Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মোহালিতে মারকাটারি ইনিংস রোহিতের, পেলেন কেরিয়ারের তৃতীয় দ্বিশতরান

ক্রিকেট বিশ্বে এই নজির আর কারও নেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৬:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৬:৪৫

options
link
মোহালিতে মারকাটারি ইনিংস রোহিতের, পেলেন কেরিয়ারের তৃতীয় দ্বিশতরান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সদ্য বিয়ে করায় বিরাট কোহলি নেই। কিন্তু তাতে কী? রেকর্ড বুকে নাম তুললেন তাঁর জায়গায় ভারতীয় দলের নয়া অধিনায়ক রোহিত শর্মা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মোহালিতে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে কেরিয়ারের তৃতীয় দ্বিশতরানটি পেয়ে গেলেন রোহিত শর্মা। রোহিতের ডাবল, শিখর ধাওয়ান এবং শ্রেয়স আয়ারের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ভারতের রান দাঁড়াল চার উইকেটে ৩৯২।

[রিসেপশনের আগেই হানিমুন, কোথায় ঘুরছেন বিরাট-অনুষ্কা?]

তিনি খুবই প্রতিভাবান। কেরিয়ারের শুরু থেকেই মুম্বইকরকে নিয়ে এ কথা চালু ছিল। কিন্তু টেস্ট হোক কিংবা ওয়ানডে তেমনভাবে ধারবাহিকতা দেখা যায়নি রোহিত শর্মার ব্যাটে। আবার যখন রান পেয়েছেন, চলে গিয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এদিন মোহালির মাঠে নিজের সেই প্রতিভাই ফের প্রমাণ করলেন রোহিত শর্মা। ওপেন করতে নেমে শেষপর্যন্ত ২০৮ রানে অপরাজিত থাকলেন তিনি। প্রথমে সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে ১১৫ বল খেললেও, পরের সেঞ্চুরি করলেন মাত্র ৩৬ বলে। বলতে গেলে শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড়দের নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করলেন তিনি। এ নিয়ে মোট তিনটি দ্বিশতরান পেয়ে গেলেন তিনি। এর আগে দু’বার দ্বিশতরান এসেছে রোহিতের ব্যাট থেকে। এর মধ্যে ইডেনের ২৬৪ রান তো ওয়ানডে ক্রিকেটে এক ইনিংসে কোনও ব্যাটসম্যানের করা সর্বোচ্চ রান। এদিনের ইনিংস সাজানো ছিল ১৩টি চার ও ১২টি ছয়ে। এদিন ছিল রোহিতের বিবাহবার্ষিকী। বলতে গেলে, এদিনের দ্বিশতরান সেকারণেই আরও স্পেশাল হয়ে থাকল তাঁর কাছে। গ্যালারিতে সহধর্মিণী ঋতিকার আনন্দাশ্রু তাই যেন প্রকাশ করল। রোহিত ছাড়াও রান পেয়েছেন শিখর ধাওয়ান (৬৮) এবং শ্রেয়স আয়ার (৮৮)।

Advertisement

[শহরে ফুটবলপাগলদের ভিড়ে মেজাজ হারিয়ে ম্যানেজারকে চড় মারাদোনার]

এর আগে ধরমশালায় রোহিতদের ঠকঠকানি ধরিয়েছিল সিংহলি সিম আর সুইং। কিন্তু মোহালি এসেই ছবিটা বদলে গেল। এখানেও ঠান্ডাই পেল ভারতীয় দল। তবে সেইসঙ্গে নিজেদেরও ফিরে পেলেন রোহিত-শিখররা। ওপেনিং জুটিতে সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ হয়ে যাওয়ার পর ৫০ ওভারে ভারত রান তুলল চার উইকেটে ৩৯২। এই শ্রীলঙ্কা সঙ্গকারা-জয়বর্ধনের শ্রীলঙ্কা নয়। মুথাইয়া মুরলিধরন বা লাসিথ মালিঙ্গার মতো বোলারও নেই এই দলে। কিন্তু থিসারা পেরেরার ছেলেরা হিসাব উলটে দিয়েছিলেন আগের ম্যাচে। আর মোহালিতে তারই যেন জবাব দিতে নেমেছিলেন রোহিতরা। ভারতের প্রথম ঝাঁ চকচকে ক্রিকেট স্টেডিয়াম মোহালি। ইন্দরজিৎ সিং বিন্দ্রার হাত ধরে একদা সেজে উঠেছিল পাঞ্জাবের এই মাঠ। এখন অবশ্য দেশের সব ক্রিকেট স্টেডিয়ামই আধুনিক চেহারা নিয়েছে। তবু মোহালি আজও অন্য স্টেডিয়ামের থেকে আলাদাই। তবে আগের মতো আর সুইং-টুইং হয় না এই মাঠে। তাই লাকমল বা প্রদীপকে ধরমশালার মতো বিপজ্জনক দেখাল না। তবে সেটা হবেই বা কী করে? শিখর আর রোহিত শর্মা মিলে শুরু থেকেই যে পাল্টা দিতে শুরু করেন! বিশেষ করে ধাওয়ান। দু’জনের মধ্যে তিনিই ছিলেন বেশি আক্রমণাত্মক। ধাওয়ান ফিরে যাওয়ার পর দলকে টানলেন অধিনায়ক রোহিত। আর শেষদিকে তাঁর মারে বলতে গেলে একেবারে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কার বোলিং।

[২০১৪ নয়, ছোটবেলা থেকেই একে-অপরকে পছন্দ করতেন বিরুষ্কা!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.