Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Bangladesh

সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পেলেও ভারতে আসতে নারাজ! নতুন ‘অজুহাত’ খুঁজছে বাংলাদেশ

এবার কী যুক্তি দিচ্ছে বিসিবি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৮:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৮:১৬

options
link
সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পেলেও ভারতে আসতে নারাজ! নতুন ‘অজুহাত’ খুঁজছে বাংলাদেশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশ যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসবে না, সেটা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তাদের ম্যাচ অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার আর্জি জানিয়ে আইসিসি’কে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। নিরাপত্তার বিষয়টাকেই গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ বোর্ড। তবে ভারতকে প্যাঁচে ফেলতে বর্তমানে নতুন নতুন যুক্তি খুঁজছে তারা। বাংলাদেশ সংবাদমাধ্যমের খবর রাষ্ট্রনেতাদের মতো নিরাপত্তা পেলেও নাকি মুস্তাফিজুররা এদেশে আসতে চান না।

ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ঘটনাচক্রে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো পড়েছে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। অর্থাৎ কেকেআরের ঘরের মাঠে। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভারতে খেলতে রাজি নয় বাংলাদেশ বোর্ড। ইউনুস সরকারের চাপে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড। যতক্ষণ না আইসিসি’র তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হচ্ছে, ততক্ষণ এই নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই। বর্তমান আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পুত্র। ফলে আইসিসি’র সিদ্ধান্তের দিকেই আপাতত নজর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই পরিস্থিতিতে পালটা চাল দিচ্ছে বিসিবি। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানিয়েছে, রাষ্ট্রনেতাদের মতো নিরাপত্তা পেলেও তারা এদেশে আসবে না। আইসিসির সঙ্গে নাকি এই নিয়ে বিসিবি’র কথাও হয়েছে। ওই সংবাদমাধ্যমের আরও দাবি বিসিসিআই নাকি আইসিসি’র মাধ্যমে বাংলাদেশ বোর্ডকে রাষ্ট্রনেতাদের মতো নিরাপত্তা দিতে চাইবে। সেটাতে রাজি নয় বিসিবি। বাংলাদেশ বোর্ডের এক কর্তা তাদের জানিয়েছে, “নিরাপত্তার বিষয়টি শুধু খেলোয়াড়দের নয়, যাঁরা বাংলাদেশ থেকে যাবেন তাঁদের সবার। তাঁদের নিরাপত্তা কে দেবে?”

তাহলে প্রশ্ন হল, নিরাপত্তার বিষয়টি কেন সামনে আনল বাংলাদেশ? যদি ভারত নিরাপত্তা দিতে রাজি হয়, তাহলে তো বাংলাদেশের সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তারপরও যদি আসতে রাজি না হয়, সেক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে ‘নিরাপত্তার’ বিষয়টিকে আসলে ভারতে না আসার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। যে কোনও ভাবে বিসিসিআইয়ের উপর চাপ তৈরি করাই তাদের মূল লক্ষ্য। একটা সম্ভাবনা শোনা যাচ্ছে, বাংলাদেশের ম্যাচ হয়তো শেষ মুহূর্তে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরিত হতে পারে। যাই হোক না কেন, ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে বিষয়টা খেলার বাইরে রাজনৈতিক চাপানউতোরে বেশি পরিণত হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.