জম্মু ও কাশ্মীর: ৫৮৪/১০ ও ৩৪২/৪ (ডিক্লেয়ার)
কর্নাটক: ২৯৩/১০
প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে জয়ী জম্মু ও কাশ্মীর
রনজি ট্রফিতে (Ranji Trophy) ইতিহাস। প্রথমবার দেশের সেরা হল জম্মু ও কাশ্মীর। কর্নাটকের বিরুদ্ধে দুই ইনিংসেই রানের পাহাড়ে বসেছিলেন আকিব নবিরা। পঞ্চম দিনে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই হার মানে ময়ঙ্ক আগরওয়াল, কেএল রাহুলদের কর্নাটক। জম্মু ও কাশ্মীর ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৪২ রান করার পর ডিক্লেয়ার দেয়। পঞ্চম দিনে সরাসরি জয় বা ড্র হলেও জয়ের কোনও সম্ভাবনা ছিল না কর্নাটকের কাছে। দেবদত্ত পাড়িক্কলদের বিরুদ্ধে ম্যাচের সমাপ্তি ঘোষণা করতেই ভাংরা নাচ শুরু পরশ ডোগরাদের। গ্যালারিতে উপস্থিত জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাও আনন্দে উদ্বেল হয়ে ওঠেন।
রনজি ফাইনালে প্রথম ব্যাট করতে নেমে ৫৮৪ রানের পাহাড় গড়ে জম্মু-কাশ্মীর। সেঞ্চুরি করেন শুভম পুণ্ডির। কঠিন ম্যাচে ব্যাটাররাই দলকে সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছিল। বোলাররা ফাঁস আরও শক্ত করে চেপে ধরেন। নেপথ্যে সেই আকিব। ৫৪ রান দিয়ে তুলে নেন ৫ উইকেট। সব মিলিয়ে উইকেট সংখ্যা ৬০। টুর্নামেন্টের সেরাও হন তিনি। কর্নাটকের হয়ে একমাত্র লড়াই চালান ময়ঙ্ক আগরওয়াল। কেএল রাহুল, করুণ নায়ার, দেবদত্ত পাড়িক্কলের মতো তারকাদের কেউই রান পাননি। সেখানে ময়ঙ্ক একা ১৬০ রান করে যান। তাদের ইনিংস শেষ হয় ২৯৩ রানে।
আরও পড়ুন:
Historic.Emotional.Unforgettable.🏆
JammuKashmir lifts Ranji Trophy for 1st time ever!What a monumental achievement for region,players who dared to dream,& every youngster who believes cricket can change their story.Congratulations, champions! ❤️🏏 #RanjiTrophy #JammuAndKashmir pic.twitter.com/LmQySb67nE
— Hamaad حماد (@ashrafhamaad) February 28, 2026
পঞ্চম দিনের ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। কামরান ইকবাল এদিন সেঞ্চুরি পূরণ করেন। জম্মু ও কাশ্মীর যেন অপেক্ষা করছিল সাহিল লোতরার সেঞ্চুরির জন্য। শনিবারের ভরদুপুরে কর্নাটকের বোলারদের পিষে দিয়ে সেঞ্চুরি পূরণ করার পরই ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৪২ রানে জম্মু ও কাশ্মীর ডিক্লেয়ার ঘোষণা করে। ম্যাচের সমাপ্তিও হয়ে যায় সেখানে। তার সঙ্গে প্রথমবার ‘ভারতসেরা’ হল জম্মু ও কাশ্মীর। তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আইসিসি প্রধান জয় শাহ।

এর আগে কোনও বার রনজির সেমিফাইনালে যেতে পারেনি বিসিসিআইয়ের সভাপতি মিঠুন মানহাসের রাজ্য। আর এবার নকআউট মধ্যপ্রদেশ-বাংলাকে হারিয়েছে। ফাইনালে কর্নাটক যথেষ্ট শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। জাতীয় দলের প্রাক্তন ও বর্তমান প্লেয়ারে বোঝাই। সেখানে আব্দুল সামাদ, যুধবীর সিংরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উপত্যকার স্বপ্নপূরণ করতে লড়ে যান। আর কর্নাটকের ঘরের মাঠ হুবালিতেই ইতিহাস গড়ল অজয় শর্মার প্রশিক্ষণাধীন ক্রিকেটাররা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক