ক্ষুব্ধ সোশ্যাল মিডিয়া।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বর্ণবিদ্বেষের শিকার হলে রাগ হয়, মন ভেঙে যায়, কৃষ্ণাঙ্গ খুনের প্রতিবাদে সরব ক্রীড়াবিদরা]

মঙ্গলবার সেই ভিডিও চ্যাটের একটি ক্লিপ টুইটারে ভাইরাল হয়ে যায়। যেখানে চাহাল প্রসঙ্গে জাতপাত তুলে মন্তব্য করেন পাঞ্জাব দা পুত্তর। তারকা ক্রিকেটারের মুখ থেকে এমন শব্দ (b***gi) প্রত্যাশা করেননি তাঁর ভক্তরা। সেই কারণেই তৈরি হয় বিতর্ক। অনেকের দাবি, কোনও ব্যক্তিকে নিয়ে মশকরা করতে হলে তার জাতপাত তোলার প্রয়োজন নেই। অন্যজন বলছেন, যুবি অনেকেরই আইকন। তাঁর মুখে এমন কথা শোভা পায় না। আর এই জন্যই ওঠে ক্ষমা চাওয়ার দাবি। যদিও এখনও পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেননি বিশ্বকাপজয়ী তারকা।

[আরও পড়ুন: পরিযায়ী শ্রমিকদের সাহায্যার্থে ফের ফ্রন্টফুটে শামি, খাবার বিলির শিবির গড়লেন ভারতীয় পেসার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.