BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘আমাদের বলছেন বয়কট করতে, অথচ আইপিএলে চিনা স্পনসর’, তোপ ওমর আবদুল্লাহর

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: August 3, 2020 8:50 am|    Updated: August 3, 2020 10:10 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবারই গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণের রূপরেখা তৈরি হয়ে গিয়েছে। এবছর এই মেগা টুর্নামেন্ট আমিরশাহীতে আয়োজন করার অনুমতি দিয়ে দিয়েছে সরকারও। তবে এসবের এসবের থেকেও বড় খবর যেটা, সেটা হল এই মরশুমের জন্য আইপিএল কর্তৃপক্ষ আগের বারের সমস্ত স্পনসর রেখে দিয়েছে। অর্থাৎ এবছরও আইপিএলের (IPL) টাইটেল স্পনসর হচ্ছে চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘ভিভো’। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। টুইটারে টপ ট্রেন্ডিংয়ে #BoycottIPL। এই প্রতিবাদে এবার শামিল রাজনৈতিক মহলও। বোর্ড তথা সরকারের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করলেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ (Omar Abdullah)।

ওমরের অভিযোগ সরকারের চিন নীতি ভীষণ বিভ্রান্তিকর। আর এই বিভ্রান্তির জন্যই চিন ভারতের উপর জাঁকিয়ে বসার সুযোগ পাচ্ছে। টুইটে তিনি বলছেন,”চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা এবছরও আইপিএলের স্পনসর থাকছে। অথচ আমাদের বলা হচ্ছে চিনা পণ্য বয়কট করতে। চিনারা যে আমাদের উপর জাঁকিয়ে বসেছে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ, আমরা বুঝতেই পারছি না চিনাদের নিয়ে আমাদের কী করা উচিত।” রীতিমতো আক্রমণাত্বক সুরে ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা বলছেন,”বিসিসিআই (BCCI) সমস্ত চিনা স্পনসর ধরে রাখল। এরপর চিনারা জেনে যাবে, যে ওদের স্পনসরশিপ ছাড়া আমরা চলতে পারব না। অথচ কিছু নির্বোধ মানুষ নিজেদের চিনা টিভিগুলি ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল।”

[আরও পড়ুন: আইপিএল ১৩ আয়োজনে সবুজ সংকেত দিল কেন্দ্র, জেনে নিন ফাইনাল ম্যাচের দিনক্ষণ]

প্রসঙ্গত, ‘ভিভো’, ‘আলিবাবা’, ‘পেটিএম’-সহ সমস্ত চিনা সংস্থাই ভারতীয় ক্রিকেটে বড় অঙ্কের টাকা ঢালে। ভারতীয় বোর্ডের ‘সোনার হরিণ’ আইপিএলের টাইটেল স্পনসর ‘ভিভো’ (Vivo) । যা কিনা চিনা মোবাইল সংস্থা। শুধুমাত্র ভিভোই ফি বছর আইপিএল আয়োজনের জন্য বোর্ডকে দেয় ৪৪০ কোটি টাকা। পাঁচ বছরে মোট ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার চুক্তি আছে সংস্থাটির সঙ্গে। এ ছাড়াও খুচখাচ কিছু চিনা সংস্থা ভারতীয় ক্রিকেট টিমের সঙ্গে জড়িত। করোনার জেরে এই মুহূর্তে বিশ্ব অর্থনীতি এমনিতেই দুর্দিনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। একই অবস্থা ক্রিকেট জগতেরও। এই অবস্থায় যদি চিনা স্পনসরদের বাতিল করতে হয়, তাহলে নতুন করে ওই বিপুল অঙ্কের স্পনসরশিপ জোগাড় করাটা বোর্ডের পক্ষে সহজ হত না। সম্ভবত সেকারণেই এবছরের জন্য চিনা স্পনসরদের রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement