Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Sourav Ganguly

ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ, কোচিং অভিষেকে খেতাব জয় অধরাই থাকল সৌরভের

দক্ষিণ আফ্রিকার টি-২০ লিগের ফাইনালে উঠেও সৌরভের কোচিংয়ে থাকা প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালস হেরে গেল। একটা সময়ে জেতার মতো পরিস্থিতি থাকলেও শেষ পর্যন্ত তীরে এসেই ডুবল প্রিটোরিয়ার তরী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ২৩:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ২৩:১৯

options
link
ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ, কোচিং অভিষেকে খেতাব জয় অধরাই থাকল সৌরভের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

২০০৩ বিশ্বকাপে তাঁর নেতৃত্বে ভারত রূপকথা লিখেছিল। প্রবল লড়াই করে ফাইনালের টিকিট ছিনিয়ে নিলেও মেন ইন ব্লুর স্বপ্নপূরণ হয়নি। ক্রিকেটদেবতার ‘অভিশাপে’ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারতের গল্পটা ট্র্যাজিক হয়ে থেকে যায়। ২৩ বছর পর আরও একবার ট্র্যাজিক নায়কের আসনটা বরাদ্দ হল মহারাজের জন্যই। দক্ষিণ আফ্রিকার টি-২০ লিগের ফাইনালে উঠেও সৌরভের কোচিংয়ে থাকা প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালস হেরে গেল। একটা সময়ে জেতার মতো পরিস্থিতি থাকলেও শেষ পর্যন্ত তীরে এসেই ডুবল প্রিটোরিয়ার তরী।

এই প্রথমবার কোচের হটসিটে বসেছেন প্রিন্স অফ ক্যালকাটা। টুর্নামেন্ট শুরুর দিকে অনেক ঝড়ঝাপটা গিয়েছে তাঁর দলের উপর দিয়ে। কিন্তু তিনি যে ‘কামব্যাক কিং’। পরপর দুই ম্যাচ হারার পর দলের মনোবল ভাঙতে দেননি। সেখান থেকে টানা ম্যাচ জিতে ফাইনালে। যে দলটা গত দু’বছর ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগছিল, সেই দলটার ড্রেসিংরুমে আমূল বদল আনেন ‘দাদা’। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দাবিদার হিসাবে গড়ে তোলেন প্রিটোরিয়াকে।

Advertisement

সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিলেন কেশব মহারাজরা। যদিও কেশব এদিন টস হারেন। তবে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলেন প্রিটোরিয়ার তরুণ তুর্কি ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। শূন্য রানে প্রথম উইকেট পড়ে যাওয়ার ধাক্কাকে পরোয়া না করে মাত্র ৫৬ বলে ১০১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন তিনি। তবে উইকেটের অপর প্রান্ত থেকে একেবারেই সাহায্য মেলেনি। দুই অঙ্কের রানে পৌঁছন মাত্র দু’জন ব্যাটার। প্রিটোরিয়ার ইনিংস শেষ হয় ১৫৮ রানে।

কম রানের পুঁজি নিয়েও সমানে সমানে টক্কর দেয় প্রিটোরিয়া বোলিং লাইন আপ। মাত্র ৪৮ রানের মধ্যে সানরাইজার্সের চার উইকেট ফেলে দেন লুনগি এনগিডিরা। তবে সেখান থেকে ম্যাচের হাল ধরে ফেলেন ম্যাথিউ ব্রেটস্কি এবং ট্রিস্তান স্টাবস। ১১৪ রানের জুটি গড়ে সানরাইজার্সকে জিতিয়ে দেন। দুরন্ত কামব্যাক করে ফাইনালে ওঠা, খেতাবি যুদ্ধে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করা-সবকিছুর শেষে প্রিটোরিয়ার চ্যাম্পিয়ন হওয়া হল না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.