Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
India vs Oman

বুক চিতিয়ে লড়াই ওমানের, অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিয়মরক্ষার ম্যাচে জয়ী ভারত

ক্রিকেটে 'নবাগত' ওমানের লড়াইকে কুর্নিশ জানাতেই হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫, ০৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫, ০৯:২৯

options
link
বুক চিতিয়ে লড়াই ওমানের, অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিয়মরক্ষার ম্যাচে জয়ী ভারত zoom
ছবি বিসিসিআই

ভারত: ১৮৮/৮ (সঞ্জু ৫৬, অভিষেক ৩৮, ফয়সল ২৩/২, আমির ৩১/২)
ওমান: ১৬৭/৪ (আমির ৬৪, হাম্মাদ ৫১, কুলদীপ ২৩/১, হর্ষিত ২৫/১)
২১ রানে জয়ী ভারত। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফলাফলটা প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু ক্রিকেটে ‘নবাগত’ ওমানের লড়াইটাকে কুর্নিশ জানাতেই হবে। আইসিসির টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে ২০ নম্বরে রয়েছে তারা। কিন্তু ক্রমতালিকায় শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে যেভাবে বুক চিতিয়ে খেলল ওমান, তাতে দেখে উপায় ছিল না ধারেভারে পিছিয়ে তারা। ভারতের দেওয়া ১৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওমান থামল ১৬৭ রানে। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ২১ রানে জয় পেল ভারত। 

Advertisement

এদিন টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু নিজে এদিন ব্যাট করতে এলেন না। তবে সঞ্জু স্যামসনের দায়িত্বশীল ৫৬, অভিষেক শর্মার ১৫ বলে ৩৮ রানের ছোট্ট অথচ সাইক্লোনিক ইনিংস, অক্ষর প্যাটেলের ২৬ কিংবা শেষের দিকে তিলক বর্মা ২৯ রান ভারতকে পৌঁছে দিয়েছিল ১৮৮ রানে। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে ভালোই শুরু করেন ওমানের দুই ওপেনার যতিন্দর সিং ও আমির কালিম। ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন কুলদীপ যাদব। তাঁর বলে ৩২ রানে বোল্ড হন যতিন্দর। কিন্তু এরপর যেন ধনুক ভাঙা পণ করে নেমেছিলেন আমির কালিম এবং হাম্মাদ মির্জা। তাঁদের সামনে নির্বিষ দেখিয়েছে ভারতীয় বোলিংকে। এদিন বিশ্রাম নিয়েছিলেন জশপ্রীত বুমরাহ। খেলেননি বরুণ চক্রবর্তীও। তাঁদের জায়গায় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন অর্শদীপ সিং, হর্ষিত রানা। দু’জনেই এদিন ছিলেন সাদামাটা।

একটা সময় তো মনে হচ্ছিল অঘটন ঘটিয়ে ফেলবে ওমান। ১৬ ওভারে ওমানের রান ছিল ১ উইকেটে ১৩১। অর্শদীপ থেকে হর্ষিত কেউ সাফল্য পাচ্ছেন না দেখে টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক ততক্ষণে ৮ বোলারকে ব্যবহার করে ফেলেছেন। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে এর আগে পাঁচবার মাত্র এতজন বোলার ব্যবহার করেছিল ভারত। যাই হোক, ভারতীয় বোলারদের ব্যর্থতা কাজে লাগিয়ে অনবদ্য লড়াই করল ওমান।

শেষ তিন ওভারে ওমানের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৮ রান। সূর্যকুমার বল তুলে দেন হর্ষিত রানার হাতে। কিন্তু নিজের তৃতীয় ওভারে বল করতে এসেই প্রথম দু’টি বলে টানা চার খেলেন তিনি। চতুর্থ বলে বাউন্ডারি লাইনে যে ক্যাচটা হার্দিক পাণ্ডিয়া নিলেন, তাকে বলা চলে টার্নিং পয়েন্ট। যা মনে পড়িয়ে দিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে নেওয়া সূর্যকুমার যাদবের সেই ঐতিহাসিক ক্যাচের কথা। দেহের ভারসাম্য নিখুঁতভাবে রেখে এই ক্যাচটা কালিমকে ৬৪ রানে ফেরাল। তখনই যেন দেওয়াল লিখন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শেষ ওভারে বিনায়ক শুক্লাকে ফিরিয়ে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে প্রথম ভারতীয় বোলার হিসাবে ১০০ উইকেট নিলেন অর্শদীপ। ৬৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। তাঁর পিছনে রয়েছেন হার্দিক পাণ্ডিয়া (৯৬), জশপ্রীত বুমরাহ (৯২)। শেষমেশ ১৬৭ রানে থেমে গেল ওমানের ইনিংস। ভারত জিতল ২১ রানে। ৫৬ রান করে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেলেন সঞ্জু স্যামসন। রবিবার সুপার ফোরের ম্যাচে ভারতের সামনে পাকিস্তান। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.