BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘ভাঙা হাঁটু নিয়েই গোটা বিশ্বকাপ খেলেছি’, দুঃসহ যন্ত্রণার কথা শোনালেন মহম্মদ শামি

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: April 16, 2020 11:11 am|    Updated: April 16, 2020 11:11 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুস্থ ছিলেন না। ছিলেন যন্ত্রণায় কাতর। ঝুঁকি ছিল অকালে কেরিয়ার শেষ হয়ে যাওয়ার। তবু দেশের জন্য খেলেছেন প্রতিটা ম্যাচ। ২০১৫ বিশ্বকাপের (2015 ICC Cricket World Cu) অজানা যন্ত্রণার কথা শোনালেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সেরা পেসার মহম্মদ শামি (Mohammed Shami)।

Shami

 

২০১৫ বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা বোলার ছিলেন শামি। নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমেই আলোড়ন ফেলে দেন ভারতীয় দলের এই পেসার। ৭ ম্যাচে ১৭টি উইকেট শিকার করেন তিনি। গড় ছিল মাত্র ১৭.২৯। ভারতীয়দের মধ্যে শামি ছিলেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক। গোটা বিশ্বকাপে উইকেট সংখ্যার নিরিখে ছিলেন চতুর্থ। এহেন সাফল্য তিনি অর্জন করেছেন ভাঙা হাঁটু নিয়েই। এমনকী, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালও খেলেছেন আনফিট অবস্থায়। ইরফান পাঠানের সঙ্গে এক ইনস্টাগ্রাম চ্যাটে এসব কথা ফাঁস করেছেন টিম ইন্ডিয়ার পেসার।

[আরও পড়ুন: ‘ওঁরা খুব কষ্টে আছেন’, পরিযায়ী শ্রমিকদের সাহায্যার্থে এগিয়ে এলেন মহম্মদ শামি]

শামি বলছিলেন, “বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই আমার হাঁটু ভেঙে যায়। আমার হাঁটু আর ঊরু যেন সমান সমান হয়ে গেছিল। চিকিৎসকরা প্রতিদিন আমার হাঁটু থেকে রস বের করতেন। দিনে তিনটে করে বেদনানাশক ওষুধ খেতাম তখন। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরে আর হাঁটতে পারতাম না। গোটা বিশ্বকাপটা খেলেছি ফিজিও নীতীন প্যাটেলের দেওয়া আত্মবিশ্বাসে।” ইরফান পাঠানকে শামি জানান, ধোনি বিশ্বাস রেখেছিলেন বলেই গোটা টুর্নামেন্ট খেলতে পেরেছেন তিনি। টিম ইন্ডিয়ার পেসার বলেন,”সেমিফাইনালের আগে আমি আমার সতীর্থদের জানিয়েছিলাম, আর নিতে পারছি না। ভীষণ যন্ত্রণা হচ্ছে। তখন টিম ম্যানেজমেন্ট বলে, সব ঠিক হয়ে যাবে।”

[আরও পড়ুন: আইপিএলের জন্য এশিয়া কাপ বাতিল নয়, সাফ বার্তা পাক বোর্ড চেয়ারম্যানের]

ধোনির (MS Dhoni) প্রশংসা করে শামি বলেন, ‘মাহি ভাই আর টিমের সবাই আমাকে আত্মবিস্বাস যোগাতো। সেমিফাইনালে প্রথম ৫ ওভারে আমি মাত্র ১৩ রান দিই, একটা উইকেট পায়। কিন্তু তারপর মাহিভাইকে বলি, আমি আর বল করতে পারব না কারণ আমি হাঁটতে পারছি না। কিন্তু মাহিভাই বলেন, আমি তোমাকে বিশ্বাস করি। আমি একটা ইঞ্জেকশন নিয়ে এসে আবারও বল করি।’ শামি জানিয়েছেন, অনেকেই তাঁকে ওই অবস্থায় না খেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এতে কেরিয়ার শেষ হয়ে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু দেশের জন্য তিনি খেলা চালিয়ে যান।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement