Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Rohit Sharma

দুই সতীর্থের সঙ্গে এক ঘরে থাকতে চান না রোহিত, কিন্তু কেন?

কারা সেই দুই ক্রিকেটার?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২৪, ১৭:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২৪, ১৭:১৯

options
link
দুই সতীর্থের সঙ্গে এক ঘরে থাকতে চান না রোহিত, কিন্তু কেন? zoom
রোহিত শর্মা
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের জার্সিতে তাঁরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বহু ম্যাচ জিতিয়েছেন। কিন্তু কিছুতেই তাঁদের সঙ্গে এক ঘরে থাকতে চান না রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। তার পিছনে রয়েছে এক অদ্ভুত কারণ। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে এমনটাই দাবি করলেন জাতীয় দলের অধিনায়ক।

কমেডিয়ান কপিল শর্মার অনুষ্ঠানে সতীর্থ শ্রেয়স আইয়ারের (Shreyas Iyer) সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হিটম্যান। সেখানেই হালকা মেজাজের আলোচনায় ক্রিকেট দলের ভিতরকার কথা তুলে ধরেন তিনি। মজার ছলেই জানান, দুজন সতীর্থের সঙ্গে কোনও ভাবেই এক ঘরে থাকতে চান না। কারা সেই দুই ক্রিকেটার? তাঁরা হলেন ঋষভ পন্থ (Rishabh Pant) ও শিখর ধাওয়ান (Shikhar Dhawan)।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মহিলাদের সম্মানে বিশেষ অনুষ্ঠান, ‘এবার সিরিয়াস বিষয় শুরু হোক’, বেফাঁস ‘বিরক্ত’ মঞ্জরেকর!]

কেন এই সিদ্ধান্ত রোহিতের? সে কথাও খোলসা করেছেন তিনি। কারণ ঋষভ আর শিখর ঘর নোংরা করে রাখেন। মজা করে রোহিত বলেন, “সবাই এখন আলাদা ঘর পায়। কিন্তু যদি কখনও আমাকে ঘর ভাগাভাগি করে থাকতে হয়, তাহলে দুজনকে আমি বাদ দেব। তারা হল শিখর ধাওয়ান আর ঋষভ পন্থ। ওরা বড্ড নোংরা। প্র্যাক্টিসের পর ওরা খাটের উপরেই নোংরা জামাকাপড় ফেলে রাখে।”

তিনি আরও বলেন, “ওরা দুপুর ১টা পর্যন্ত ঘুমোয়। তাই হোটেলের কর্মীরা সকালে ঘর পরিষ্কার করতে পারে না। এরকম ভাবে তিন-চার দিন কেটে যায়। আমি এইভাবে কখনই থাকতে পারব না।” কথার সূত্রে এসেছে গত বছরের বিশ্বকাপ ফাইনাল হারের কথাও। ভারতের অধিনায়ক ভেবেছিলেন, হয়তো দেশবাসী রাগে ফেটে পড়বে। কিন্তু ক্রিকেটপ্রেমীদের উৎসাহ তাঁকে মুগ্ধ করেছে।

[আরও পড়ুন: শামুকের গতিতে সেঞ্চুরি! আরসিবি হারতেই পাক ক্রিকেটারের ‘শুভেচ্ছা’ বিরাটকে]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.