Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Ranji Trophy

‘তিনশোর আক্ষেপ মাথায় রাখছি না’, রনজির সেমির ভাবনা শুরু ২৯৯ রানে আউট হওয়া সুদীপের

রনজি ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসাবে ২৯৯ রানে আউট হয়েছেন বাংলার সুদীপ কুমার ঘরামি। অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে এক রানের জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি হারিয়ে বসে পড়েছেন মার্টিন ক্রো-মতো কিংবদন্তির পাশে।

Advertisement
শিলাজিৎ সরকার
শিলাজিৎ সরকার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৪:৪৪

link
শিলাজিৎ সরকার
শিলাজিৎ সরকার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৪:৪৪

options
link
‘তিনশোর আক্ষেপ মাথায় রাখছি না’, রনজির সেমির ভাবনা শুরু ২৯৯ রানে আউট হওয়া সুদীপের zoom
রনজিতে ডবল সেঞ্চুরির পর সুদীপ কুমার ঘরামি। ছবি: সংগৃহীত

রনজি ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসাবে ২৯৯ রানে আউট হয়েছেন তিনি। অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে এক রানের জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি হারিয়ে বসে পড়েছেন মার্টিন ক্রো-মতো কিংবদন্তির পাশে। তবে তা নিয়ে হতাশা নেই। বরং তিনি অখুশি অন্য কারণে! সব কিছু নিয়ে সোমবার কল্যাণীতে ‘সংবাদ প্রতিদিন’-কে সাক্ষাৎকার দিলেন সুদীপ ঘরামি।

প্রশ্ন: কোয়ার্টার ফাইনালে ৯৩০ মিনিট ব্যাটিং করেছেন। একদিকে ফোকাস ধরে রাখা। অন্যদিকে শারীরিক চাপ। কীভাবে ভারসাম্য রাখলেন?

Advertisement

সুদীপ: চ্যালেঞ্জটা বেশি মানসিক ছিল। কারণ শরীর ক্রমেই ক্লান্ত হচ্ছিল, ক্র্যাম্প ধরছিল। তাই নিজেকে বোঝাচ্ছিলাম, হাল ছাড়লে চলবে না। ভবিষ্যতে এমন অবস্থা যাতে না হয়, নিজেকে সেটাই বলছিলাম। এমন হতেই পারে যে সেমিফাইনালে এমন কোনও ইনিংস খেলতে হল। তাই নিজেকে পুশ করছিলাম। যাতে আমার ব্যাটিংয়ে বা দলের পারফরম্যান্সে কোনও প্রভাব না পরে। নিজেকে বার বার বলছিলাম, যা-ই হয়ে যাক হাল ছাড়া যাবে না!

প্রশ্ন: ইনিংসের শুরুটা বাংলার ভালো হয়নি। স্কোর বোর্ডের চাপ ছিল আপনার উপর?

সুদীপ: আমার উপর তেমন চাপ ছিল না। দলের তরফে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। যেমন বাইরের বল যেন তাড়া না করি, বাউন্সার ডাক করি। কারণ ওরা লেগ সাইডে ফিল্ডার রেখে শর্ট বল করছিল। সবাই বলে দিয়েছিল, ফাঁদে পা দেওয়া চলবে না। তাই কিছু শট খেলতে যাইনি।

প্রশ্ন: মার্টিন ক্রো-র মতো কিংবদন্তি লাল বলের ফরম্যাটে ২৯৯ রানে আউট হয়েছেন। আপনি একটা দুঃখের রেকর্ড গড়ে তাঁর সঙ্গে এক সারিতে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনশো হাতছাড়া করে আক্ষেপ নেই?

সুদীপ: তিনশো একটা ল্যান্ডমার্ক। সেটা পার করতে পারলে ভালোই লাগত। কিন্তু আমার কাছে দল সবার আগে। যে ২৯৯ রান করেছি সেটা দলের কতটা কাজে লেগেছে, তা গুরুত্বপূর্ণ। সত্যি বলতে তিনশো না করতে পারার বিষয়টা আর আমার মাথায় নেই।

প্রশ্ন: সত্যিই কোনও খারাপ লাগা নেই?

সুদীপ: নিজে তিনশো না করতে পারা নিয়ে নেই। তবে অন্য একটা বিষয়ে আছে।

প্রশ্ন: কী নিয়ে?

সুদীপ: আমি আরও বেশি সময় ব্যাট করলে, আমাদের দলের বোলাররা একটু হলেও বেশি বিশ্রামের সময় পেত। বিশেষত আকাশ দীপ। ওর শরীর ভালো না, জ্বর হয়েছে। আমাদের ইনিংস শেষ না হলে ওকে এখনই বল করতে হত না। ভালোভাবে রিকভারি করে ফিরতে পারত। তাই মনে হচ্ছে আমি আরও কিছুক্ষণ ব্যাট করতে পারলে ভালো হত। এই ম্যাচটা শেষ হওয়ার পর খুব বেশি সময় নেই সেমিফাইনালের আগে। তাই এই ম্যাচে আমরা যত কম বল করব, বোলারদের জন্য তত ভালো।

আমি আরও বেশি সময় ব্যাট করলে, আমাদের দলের বোলাররা একটু হলেও বেশি বিশ্রামের সময় পেত। বিশেষত আকাশ দীপ। ওর শরীর ভালো না, জ্বর হয়েছে।

প্রশ্ন: সেমিফাইনালের ভাবনা শুরু করে দিয়েছেন দেখছি। জম্মু-কাশ্মীরকে প্রতিপক্ষ হিসেবে কীভাবে দেখছেন?

সুদীপ: রনজি সেমিফাইনালে ওঠার অর্থ দেশের সেরা চারটে টিমের মধ্যে অন্যতম। তার উপর আবার মধ্যপ্রদেশের মতো দলকে হারিয়ে আসছে ওরা। উপভোগ্য লড়াই হবে আশা করছি। তবে আমরাও তৈরি। ওদের আকিব নবি প্রচুর উইকেট নিচ্ছে ঠিকই। তবে আমাদের পেস বোলিং এই মুহূর্তে দেশের সেরা লাইন আপ।

প্রশ্ন: অন্ধ্র ম্যাচ তো একপ্রকার শেষ। আর কিছু ভাবছেন এই ম্যাচ নিয়ে?

সুদীপ: আপাতত একটাই ভাবনা। যত দ্রুত সম্ভব ম্যাচটা শেষ করতে হবে। তাতে আমাদের বোলাররা সেমিফাইনালের আগে একটু বেশি বিশ্রামের সময় পাবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.