Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Cricket

টানটান ম্যাচে ভবানীপুর ক্লাবকে হারিয়ে পি সেন ট্রফির চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান

দুর্দান্ত পারফরম্যান্স বাগান ক্রিকেটার শাকিরের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৩, ২২:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৩, ২২:৩৪

options
link
টানটান ম্যাচে ভবানীপুর ক্লাবকে হারিয়ে পি সেন ট্রফির চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান zoom
ছবি: দেবাশিস সেন।

স্কোর:

ভবানীপুর ক্লাব – ৩৫২/৭ (৪৯ ওভার)
মোহনবাগান – ৩৫৩/৯ (৪৯ ওভার)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৬ বছর পর ঐতিহাসিক ম্যাচ। আর সেই ম্যাচে টানটান লড়াই মোহনবাগান (Mohun Bagan) বনাম ভবানীপুরের। পি সেন ট্রফির (P Sen Trophy) ফাইনালে ভবানীপুরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন (Champion) হল মোহনবাগান। ২২ গজের লড়াইয়ে জয়লাভ করে সবুজ মেরুন শিবিরে খুশির হাওয়া। ইডেনে (Eden Gardens) দিন-রাতের ম্যাচে ভবানীপুরের ৩৫৩ রান তাড়া করে শেষ মুহূর্তে প্রত্যাশিত জয় এনে দিলেন বাগানের ক্রিকেটাররা।

ছবি: দেবাশিস সেন।

দুর্দান্ত পারফরম্যান্স মোহনবাগানের শাকিরের। তাঁর ১৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংসেই জয়ের রাস্তা আরও সহজ হল বাগানের পক্ষে। ৬০ রানে ৩ উইকেট তুলে প্রশংসা কুড়িয়েছেন মোহনবাগানের বোলার সুনীল দালাল। অন্যদিকে, ভবানীপুরের হয়ে বড় রান করেছেন অভিষেক রমন (৭৪) ও অনুষ্টুপ মজুমদার (৭১)। 

[আরও পডুন: নেপালের বিরুদ্ধে সহজ জয়, SAFF চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ চারে ভারত]

শনিবার প্রথমে ব্যাট করে ভবানীপুর ৭ উইকেটে তোলে ৩৫২ রান। অভিষেক রমন (৭৪), অনুষ্টুপ মজুমদার (৭১), চিরাগ জনি (অপরাজিত) ৬০ ছাড়া সেভাবে কোনও ব্যাটসম্যান ক্রিজে দাপট দেখাতে পারেননি। বিশেষত ওপেনার অভিষেক ঘোষ মাত্র ১ রানে আউট হয়ে যাওয়ায় শুরুতেই টেনশন বাড়ে ভবানীপুরের। তবে শুরুর দিকে তিন ক্রিকেটার ও শেষদিকে ঋষি ধাওয়ান (২৮ বলে ৪১ রান) ও জেসল কারিয়ার (১৬ বলে অপরাজিত ৩৭ রান) যুগলবন্দিতে সাড়ে তিনশো রানের গণ্ডি পেরয় ভবানীপুর। বাগানের তরফে সুনীল দালাল ৬০ রানে ভবানীপুরের ৩ উইকেট তুলে নেন।

[আরও পডুন: ফের জাতীয় দল থেকে বাদ, মুখ খুললেন সরফরাজ, ‘আর রনজি খেলো না’, পরামর্শ গাভাসকরের]

এরপর ৩৫৩ রানের টার্গেট নিয়ে খেলা শুরু করে মোহনবাগান। শুরুতেই শাকিরের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে গুটিয়ে যায় ভবানীপুরের বোলিং লাইন আপ। ওপেনার ললিত যাদব করেন ৪৫ রান। শাকির আউট হন ১৫৭ রানে। রাজকুমার পাল ভবানীপুরের হয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন। ৬ বছর পর পি সেন ট্রফির চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় খুশির আমেজ বাগান শিবিরে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.