২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

‘মনে হত আত্মহত্যা করি’, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের কথা শেয়ার করলেন উথাপ্পা

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: June 4, 2020 2:04 pm|    Updated: June 4, 2020 3:41 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবীন উথাপ্পা (Robin Uthappa)। ভারতীয় ক্রিকেটে অতি পরিচিত নাম। জাতীয় দলের হয়ে কেরিয়ার খুব একটা ঝলমলে না হলেও আইপিএল এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে অত্যন্ত সফল তিনি। কিন্তু এই উথাপ্পাকেই একসময় গ্রাস করেছিল অবসাদে। মানসিকভাবে এতটাই বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন যে, বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাই হারিয়ে গিয়েছিল। নিজের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের কথা বুধবার শেয়ার করলেন প্রাক্তন কেকেআর তারকা।

উথাপ্পা বলছেন, তরুণ বয়সে খেলার বাইরে থাকতে হলেই অবসাদে চলে যেতেন তিনি। এমনকী, কোনও সিরিজ চলাকালীনও যেদিন ম্যাচ থাকতো না, সেদিনও তাঁর মনে হত, ‘বারান্দা থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ি।’ শেষপর্যন্ত চিকিৎসকের পরামর্শে সুস্থ জীবনে ফিরতে পেরেছেন রবীন। এক সময় জাতীয় দলে নিয়মিত খেলা ব্যাটসম্যান বলছেন, কেরিয়ারের গোঁড়ার দিকে মাঝেমাঝেই আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে করত তাঁর। উথাপ্পার কথায়,”২০০৯ থেকে ২০১১ পর্যন্ত নিয়মিত আমাকে এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হত। মাঝে মাঝে এমন সময়ও এসেছে, যখন আমি ক্রিকেট নিয়েও ভাবতে পারতাম না। বারান্দায় বসে বসে মনে হত, যাই দৌড়ে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ি। আবার কিছু একটা ভেবে নিজেকে আটকে রাখতাম।” উথাপ্পা মেনে নিয়েছেন, ব্যাট হাতে নিয়মিত ব্যর্থতাই তাঁকে অবসাদের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। তিনি বলছেন,” জানিনা কেন, আমি কিছুতেই রান পাচ্ছিলাম না। আমি নেটে ঘণ্টার পর ঘন্টা ব্যাট করতাম। কিন্তু তাতেও লাভ হত না। আসলে আমার মধ্যে কিছু সমস্যা ছিল। যেটা আমি বুঝতে পারিনি।” উথাপ্পা বলছেন, মানুষ হিসেবে সেসময় নিজেকে বুঝে উঠতে পারতেন না তিনি। ধীরে ধীরে সময় গিয়েছে, অনেক লড়াই করে স্বাভাবিক স্বত্বায় ফিরেছেন প্রাক্তন কেকেআর তারকা।

[আরও পড়ুন: ২২ গজেই আছে সমাধান! পেসারদের জন্য লালারস ব্যবহারের বিকল্প বাতলে দিলেন কুম্বলে]

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয় উথাপ্পার। দেশের হয়ে ১৩টি টি-২০ এবং ৪৬টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন রবীন। তাঁর কেরিয়ারের হাই-পয়েন্ট, দেশের হয়ে ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়। ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রায় দশ হাজারের কাছাকাছি রান আছে তাঁর। আইপিএলে কেকেআরের (KKR) জার্সিতে চ্যাম্পিয়নও হয়েছেন একবার। পেয়েছেন অরেঞ্জ ক্যাপ। রনজি ট্রফিতেও টপ স্কোরারের খেতাব পেয়েছেন ২০১৪ সালে। এহেন সফল ক্রিকেটারকেও একসময় পেয়ে বসেছিল অবসাদ। যা দূর করতে পরামর্শ নিতে হয়েছে চিকিৎসকদের।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement