Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
Cricket Canada

কানাডা ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিষ নিঃশ্বাস! খলিস্তানিদের মদত দিতে নয়া চক্রান্তের হদিস

আরও গুরুতর অভিযোগে বিদ্ধ কানাডা ক্রিকেট। এক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনের দাবি, ক্রিকেট কানাডার সঙ্গে পাকিস্তানি গোয়েন্দা ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠী, স্ট্রিট গ্যাং এবং ম্যাচ ফিক্সিং চক্রের একটি গভীর যোগসূত্র রয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ১৫:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ১৫:৩৮

options
link
কানাডা ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিষ নিঃশ্বাস! খলিস্তানিদের মদত দিতে নয়া চক্রান্তের হদিস zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

আরও গুরুতর অভিযোগে বিদ্ধ কানাডা ক্রিকেট। এক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনের দাবি, ক্রিকেট কানাডার সঙ্গে পাকিস্তানি গোয়েন্দা ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠী, স্ট্রিট গ্যাং এবং ম্যাচ ফিক্সিং চক্রের একটি গভীর যোগসূত্র রয়েছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রের মতে, পরিকল্পিতভাবে ক্রিকেট কানাডার প্রশাসনিক কাঠামো ‘হাইজ্যাক’ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কানাডা ক্রিকেট বোর্ডের আয় করা টাকা গোপনে ঘুরপথে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সেই টাকা নাকি ভারতবিরোধী কাজ, বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপ এবং বিদেশে বসবাসকারী কিছু চরমপন্থী গোষ্ঠীকে সাহায্য করতে ব্যবহার করা হচ্ছে।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, বিলাল চিমা নামে এক লবিস্ট, যিনি পাকিস্তানের আইএসআই-এর ঘনিষ্ঠ, তিনি নেপথ্যে থেকে তার কাকা আমজাদ বাজওয়াকে কানাডা ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সভাপতি করতে সাহায্য করেন। অভিযোগ, এই নিয়োগের মাধ্যমে বোর্ডের ভেতরে অবৈধ অর্থ লেনদেনের রাস্তা তৈরি হয়। এদিকে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ চিমা বর্তমানে কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার সারে শহরে চলতি বছরের অক্টোবরের পুরসভা নির্বাচনে ‘সারে ফার্স্ট’ দলের হয়ে কাউন্সিলর পদে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

Advertisement

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, বিলাল চিমা নামে এক লবিস্ট, যিনি পাকিস্তানের আইএসআই-এর ঘনিষ্ঠ, তিনি নেপথ্যে থেকে তার কাকা আমজাদ বাজওয়াকে কানাডা ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সভাপতি করতে সাহায্য করেন। অভিযোগ, এই নিয়োগের মাধ্যমে বোর্ডের ভেতরে অবৈধ অর্থ লেনদেনের রাস্তা তৈরি হয়।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, কানাডার ক্রিকেট প্রশাসনের ভেতরে আইএসআই-সমর্থিত একটি বড় চক্র সক্রিয়। যারা বিভিন্ন প্রশাসনিক ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে অর্থ সরিয়ে নিচ্ছে। যদিও জানা গিয়েছে, উগ্রপন্থা বা খলিস্তানি ফান্ডিংয়ের সঙ্গে ক্রিকেট প্রশাসনের সরাসরি যোগ নেই। তবুও ক্রিকেটের অর্থই এই নেটওয়ার্কের অর্থের উৎস হিসাবে কাজ করছে। তদন্তে পাকিস্তানভিত্তিক গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টির নাম উঠে এসেছে। যাকে এই বড়সড় আর্থিক জালিয়াতির মূল হোতা বলে মনে করা হচ্ছে।

অভিযোগের মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল থেকে পাওয়া ফান্ডের অপব্যবহার, পাকিস্তান থেকে খেলোয়াড় ও কোচ আনার নামে দুর্নীতি, হোটেল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে নিয়মিত প্রতারণা ইত্যাদি। এছাড়া প্রাক্তন সিইও সলমন খানের আমলে হওয়া একাধিক আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধে চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। জানা গিয়েছে, সেই অর্থের একটি অংশ শেষ পর্যন্ত ভারতবিরোধী কার্যকলাপে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি কতটা বিপজ্জনক, তা বোঝা যাচ্ছে একাধিক হামলার ঘটনায়। সম্প্রতি সারে শহরে এক ক্রিকেট কর্তার বাড়িতে গুলি চালানো হয়েছে। ক্যালগেরিতেও এক বোর্ড সদস্যকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। ফলে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

অভিযোগের মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল থেকে পাওয়া ফান্ডের অপব্যবহার, পাকিস্তান থেকে খেলোয়াড় ও কোচ আনার নামে দুর্নীতি, হোটেল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে নিয়মিত প্রতারণা ইত্যাদি।

এদিকে আইসিসি’র দুর্নীতি দমন শাখা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কানাডা ও নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ নিয়েও গড়াপেটার অভিযোগ উঠেছে। এক গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, “কানাডার ক্রিকেটকে বেআইনি টাকা ও নাশকতার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। যা খুবই চিন্তার বিষয়।” আরও এক কর্মকর্তার দাবি, “ম্যাচ ফিক্সিং থেকে পাওয়া টাকা জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার হচ্ছে। তদন্তে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে।” সব মিলিয়ে, এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে খেলাধুলার প্রতি মানুষের বিশ্বাস কমে যেতে পারে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.