মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ১৫৪/৬ (সজীবন সজনা ৪৫, নিকোলা ক্যারি ৪০, ডি ক্লার্ক ২৬/৪)
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু: ১৫৭/৭ (ডি ক্লার্ক ৬৩*, গ্রেস হ্যারিস ২৫, অ্যামেলিয়া কের ১৩/২)
৩ উইকেটে জয়ী আরসিবি।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম ডব্লিউপিএলের স্লোগান ছিল ‘পেহচান’। সেখানে মহিলা ক্রিকেটারদের পরিচয় দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আজ মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগের চতুর্থ মরশুমে ছবিটা অনেকটাই আলাদা। এখন গোটা বিশ্ব চেনে হরমনপ্রীত কৌর, স্মৃতি মন্ধনাদের। দু’মাস আগেই তাঁরা সতীর্থ ছিলেন। দেশের হয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জেতার পর আসমুদ্রহিমাচলে তাঁরা বন্দিত। তবে শুক্রবার থেকে আগামী এক মাস তাঁরা প্রতিপক্ষ। দুই বিশ্বজয়ী ডব্লিউপিএলের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হলেন। প্রথম ম্যাচেই সেয়ানে সেয়ানে লড়াই দেখলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। পেণ্ডুলামের মতো দুলতে থাকা ম্যাচে ব্যাটে-বলে কামাল করলেন ডি ক্লার্ক। তাঁর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ভর করেই ৩ উইকেটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারাল আরসিবি।
শুক্রবার ম্যাচের আগে নবি মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে হল জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। জ্যাকলিনের নাচ থেকে হানির র্যাপ প্রত্যক্ষ করলেন নবি মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামের হাজার হাজার দর্শক। এমন একটা ম্যাচে টস জিতে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠালেন আরসিবি অধিনায়ক স্মৃতি মন্ধানা। শুরুতে আরসিবি’র আঁটসাঁট বোলিংয়ের সামনে সমস্যায় পড়ে মুম্বই। ইংরেজ তারকা লরেন বেলের প্রথম ওভারটাই মেডেন। গুণানন কমলিনী বেশ ভালোই খেলছিলেন।
অন্য ওপেনার অ্যামেলিয়া কের সাজঘরে ফেরেন মাত্র ৪ রানে। তিনে নামা নাতালি সিভার (৪) ব্যর্থ। সেট হয়ে আউট হন গুণানন (৩২)। হরমনপ্রীত পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও ২০-র বেশি করতে পারেননি মুম্বই অধিনায়ক। তবে ছোট্ট এই ইনিংসে নজিরও গড়েছেন হ্যারি। উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় শেফালি বর্মার ৮৬৫ রান টপকে শীর্ষে উঠে গেলেন মুম্বই অধিনায়ক। তাঁর নামের পাশে এখন ৮৭১ রান। এরপর কিউয়ি তারকা নিকোলা ক্যারি (৪০) এবং সজীবন সজনা (৪৫) মিলে আরসিবি’কে ১৫৪ রানে পৌঁছে দেন। তাঁদের জুটিতে ওঠে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৮২ রান। বেঙ্গালুরুর হয়ে প্রোটিয়া তারকা নাদিন ডি ক্লার্ক নেন ২৬ রানে ৪ উইকেট। বেল এবং শ্রেয়াঙ্কা পাটিলের শিকার ১টি করে উইকেট।
জবাবে ঝোড়ো শুরু করেন বেঙ্গালুরু ওপেনাররা। যদিও ১৩ বলে ১৮ রানে সাজঘরে ফেরেন স্মৃতি। প্রোটিয়া পেসার শবনিম ইসমাইলকে তুলে মারতে গিয়ে পুনাম খেমনারের হাতে ধরা পড়েন তিনি। ১২ বলে ২৫ রানে ইনিংস খেলে ফেরেন গ্রেস হ্যারিসও। এরপর দ্রুত ব্যবধানে উইকেট খোয়াতে থাকে আরসিবি। দয়ালন হেমলতা (৭), বাংলার রিচা ঘোষ (৬), রাধা যাদব (১) কেউই রান পাননি। একটা সময় ৬৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়া আরসিবি’র হাল ধরেন নাদিন ডি ক্লার্ক এবং অরুন্ধতী রেড্ডি (২০)। তাঁদের জুটিতে ওঠে ৫২ রান। এরপর শ্রেয়াঙ্কা পাটিল (১) ক্লার্কের সঙ্গ দিতে পারলেন না।
যদিও একা কুম্ভ হয়ে লড়াই করে দলকে জয়ের সরণিতে পৌঁছে দিলেন প্রোটিয়া তারকা। দু’মাস আগে এই মাঠেই লড়াই করেও দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারেননি তিনি। হরমনপ্রীতের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছিলেন। শুক্রবার একই মাঠে ৬৩ রানে অপরাজিত থেকে সেই হরমনপ্রীতের হাত থেকেই ম্যাচ ছিনিয়ে নিলেন ডি ক্লার্ক। শিভার-ব্রান্টের শেষ ওভারে দু’টি ছক্কা এবং দু’টি চারের সাহায্যে ২০ রান (দরকার ছিল ১৮) তুলে প্রায় হারতে বসা ম্যাচে বেঙ্গালুরুকে জয়ের স্বাদ দিলেন তিনি। মুম্বইকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ডব্লিউপিএল শুরু করল আরসিবি।
সর্বশেষ খবর
-
ধর্ষণের পর গলায় লেগিংস পেঁচিয়ে খুন! দিনহাটার পাটক্ষেতে উদ্ধার নাবালিকার দেহ, ক্ষোভ গ্রামবাসীদের
-
‘সিস্টেম সঙ্গে নেই, এক বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না মোদি’, বিস্ফোরক দাবি রাহুলের
-
আগামী সপ্তাহেই ‘অপারেশন লোটাস’! ভাঙার অপেক্ষায় তৃণমূলের সংসদীয় দলও, তালিকায় কারা?
-
হাজিরা দিলেই গ্রেপ্তারির আশঙ্কা, মেসি কাণ্ডে সমন এড়ালেন ‘অসুস্থ’ অরূপ বিশ্বাস, ক্ষুব্ধ শতদ্রু
-
আধুনিকীকরণের স্বার্থেই যাদবপুর-বাঘাযতীনে হকার উচ্ছেদ! তৃণমূলের ১৫ বছরের কাটমানির হিসেব চাইলেন শর্বরী