সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইতিহাসে কনিষ্ঠতম হিসাবে আইসিসি চেয়ারম্যান হয়েছেন জয় শাহ। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করেননি আর কোনও বোর্ড কর্তা। কিন্তু জয় শাহকে আইসিসির সর্বোচ্চ পদে দেখে মোটেও খুশি নয় পাকিস্তান। সেই কারণেই আইসিসির প্রত্যেক সদস্যের ভোট পেলেও পিসিবির ভোট পড়েনি জয় শাহর ঝুলিতে। সূত্রের খবর, চেয়ারম্যান নির্বাচনের সময়ে স্রেফ ‘নির্বাক দর্শক’ হয়ে বসেছিলেন পাক বোর্ডের প্রতিনিধি।
বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার বর্তমান চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে আর পদে থাকতে আগ্রহী ছিলেন না। তার পরই চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেন বর্তমান বিসিসিআই সচিব। তবে এই পদের নির্বাচনে মনোনয়ন দেননি আর কোনও বোর্ড কর্তা। মঙ্গলবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। সময়সীমার মধ্যে আর কোনও প্রার্থীই মনোয়ন দেননি। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জয় শাহ।
[আরও পড়ুন: কাটল জট, ইনভেস্টরদের সঙ্গে চুক্তি সই মহামেডানের]
অন্য কোনও প্রার্থী না থাকায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হয়নি। তা সত্ত্বেও প্রায় প্রত্যেকটি দেশের সমর্থন পেয়েছেন জয় শাহ। বর্তমানে আইসিসির সদস্য ১৬টি দেশ। তার মধ্যে ১৫টি দেশই সমর্থন করেছে শাহকে। ব্যতিক্রম কেবল পাকিস্তান। মঙ্গলবার আইসিসি সভায় উপস্থিত এক সূত্রের দাবি, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের ভূমিকা ছিল কেবল নির্বাক দর্শক হয়ে থাকা। কোনও উচ্চবাচ্য করেননি পাক বোর্ডের প্রতিনিধি।
যদিও পাকিস্তানের সমর্থন শাহের প্রয়োজন ছিল না। কারণ অন্যান্য সদস্য দেশগুলো একমত হয়েই চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। কিন্তু পাকিস্তান একেবারে নিস্পৃহ ভূমিকা পালন করেছে গোটা বৈঠকে। এই বিষয়টি নিয়ে কোনও পক্ষই প্রকাশ্যে মুখ খোলেনি। তবে আইসিসির তরফে ধরে নেওয়া হয়েছে, যেহেতু পাকিস্তানের তরফে কোনও বিরোধিতা হয়নি তাই জয় শাহকে চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে তাদের কোনও আপত্তি নেই।
[আরও পড়ুন: ইউটিউবে রোনাল্ডোর সাতকাহন, কোন সাত কারণে সিআর সেভেনের চ্যানেলে বুঁদ ভক্তরা?]
সর্বশেষ খবর
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক
-
মমতার জন্যই ধ্বংস ইন্ডিয়া জোট, নীতীশের এনডিএ যোগের নেপথ্যেও কালীঘাট! প্রকাশ্যে রিপোর্ট
-
জমি দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগ! পুলিশের জালে তৃণমূলের আরও এক প্রাক্তন বিধায়ক
-
যুদ্ধের ধাক্কায় বেসামাল, ফুরিয়ে এসেছে অস্ত্র! এবার হার মানবে ইরান?